৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫০১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৫০০১
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমরা রাসূল (ﷺ)-এর সময় মদিনায় পৌঁছা পর্যন্ত কুরবানির গোশত পাথেয় হিসেবে নিয়ে আসতাম।
৫০০২
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা“ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: হে মদীনার লোকেরা! তোমরা যেন তিন দিনের বেশি কুরবানির গোশত না খাও। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ... (তিন দিন) শব্দ উল্লেখ করেছেন। তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে অভিযোগ করল যে, তাদের পরিবার-পরিজন, কাজের লোক ও সেবক রয়েছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তাহলে তোমরা নিজেরা খাও, অন্যকে খাওয়াও এবং জমা করে রাখো। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) বলেন, “আবদুল আ'লা (রহঃ) সন্দেহ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ... শব্দ বলেছেন, না ... শব্দ।”
৫০০৩
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্‌ ইবনু আক্‌ওয়া’ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি কুরবানী করবে, সে যেন ঈদের তৃতীয় রাতের পর তার বাড়িতে কুরবানীর পশুর কোন কিছু সঞ্চিত না রাখে।আগামী বছর যখন আগত হলো, তখন লোকজনেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমরা কি গত বছরের মতো করবো? তিনি বললেন, না। সে বছর তো মানুষ খুব দুর্দশায় ছিল, তাই আমি চেয়েছিলাম যাতে সকলের কাছে কুরবানীর (গোশত) পৌঁছে যায়।
৫০০৪
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
সাওবান (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কুরবানির জন্তু যবেহ করলেন। তারপর বললেন, হে সাওবান! এর গোশত উত্তমভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করো। তারপর থেকে তিনি মদীনায় আগমন করা পর্যন্ত আমি তাঁকে উক্ত গোশত হতে খাওয়াতে থাকি।
৫০০৫
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
মু“আবিয়াহ্ ইবনু সালিহ্ (রহঃ)
উল্লেখিত সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে।
৫০০৬
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর গোলাম সাওবান (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিদায় হজ্জের কালে আমাকে বললেনঃ “এ গোশত উত্তমরূপে সংরক্ষণ কর।” আমি তা ভাল করে রেখে দিলাম। তিনি মদীনায় পৌঁছা পর্যন্ত এ গোশত খেতে থাকেন।
৫০০৭
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু হামযাহ্ (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আদ-দারিমি (রহঃ) সূত্রে হাদিসটি বর্ণিত। তবে তিনি “বিদায় হজ্জের সময়” কথাটি উল্লেখ করেননি।
৫০০৮
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি কবর জিয়ারত হতে তোমাদের বারণ করেছিলাম, এখন তোমরা জিয়ারত করতে পার। আর আমি তোমাদের তিনদিনের বেশি কুরবানির গোশত খেতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা নিজেদের প্রয়োজন অনুপাতে জমা করে রাখতে পার।আমি আরও তোমাদের নিষেধ করেছিলাম চর্ম দ্বারা নির্মিত পাত্র ব্যতীত অন্যান্য সকল পাত্রে তৈরি নবিজ (খেজুর ভেজানো পানি) পান করতে, এখন তোমরা যে কোন পাত্র থেকেই পান করতে পারো। তবে যা কিছু নেশা সৃষ্টি করে তা পান করো না।
৫০০৯
ইসলাম সূচনালগ্নে তিনদিনের পরে কুরবানীর গোশ্ত খাওয়া সম্বন্ধে যে নিষেধাজ্ঞা অর্পিত হয়েছিল তার বর্ণনা এবং তা রহিত হওয়া ও যতদিন ইচ্ছা ততদিন পর্যন্ত খাওয়া বৈধ হওয়ার বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আমি তোমাদের বারণ করেছিলাম...। তারপর রাবী আবু সিনানের হাদিসের অবিকল অর্থ বর্ণনা করেন।
৫০১১
যে ব্যক্তি যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশদিনে প্রবেশ করল এবং কুরবানী দেয়ার ইচ্ছা করল তার জন্য চুল ও নখ কর্তন নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: যখন (যিলহজ্জ মাসের) প্রথম দশদিন উপস্থিত হয়, আর তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল ও নখের কিছুই স্পর্শ না করে (কর্তন না করে)। সুফিয়ান (রহঃ)-কে বলা হলো, অনেকে তো হাদিসটিকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে উল্লেখ করেন না। তিনি বললেন, আমি কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকেই উল্লেখ করি।