৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫২৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫২২১
ঝোল খাওয়া জায়িয এবং লাউ খাওয়া মুস্তাহাব আর মেযবান অপছন্দ না করলে, মেহমান হয়েও একই দস্তরখানে উপবেশনকারীদের একজন অন্যজনকে এগিয়ে দেয়া জায়িয। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
জনৈক লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দাওয়াত করলো। আমি ও তাঁর সাথে গেলাম। তরকারি আনা হলো যাতে লাউ ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সে লাউগুলো খেতে লাগলেন। লাউ তাঁর নিকট ভাল লাগছিল। এ অবস্থা দেখে স্বয়ং আমি না খেয়ে এগুলো তাঁর নিকট বাড়িয়ে দিতে লাগলাম। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর থেকে সব সময় লাউ আমার প্রিয় খাবার হয়ে যায়।
৫২২২
ঝোল খাওয়া জায়িয এবং লাউ খাওয়া মুস্তাহাব আর মেযবান অপছন্দ না করলে, মেহমান হয়েও একই দস্তরখানে উপবেশনকারীদের একজন অন্যজনকে এগিয়ে দেয়া জায়িয। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইব্‌নে মালিক (রাঃ)
এক দর্জি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দাওয়াত করলো। রাবী অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, সাবিত (রহঃ) বলেছেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, অতঃপর আমার জন্য যদি আহার তৈরি করা হতো এবং এতে আমি লাউ দিতে সমর্থ হলে তাই করা হতো।
৫২২৩
খেজুরের বিচি খেজুরের বাহিরে ফেলা মুস্তাহাব এবং মেজবানের জন্য মেহমানের দু’আ করা, সৎ মেহমান থেকে দু’আ চাওয়া ও মেহমানের তাতে সাড়া দেয়া মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইব্‌নে বুস্‌র (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার আব্বার কাছে আসলেন। আমরা তাঁর সম্মুখে কিছু খাবার ও ওয়াতবাহ (খেজুর চূর্ণ, পনির ও ঘি যোগে তৈরী এক প্রকার খাদ্য) পেশ করলাম। তিনি তা হতে খেলেন।অতঃপর খেজুর নিয়ে আসলে তিনি তা খেতে লাগলেন। আর বিচিগুলো মধ্যমা ও শাহাদাত অঙ্গুলি একত্র করে দুই আঙ্গুলের মাঝখান দিয়ে ফেলতে লাগলেন। শু’আবাহ্ বলেন, এটা আমার অনুমান। তবে ইনশাআল্লাহ এতে দুই আঙ্গুলের মাঝখানে দিয়ে বীজ ফেলার কথাটি আছে।অতঃপর তাঁর নিকটে সুপেয় আনা হলে তিনি তা পান করেন। পরে তিনি তাঁর ডান পাশের লোককে দিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে বুসর (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমার আব্বা তাঁর সাওয়ারীর লাগাম ধরে বললেন, আপনি আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন। তখন তিনি বললেন, “ইয়া আল্লাহ! তুমি তাঁদের রিজিকে বরকত দাও, তাঁদের ক্ষমা করো এবং তাঁদের প্রতি দয়া করো।”
৫২২৪
খেজুরের বিচি খেজুরের বাহিরে ফেলা মুস্তাহাব এবং মেজবানের জন্য মেহমানের দু’আ করা, সৎ মেহমান থেকে দু’আ চাওয়া ও মেহমানের তাতে সাড়া দেয়া মুস্তাহাব। পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ (রহঃ)
উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তারা দুজনেই দুই আঙ্গুলের মধ্য দিয়ে বিচি ফেলে দেওয়ার ব্যাপারে শু'বাহর সন্দেহের কথা উল্লেখ করেননি।
৫২২৫
শশা ও তাজা খেজুরের সংমিশ্রণে আহার করা। পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুল্লাহ ইব্‌নে জা’ফর (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সতেজ খেজুরের সঙ্গে শশা খেতে লক্ষ্য করেছি।
৫২২৬
আহারকারীর বিনয়-নম্রতা মুস্তাহাব এবং তার উপবেশনের নিয়ম-কানুন। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইব্‌নে মালিক (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে জানুদ্বয় উচ্চে তুলে উপবিষ্ট অবস্থায় খেজুর খেতে লক্ষ্য করেছি।
৫২২৭
আহারকারীর বিনয়-নম্রতা মুস্তাহাব এবং তার উপবেশনের নিয়ম-কানুন। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট শুকনো খেজুর আনা হলে তিনি তা ভাগ করতে লাগলেন এবং স্বয়ং জানুদ্বয় তুলে উপরি বৈঠক অবস্থায় দ্রুত এগুলো থেকে আহার করছিলেন। যুহাইর (রহঃ)-এর বর্ণনায় (أَكْلًا ذَرِيعًا) শব্দের স্থানে (أَكْلًا حَثِيثًا) শব্দ বর্ণিত হয়েছে। (দুইটি শব্দের একই অর্থ দ্রুত)।
৫২২৮
জামা’আতে আহারকারীর জন্য এক লোকমায় দু’টি করে খেজুর ইত্যাদি খাওয়া নিষেধ, তবে যদি সঙ্গীরা অনুমতি দেয় (তবে জায়িয)। পরিচ্ছেদ নাই
জাবালাহ্‌ ইব্‌নে সুহায়ম (রহঃ)
ইবনু যুবাইর (রাঃ) আমাদেরকে খাদ্য হিসেবে খেজুর দিতেন। তৎকালীন সময় লোকেরা অনাহারে পতিত হয়েছিল। আমরা তাই খেয়ে থাকতাম। একবার আমরা খাবার খাচ্ছিলাম। তখন ইবনু উমর (রাঃ) আমাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, তোমরা একাধিক খেজুর এক সঙ্গে খেও না। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক সাথে একাধিক খেজুর খেতে বারণ করেছেন। তবে যদি কেউ তার (সাথী) ভাইয়ের অনুমতি নিয়ে নেয় (তাহলে খেতে পারে)। শু’বাহ (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা হয়, অনুমতি নেয়ার কথাটা ইবনু উমর (রাঃ)-এরই কথা।
৫২২৯
জামা’আতে আহারকারীর জন্য এক লোকমায় দু’টি করে খেজুর ইত্যাদি খাওয়া নিষেধ, তবে যদি সঙ্গীরা অনুমতি দেয় (তবে জায়িয)। পরিচ্ছেদ নাই
উবাইদুল্লাহ ইব্‌নু মু’য়ায মুহাম্মাদ ইব্‌নু বাশশার শু’বাহ (রহঃ)
উপরোল্লিখিত সূত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁদের হাদিসে (অনুমতি সম্পর্কে) শু’আবা (রহঃ) এর কথা এবং জাবালাহ (রহঃ) এর এ কথা নেই যে, ‘তখন মানুষ অনাহারে পতিত হয়েছিল’।
৫২৩০
জামা’আতে আহারকারীর জন্য এক লোকমায় দু’টি করে খেজুর ইত্যাদি খাওয়া নিষেধ, তবে যদি সঙ্গীরা অনুমতি দেয় (তবে জায়িয)। পরিচ্ছেদ নাই
জাবালাহ ইব্‌নে সুহায়ম (রহঃ)
আমি ইবনু উমর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাহাবীদের অনুমতি ব্যতীত কোন লোকের এক সাথে দুইটি করে খেজুর ভক্ষণ করা হতে বারণ করেছেন।