৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫১৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫১২১
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য রাতের প্রথম ভাগে নবীজ প্রস্তুত করা হতো। তিনি তা পান করতেন, সেদিন সকালে, আগামী রাতে, পরবর্তী দিনে, এর পরের রাতে এবং পরদিন আসর পর্যন্ত। তবে যদি কিছু অবশিষ্ট থেকে যেত, তা তিনি তাঁর সেবাদানকারীকে পান করাতেন, কিংবা ফেলে দিতে নির্দেশ দিতেন।
৫১২২
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্‌ইয়া বাহরানী (রহঃ)
মানুষরা ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে নবীজের ব্যাপারে আলোচনা করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য মশকে নবীজ প্রস্তুত করা হতো। শু'বাহ বলেন, সোমবারের রাতের (অর্থাৎ রবিবার দিবাগত রাতে) তিনি তা সোমবার দিন ও মঙ্গলবার আসর পর্যন্ত পান করতেন। এরপরও কিছু বাকী থাকলে তিনি সেটা খাদিমকে পান করাতেন বা ফেলে দিতেন।
৫১২৩
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য কিশমিশ পানিতে ডুবিয়ে রাখা হতো। তিনি সেদিন, তার পরের দিন এবং তৃতীয় দিন বিকালে পর্যন্ত তা পান করতেন। অতঃপর তাঁর নির্দেশে কোন লোককে পান করানো হতো কিংবা ফেলে দেওয়া হতো।
৫১২৪
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য মশকের ভিতরে কিশমিশের নবীজ প্রস্তুত করা হতো। তিনি ঐ দিন, তার পরবর্তী দিন এবং পরশু দিন পর্যন্ত তা পান করতেন। তৃতীয় দিনের বিকাল হলে তিনি নিজে তা পান করতেন এবং অপরকে পান করাতেন। তারপরও যদি কিছু বাকী থাকত তিনি তা ঢেলে দিতেন।
৫১২৫
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্‌ইয়া নাখ্‌‘ঈ (রহঃ)
কতিপয় লোক ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে মদ কেনা-বেচা এবং এর ব্যবসা সম্পর্কে প্রশ্ন করলো। তিনি বললেন, তোমরা কি মুসলিম? তারা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তাহলে এর কেনা-বেচা ও ব্যবসা জায়েয হবে না।রাবী বলেন, অতঃপর তারা তাঁকে নবীজ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার ভ্রমণে গিয়ে যখন ফিরে আসলেন, তখন তাঁর সাহাবীদের থেকে কতিপয় লোক হানতাম, নাকীর ও দুব্বায় নবীজ প্রস্তুত করছিল। তিনি নির্দেশ দিলেন তা ঢেলে ফেলা হয়। অতঃপর তিনি মশক আনতে নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তার মধ্যে কিশমিশ ও পানি দিয়ে সারারাত রাখা হলো। সেদিন সকালে এবং আগামী রাত ও তার পরবর্তী বিকাল পর্যন্ত তিনি তা হতে পান করেন, আর অন্যদের পান করতে দেন। রাত পার হলে তিনি বাকী অংশের ব্যাপারে আদেশ দিলে, তা ঢেলে ফেলা হলো।
৫১২৬
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
সুমামাহ্‌ ইবনু হায্‌ন কুশাইরী (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে নবীজ সম্বন্ধে প্রশ্ন করলাম। আয়িশা (রাঃ) এক হাবশি ক্রীতদাসীকে ডেকে বললেন, একে প্রশ্ন করো- রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য সে নবীজ প্রস্তুত করত। অতঃপর হাবশি মেয়েটি বলল, রাতে আমি তাঁর জন্য মশকের ভিতরে নবীজ প্রস্তুত করতাম এবং সেটি মুখ বন্ধ করে লটকিয়ে রাখতাম। ভোর হলে তিনি এ থেকে পান করতেন।
৫১২৭
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য নবীজ প্রস্তুত করতাম এমন মশকে যার প্রবেশদ্বার উপরের দিকে এবং যেটির (নিচের দিকে) বহু ছিদ্র ছিল। আমরা ভোরে নবীজ প্রস্তুত করলে রাত্রেই তিনি তা পান করতেন। আবার রাতে প্রস্তুত করলে ভোরেই তিনি তা পান করতেন।
৫১২৮
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা‘দ (রহঃ)
আবু উসায়দ সাঈদি (রাঃ) তাঁর বিবাহে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দাওয়াত করলেন। তাঁর সদ্য বিবাহিত স্ত্রীই সেদিন তাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। সাহ্‌ল (রাঃ) বললেন, তোমরা কি জান, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কী পান করতে দিয়েছিলেন? তিনি রাতে কিছু খেজুর একটি পাথরের পাত্রে ভিজিয়ে রেখেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাবার শেষ করলে তিনি তাঁকে তা পান করিয়েছিলেন।
৫১২৯
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হাযিম (রহঃ)
আমি সাহল (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, আবু উসাইদ সাঈদি (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দাওয়াত করলেন। তারপর রাবী উপরোল্লিখিত হাদিসের অবিকল বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ কথা বলেননি যে, “খাওয়া শেষ হলে সে নবীজটুকু তিনি তাঁকে পান করান”।
৫১৩০
যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ)
উল্লেখিত হাদিসটি বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলছেন, পাথর দিয়ে তৈরি বাসনে (নবীজ বানানো হয়েছিল), এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাবার শেষ করলে তিনি তা হালকা করে একমাত্র তাঁকেই পান করতে দিয়েছিলেন।