৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৭১
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার হাউজ (হাউজে কাউসার) আইলা থেকে আদান-এর দূরত্ব পরিমাণ দীর্ঘ। সে মহান সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি তা থেকে কিছু মানুষকে এমনভাবে তাড়াবো যেমন কোন ব্যক্তি অপরিচিত উটকে তার হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেয়। লোকেরা জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি সেদিন আমাদেরকে চিনতে পারবেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। ওজুর প্রভাবে তোমাদের চেহারা ও হাত-পা থেকে উজ্জ্বল জ্যোতি ছড়িয়ে পড়া অবস্থায় তোমরা আমার নিকট উপস্থিত হবে। এটা তোমাদের ছাড়া অন্য উম্মতের জন্যে হবে না।
৪৭২
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
একবার রাসুলুল্লাহ (ﷺ) একটি কবরস্থানে এসে বললেন, “তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। হে কবরবাসী মুমিনগণ! ইনশাআল্লাহ আমরাও তোমাদের সাথে এসে মিলব। আমার বড় ইচ্ছা হয় যে, আমাদের ভাইদেরকে দেখি।”সাহাবায়ে কিরাম আরজ করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই?” তিনি বললেন, “তোমরা তো আমার সাহাবি। আর যারা এখনো (পৃথিবীতে) আসেনি তারা আমাদের ভাই।” সাহাবায়ে কিরাম আরজ করলেন, “ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনার উম্মতের মধ্যে যারা এখনো (পৃথিবীতে) আসেনি তাদেরকে আপনি কিভাবে চিনবেন?” তিনি বললেন, “কেন, যদি কোন ব্যক্তি সাদা রঙের কপাল ও সাদা রঙের হাত-পা বিশিষ্ট ঘোড়া অনেকগুলো কালো ঘোড়ার মধ্যে মিশে যায় তবে সে কি তার ঘোড়াকে চিনে নিতে পারবে না?” তাঁরা বললেন, “হ্যাঁ, ইয়া রাসুলুল্লাহ!”তিনি বললেন, “তাঁরা (আমার উম্মত) সেদিন এমন অবস্থা আসবে যে, ওজুর ফলে তাদের মুখমণ্ডল, হাত-পা জ্যোতির্ময় হবে। আর হাউজের পাড়ে আমি হব তাদের অগ্রনায়ক। জেনে রাখ, কিছু সংখ্যক লোককে সেদিন আমার হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে যেমনিভাবে বেওয়ারিশ উটকে তাড়িয়ে দেয়া হবে। আমি তাদেরকে ডাকব, এসো এসো। তখন বলা হবে, “এরা আপনার পরে (আপনার দ্বীনকে) পরিবর্তন করে দিয়েছিল।” তখন আমি বলব, “দূর হও, দূর হও”।”
৪৭৩
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
একবার রসূলুল্লাহ (ﷺ) কবরস্থানে গেলেন ও বললেন, “মুমিনদের বাসস্থানে (কবরস্থানে) তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আর আমরা ইনশাআল্লাহ তোমাদের সাথে এসে শামিল হব।” অবশিষ্টাংশ ইসমাঈল ইবন জাফর-এর বর্ণিত (পূর্বের) হাদিসের অনুরূপ। তবে মালিক-এর হাদিসে এতটুকু বেশি আছে, “অবশ্যই কিছু লোককে এ হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেয়া হবে।”
৪৭৪
যে পর্যন্ত ওযূর পানি পৌঁছবে সে পর্যন্ত অলঙ্কার পরানো হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হাযিম (রাঃ)
একদিন আমি আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর পিছনে ছিলাম। (দেখলাম) তিনি সালাতের জন্য ওজু করছেন। তিনি হাতের বগল পর্যন্ত ধুলেন। তখন আমি বললাম, হে আবু হুরাইরা (রাঃ)! এটা কেমন ধরনের ওজু?তিনি অবাক হয়ে বললেন, হে বনি ফররুখ! যদি আমি জানতাম তোমরা এখানে আছো, তাহলে আমি এ ধরনের ওজু করতাম না। আমি আমার বন্ধু [রসূলুল্লাহ (ﷺ)]-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন যে স্থান পর্যন্ত ওজুর পানি পৌঁছবে সে স্থান পর্যন্ত মু’মিন ব্যক্তির উজ্জ্বলতা অথবা সৌন্দর্যও পৌঁছবে।
৪৭৫
কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি কি তোমাদের এমন কাজ জানাবো না, যা করলে আল্লাহ (বান্দার) পাপরাশি দূর করে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন? লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আপনি বলুন।তিনি বললেনঃ অসুবিধা ও কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণরূপে ওজু করা, মসজিদে আসার জন্য বেশি পদচারণা করা এবং এক সালাতের পর আর এক সালাতের জন্য প্রতীক্ষা করা; আর এ কাজগুলোই হল সীমান্ত প্রহরা।
৪৭৬
কষ্ট সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
মালিক ও শু‘বাহ্‌ (রাঃ)
একই সানাদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তবে শুবার হাদিসে এর উল্লেখ নেই এবং মালিক (রাঃ)-এর হাদিসে দু’বার উল্লেখ রয়েছে।
৪৭৭
মিসওয়াকের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মুমিনদের জন্যে এবং যুহাইর-এর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, আমার উম্মতের জন্য যদি কষ্টসাধ্য না হতো, তাহলে অবশ্যই তাদেরকে প্রত্যেক সালাতের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।
৪৭৮
মিসওয়াকের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
মিকদাম-এর পিতা শুরায়হ (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘরে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম কোন কাজটি করতেন? তিনি বললেন, সর্বপ্রথম মিসওয়াক করতেন।
৪৭৯
মিসওয়াকের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্(রাঃ)
নবী (ﷺ) (বাইরে থেকে এসে) বাড়িতে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম মিসওয়াক করতেন।
৪৮০
মিসওয়াকের বিবরণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
তিনি বললেন, আমি একবার নবী (ﷺ)-এর কাছে গেলাম, তখন মিসওয়াকের এক অংশ তাঁর জিহ্বার উপর ছিল।