৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৯৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৯৮১
কুরবানী করা মুস্তাহাব, আর অপর কে দায়িত্ব না দিয়ে নিজেই তা যাবাহ করা এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলাও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) দুইটি শিং বিশিষ্ট সাদা-কালো ধূসর রঙের দুইটি দুম্বা স্বহস্তে যবেহ করেন। (যবেহ করার সময়) তিনি ‘বিসমিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলেন এবং (যবেহকালে) তাঁর একখানা পা দুম্বা দুইটির ঘাড়ের পাশে রাখেন।
৪৯৮২
কুরবানী করা মুস্তাহাব, আর অপর কে দায়িত্ব না দিয়ে নিজেই তা যাবাহ করা এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলাও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুই শিংযুক্ত সাদা-কালো বর্ণের দুইটি দুম্বা কুরবানী করেন। তিনি আরও বলেন, আমি তাঁকে দুম্বা দুইটি স্বহস্তে যবেহ করতে দেখেছি। আরও দেখেছি, তিনি ও দুটির ঘাড়ের পাশে নিজ পা দিয়ে চেপে রাখেন এবং ‘বিসমিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলেন।
৪৯৮৩
কুরবানী করা মুস্তাহাব, আর অপর কে দায়িত্ব না দিয়ে নিজেই তা যাবাহ করা এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলাও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরবানী করেন। রাবী (বর্ণনাকারী) পরবর্তী অংশ উল্লেখিত হাদীসের মতই রিওয়ায়াত করেন। শু’আবাহ (রহঃ) বলেন, আমি কাতাদাহ (রহঃ)-কে বললাম, আপনি কি আনাস (রাঃ) থেকে হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ (শুনেছি)।
৪৯৮৪
কুরবানী করা মুস্তাহাব, আর অপর কে দায়িত্ব না দিয়ে নিজেই তা যাবাহ করা এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলাও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নবী (ﷺ) হতে হুবহু রিওয়ায়াত করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘আমি তাঁকে بِاسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ বলতেও শুনেছি।
৪৯৮৫
কুরবানী করা মুস্তাহাব, আর অপর কে দায়িত্ব না দিয়ে নিজেই তা যাবাহ করা এবং ‘বিস্‌মিল্লা-হ’ ও ‘আল্ল-হু আকবার’ বলাও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরবানী করার জন্য শিংওয়ালা দুম্বাটি আনতে নির্দেশ দেন- যেটি কালোর মধ্যে চলাফেরা করতো (অর্থাৎ, পায়ের গোড়া কালো ছিল), কালোর মধ্যে শুইতো (অর্থাৎ, পেটের নিচের অংশ কালো ছিল) এবং কালোর মধ্য দিয়ে দেখতো (অর্থাৎ, চোখের চারদিকে কালো ছিল)। সেটি আনা হলে তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে বললেন, ছুরিটি নিয়ে এসো। অতঃপর বলেন, ওটা পাথরে ধার দাও। তিনি তা ধার দিলেন। পরে তিনি সেটি নিলেন এবং দুম্বাটি ধরে শুইয়ে দিলেন। তারপর সেটা যবেহ করলেন এবং বললেন- بِاسْمِ اللَّهِ اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنْ مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ وَمِنْ أُمَّةِ مُحَمَّদٍ “আল্লাহর নামে। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার ও তাঁর উম্মতের পক্ষ হতে এটা কবুল করে নাও”। তারপর এটা কুরবানী করেন।
৪৯৮৬
যা রক্ত ঝরায় তা দিয়েই যাবাহ করা বৈধ, তবে দাঁত-নখ ও সকল হাড় ব্যতীত পরিচ্ছেদ নাই
রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা আগামীকাল শত্রুর সঙ্গে মুকাবিলা করব। অথচ আমাদের সঙ্গে কোন ছুরি নেই। তিনি বললেন, তাড়াতাড়ি কিংবা ভালোভাবে দেখে নিখুঁতভাবে যবেহ করবে। যা রক্ত প্রবাহিত করে, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয় তা (দিয়ে যবেহকৃত জন্তু) খাও। তবে তা যেন দাঁত ও নখ না হয়। আমি তোমাদের কাছে এর কারণ বর্ণনা করেছি। কেননা দাঁত হলো হাড় বিশেষ, আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি।রাবী বলেন, আমরা গনীমাতের কিছু উট ও ছাগল পেলাম। সেখান থেকে একটি উট ছুটে গেলে এক লোক তীর মেরে সেটাকে আটকিয়ে ফেললো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: এসব উটের মধ্যেও বন্য প্রাণীর মতো আচরণ রয়েছে। অতএব এগুলোর মাঝে কোন একটি যদি নিয়ন্ত্রণ হারা হয়ে যায় তবে তার সঙ্গে এরূপ ব্যবহারই করবে।
৪৯৮৭
যা রক্ত ঝরায় তা দিয়েই যাবাহ করা বৈধ, তবে দাঁত-নখ ও সকল হাড় ব্যতীত পরিচ্ছেদ নাই
রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
আমরা তিহামার অন্তর্গত 'যুল-হুলাইফা' নামক জায়গায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ছিলাম। সেখানে আমরা বকরী ও উট পেলাম। লোকজন তাড়াতাড়ি করে ডেগের মধ্যে এগুলোর গোশত জ্বাল দিতে লাগলো।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নির্দেশ দিলে ডেগগুলোর পার্শ্বদেশ উল্টিয়ে দেয়া হলো। তারপর একটি উট দশটি ছাগলের সমান গণ্য করা হলো। রাবী হাদীসের অবশিষ্টাংশ ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ-এর হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন।
৪৯৮৮
যা রক্ত ঝরায় তা দিয়েই যাবাহ করা বৈধ, তবে দাঁত-নখ ও সকল হাড় ব্যতীত পরিচ্ছেদ নাই
রাফি ‘ইবনু খাদীজ (রাঃ)
আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা আগামীকাল শত্রুর সঙ্গে মোকাবিলা করব। অথচ আমাদের সঙ্গে কোনো ছুরি নেই। (ধারালো) বাঁশের খোলস দ্বারা কি যবাই করব? রাবি ইসমাঈল পুরো ঘটনাসহ হাদিসটি বর্ণনা করেন। তিনি [রাফি (রাঃ)] আরও বলেন, উক্ত উটগুলোর মধ্য হতে একটি উট ছুটে গেলে আমরা তীর ছুড়ে সেটাকে পাকড়াও করি।
৪৯৮৯
যা রক্ত ঝরায় তা দিয়েই যাবাহ করা বৈধ, তবে দাঁত-নখ ও সকল হাড় ব্যতীত পরিচ্ছেদ নাই
সা‘ঈদ ইবনু মাসরূক (রহঃ)
উপরোক্ত সনদে হাদিসটি শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গরূপে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে তিনি ‘আমাদের সঙ্গে ছুরি নেই, আমরা কি বাঁশ দ্বারা যবেহ করব’ রাফি-এর এ উক্তিটি উল্লেখ করেন।
৪৯৯০
যা রক্ত ঝরায় তা দিয়েই যাবাহ করা বৈধ, তবে দাঁত-নখ ও সকল হাড় ব্যতীত পরিচ্ছেদ নাই
রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ)
তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা আগামীকাল দুশমনের সঙ্গে মোকাবিলা করব, অথচ আমাদের কাছে কোন ছুরি নেই। শুবা শেষ পর্যন্ত হাদিসটি উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি, “কিছু লোক তাড়াতাড়ি করে, পরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আদেশে সেগুলো (ডেগ বা পাতিলগুলো) উল্টে দেওয়া হয়।” তবে (এ অংশটি ব্যতীত) তিনি পুরো ঘটনাই বর্ণনা করেছেন।