৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫১১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫১০১
মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য চামড়া দ্বারা তৈরি বাসনে নাবীয প্রস্তুত করা হতো। তবে চামড়া নির্মিত বাসন পাওয়া না গেলে পাথর নির্মিত বাসনে তাঁর জন্য নাবীয প্রস্তুত করা হতো। সে সময় এক লোক আবু যুবায়র-এর নিকটে জিজ্ঞেস করল আর আমি তা শুনলাম। তিনি বললেন, পাথরের ডেগ? তিনি (আবু যুবায়র) বললেন, হ্যাঁ পাথরের ডেগ।
৫১০২
মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে চর্ম নির্মিত পাত্র ব্যতীত অন্য সব পাত্রেই নাবীয (খেজুর অথবা কিসমিস ভিজিয়ে তৈরি পানীয়) প্রস্তুত করা হতে বারণ করেছিলাম। এখন তোমরা সব ধরণের পাত্রেই নাবীয প্রস্তুত করে পান করতে পারো। কিন্তু, নেশা জাতীয় নাবীয পান করো না।
৫১০৩
মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে নাবীয তৈরি করতে সব রকম পাত্র (ব্যবহার করা) হতে বারণ করেছিলাম। পাত্রগুলো অথবা (তিনি বলেছেন,) কোন পাত্র কোন জিনিসকে হালাল করতে পারে না, হারাম করতে পারে না। তবে সব ধরনের নেশাজাতীয় জিনিসই নিষিদ্ধ।
৫১০৪
মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি তোমাদেরকে নিষেধ করেছিলাম চামড়া নির্মিত সব রকম বাসনে (বানানো নাবীয) পান করতে। কিন্তু এখন তোমরা সর্বপ্রকার বাসনেই পান করতে পার। তবে নেশাজাতীয় কোন প্রকার জিনিস বানানো নাবীয পান করো না।
৫১০৫
মুযাফ্‌ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আম্‌র (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সকল (চামড়ার পাত্র ছাড়া) বাসনের নবীজ হতে বারণ করলেন, তখন মানুষেরা বলল, সবাই তো (চামড়ার বাসন) পায় না। পরে তিনি আলকাতরা মিশ্রিত কলসী ব্যতীত ভিন্ন কলসীর ক্ষেত্রে অনুমতি প্রদান করেন।
৫১০৬
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বিত’র বিষয়ে প্রশ্ন করা হলো। তিনি বললেন, নেশাগ্রস্ত করে এমন সকল প্রকার পানীয়ই নিষিদ্ধ।
৫১০৭
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামা ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ)
তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বিত’ই সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো। তিনি বললেন, নেশা উদ্রেক করে এমন সর্বপ্রকার পানীয়ই নিষিদ্ধ।
৫১০৮
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম পরিচ্ছেদ নাই
মা’মার (রহঃ) হতে, তাঁরা সবাই যুহরী (রহঃ)
উক্ত সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে সুফিয়ান (রহঃ) ও সালিহ (রহঃ)-এর হাদীসে “রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে “বিত'ই (এক প্রকার পানীয়) সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো”-কথাটি নেই। কিন্তু মামার (রহঃ)-এর হাদীসে কথাটি রয়েছে। আর সালিহ (রহঃ)-এর হাদীসে রয়েছে যে, তিনি [আয়িশা (রাঃ)] রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন- “সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী পানীয়ই হারাম।”
৫১০৯
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
নবী (ﷺ) আমাকে এবং মু’আয ইবন জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের অঞ্চলে যব হতে ‘মিযর’ নামক মদ এবং মধু হতে ‘বিত’ নামক মদ প্রস্তুত করা হয়। তিনি বললেন, “সকল প্রকার নেশা উদ্রেককারী জিনিসই নিষিদ্ধ।”
৫১১০
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু আবূ বুরদাহ্‌ (রাঃ) তাঁর পিতা
নবী (ﷺ) তাঁকে ও মু’আজ (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন এবং তাঁদেরকে বললেনঃ তোমরা (মানুষকে) সুসংবাদ দিবে আর (দ্বীনকে) সহজভাবে প্রকাশ করবে, (মানুষকে) দ্বীন শিক্ষা দেবে, কাউকে (দ্বীন থেকে) পৃথক করে দিবে না।আমার ধারণা হয়, তিনি ‘একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করবে’ কথাটিও বলেছেন।তিনি যাত্রা করলে আবু মূসা (রাঃ) ফিরে এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তাদের তো মধু থেকে বানানো মদ আছে যা পাকিয়ে ঘন করা হয় এবং ‘মিযর’ আছে যা যব দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যা কিছু সালাত হতে বিরত করে তা-ই হারাম।