৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৫০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৯১
মানবীয় ফিত্‌রাহ্‌-এর (স্বভাবের) বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমরা মোচ কেটে ফেল এবং দাড়ি লম্বা করে অগ্নি পূজকদের বিরুদ্ধাচরণ কর।
৪৯২
মানবীয় ফিত্‌রাহ্‌-এর (স্বভাবের) বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, দশটি কাজ ফিতরাতের অন্তর্ভুক্তঃ মোচ খাটো করা, দাড়ি লম্বা করা, মিসওয়াক করা, নাকে পানি দিয়ে ঝাড়া, নখ কাটা এবং আঙুলের গিরাসমূহ ধোয়া, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নাভীর নিচের পশম মুণ্ডন করা এবং পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা। যাকারিয়া বলেন, হাদীসের রাবী মুসআব বলেন, দশমটির কথা আমি ভুলে গিয়েছি। সম্ভবত সেটি হবে কুলি করা। এ হাদীসের বর্ণনায় কুতাইবা আরো একটি বাক্য বাড়ালেন যে, ওকী' বলেন, انْتِقَاصُ الْمَاءِ অর্থাৎ ইস্তিঞ্জা করা।
৪৯৩
মানবীয় ফিত্‌রাহ্‌-এর (স্বভাবের) বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কুরায়ব (রহঃ)
একই সানাদে মুসআব ইবনু শাইবা (রহঃ)-এর পূর্ব বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনায় এ কথাও আছে যে, তাঁর পিতা বলেছেনঃ আমি দশম বস্তুটি ভুলে গেছি।
৪৯৪
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সালমান (রাযি:)
একদা তাঁকে বলা হল, তোমাদের নবী (ﷺ) তোমাদেরকে সকল কাজই শিক্ষা দেন; এমনকি প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ম-কানুনও!তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেছেন পায়খানা ও প্রস্রাবের সময় কেবলামুখী হয়ে বসতে, ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য করতে, তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে এবং গোবর ও হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে।
৪৯৫
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
সালমান (রাযি:)
মুশরিকরা একবার আমাকে বলল, “আমরা দেখছি তোমাদের সঙ্গী [রসূল (ﷺ)] তোমাদেরকে সব কাজই শিক্ষা দেন; এমনকি প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ম নীতিও তোমাদেরকে শিক্ষা দেন!” (জবাবে) তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেছেন ডান হাতে শৌচকাজ করতে, (ইস্তিঞ্জার সময়) কেবলামুখী হয়ে বসতে এবং তিনি আমাদেরকে আরও নিষেধ করেছেন গোবর অথবা হাড় দিয়ে ইস্তিঞ্জা করতে। তোমাদের কেউ যেন তিনটি ঢিলার কম দিয়ে ইস্তিঞ্জা না করে।”
৪৯৬
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাড় অথবা গোবর ঢিলা হিসেবে ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
৪৯৭
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ আইয়ুব (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: তোমরা প্রস্রাব বা পায়খানায় গেলে কেবলার দিকে মুখ করে কিংবা কেবলা পেছনে রেখে বসো না বরং পূর্ব কিংবা পশ্চিম দিকে মুখ করে বস। আবু আইয়ুব (রাঃ) বলেছেন, এক সময় আমরা শাম দেশে (সিরিয়ায়) গেলে দেখলাম, তাদের পায়খানাগুলো কেবলামুখী করে নির্মিত। কাজেই আমরা ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহর কাছে ইস্তিগফার করতাম। জবাবে সুফিয়ান বললেন, হ্যাঁ (আমি তার নিকট থেকে এ হাদীসটি শুনেছি)।
৪৯৮
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ প্রস্রাব-পায়খানা করতে বসলে কখনো যেন সে কেবলার দিকে মুখ করে অথবা সেদিকে পিছন দিয়েও না বসে।
৪৯৯
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান (রহঃ)
আমি একদা মসজিদে সালাত আদায়রত ছিলাম। আর আব্দুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তখন কেবলার দিকে পিছন করে হেলান দিয়ে বসেছিলেন। অতঃপর আমি সালাত শেষ করে তাঁর দিকে ঘুরে বসলাম। তখন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বললেন, কিছু লোকে বলে, “তুমি যখন বসবে তখন কেবলার দিকে মুখ করে বসো না এবং বাইতুল মুকাদ্দাস-এর দিকেও না”। অথচ একবার আমি একটি ঘরের ছাদের উপর উঠে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দু’টি ইটের উপর বসা অবস্থায় দেখলাম। তিনি তখন ইস্তিঞ্জা করার জন্য বাইতুল মুকাদ্দাস-এর দিকে মুখ করে বসেছিলেন।
৫০০
ইস্তিঞ্জার বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
আমি একদা আমার বোন হাফসার ঘরের ছাদে উঠলাম। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ইস্তিঞ্জায় বসা অবস্থায় দেখতে পেলাম। তিনি শাম (সিরিয়া)-এর দিকে মুখ করে এবং কেবলার দিকে পিঠ করে বসে ছিলেন।