৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৬১
উভয় পা পুরোপুরি ধোয়ার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে তার গোড়ালি ধোয়নি। তখন তিনি বললেন, ধ্বংস ঐ গোড়ালিগুলোর জন্য, যে সব স্থানে পানি পৌঁছেনি; যেগুলোর ঠিকানা জাহান্নাম।
৪৬২
উভয় পা পুরোপুরি ধোয়ার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
তিনি কয়েকজন লোককে দেখলেন, তারা পাত্র থেকে পানি নিয়ে ওজু করছে। তখন তিনি বললেনঃ পরিপূর্ণরূপে ওজু কর। কারণ, আমি আবুল কাসিম (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: ধ্বংস সেই গোড়ালিগুলোর জন্য, যেসব স্থানে পানি পৌঁছেনি; যেগুলোর ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
৪৬৩
উভয় পা পুরোপুরি ধোয়ার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রfসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ধ্বংস ঐ গোড়ালিগুলোর জন্যে, যে সব স্থানে পানি পৌঁছেনি; যেগুলোর ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
৪৬৪
তাহারাতের সকল অঙ্গ পূর্ণভাবে ধোয়ার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
এক ব্যক্তি ওজু করতে তার পায়ের উপর নখ পরিমাণ অংশ ছেড়ে দেয়। তা দেখে নবী (ﷺ) বললেনঃ যাও, আবার ভালোভাবে ওজু করে আসো। লোকটি ফিরে গেল। তারপর (পুনরায়) ওজু করে সালাত আদায় করল।
৪৬৫
ওযূর পানির সঙ্গে গুনাহ ঝরে যাওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রfসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মুসলিম কিংবা মু’মিন বান্দা (রাবীর সন্দেহ) ওজুের সময় যখন মুখমণ্ডল ধুয়ে ফেলে তখন তার চোখ দিয়ে অর্জিত গুনাহ পানির সাথে অথবা (তিনি বলেছেন) পানির শেষ বিন্দুর সাথে বের হয়ে যায় এবং যখন সে দুটি হাত ধৌত করে তখন তার দুই হাতের স্পর্শের মাধ্যমে সব গুনাহ পানির অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝড়ে যায়।অতঃপর যখন সে পা দুটি ধৌত করে, তখন তার দুই পা দিয়ে হাঁটার মাধ্যমে অর্জিত সব গুনাহ পানির সাথে অথবা পানির শেষ বিন্দুর সাথে ঝড়ে যায়, এমনকি সে যাবতীয় গুনাহ থেকে মুক্ত ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়।
৪৬৬
ওযূর পানির সঙ্গে গুনাহ ঝরে যাওয়া পরিচ্ছেদ নাই
উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ওজু করে এবং তা উত্তমরূপে করে, তার দেহ থেকে সমস্ত পাপ ঝরে যায়, এমনকি তার নখের ভিতর থেকেও (গুনাহ) বের হয়ে যায়।
৪৬৭
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
নু‘আয়ম ইবনু ‘আবদুল্লাহ আল মুজমির (রহঃ)
আমি আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে ওজু করতে দেখেছি। তিনি খুব ভালোভাবে মুখমণ্ডল ধুলেন, এরপর ডান হাত ধুলেন এবং বাহুর কিছু অংশ ধুলেন। পরে বাম হাত ও বাহুর কিছু অংশসহ ধুলেন। এরপর মাথা মাসাহ করলেন। অতঃপর ডান পায়ের নলার কিছু অংশসহ ধুলেন, এরপর বাম পায়ের নলার কিছু অংশসহ একইভাবে ধুলেন।অতঃপর বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এভাবে ওজু করতে দেখেছি। তিনি আরও বললেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পূর্ণাঙ্গরূপে ওজু করার কারণে কেয়ামতের দিন তোমাদের মুখমণ্ডল, হাত ও পায়ের ওজুর স্থান জ্যোতির্ময় হবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা সক্ষম তারা যেন নিজ নিজ মুখমণ্ডল, হাত ও পায়ের জ্যোতি বাড়িয়ে নেয়।
৪৬৮
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
নু‘আয়ম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ)
তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে ওজু করতে দেখলেন। ওজু করতে তিনি মুখমণ্ডল ও হাত দুটি এমনভাবে ধুলেন যে, প্রায় কাঁধ পর্যন্ত ধুয়ে ফেললেন। এরপর পা দুটি এমনভাবে ধুলেন যে, পায়ের নলার কিছু অংশ ধুয়ে ফেললেন।এভাবে ওজু করার পর বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমার উম্মাত ওজুর প্রভাবে কেয়ামতের দিন দীপ্তিময় মুখমণ্ডল ও হাত-পা নিয়ে উঠবে। কাজেই তোমরা যারা সক্ষম তারা অধিক বিস্তৃত দীপ্তিসহ উঠতে চেষ্টা কর।
৪৬৯
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, “আমার হাউজে কাউসার হবে আদন (ইয়েমেনের বন্দর নগরী) থেকে আইলা (আরবের উত্তরাঞ্চলীয় শহর)-এর যত দূরত্ব তার থেকেও বেশি দীর্ঘ। আর তা হবে বরফের থেকেও সাদা এবং দুধ মধু থেকে মিষ্টি। আর তার পাত্রের সংখ্যা হবে তারকারাজির চেয়েও অধিক। আমি কিছু সংখ্যক লোককে তা থেকে ফিরিয়ে দিতে থাকব যেমনিভাবে লোকে তার হাউয থেকে অন্যের উট ফিরিয়ে দেয়।”সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন, “ইয়া রসূলুল্লাহ (ﷺ)! সেদিন কি আপনি আমাদেরকে চিনতে পারবেন?”তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তোমাদের এমন চিহ্ন হবে যা অন্য কোন উম্মতের হবে না। ওজুর বিনিময়ে তোমাদের মুখমণ্ডল জ্যোতির্ময় ও হাত-পা দীপ্তিমান অবস্থায় তোমরা আমার কাছে আসবে।
৪৭০
ওযূতে মুখমন্ডলের নূর এবং হাত-পায়ের দীপ্তি বাড়িয়ে নেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের কিছু লোক কেয়ামতের দিন আমার কাছে হাউজে কাউসারে উপস্থিত হবে। আর আমি তাদেরকে তা থেকে এমনভাবে বিতাড়িত করব, যেভাবে কোন ব্যক্তি তার উটের পাল থেকে অন্যের উটকে বিতাড়িত করে থাকে। লোকেরা জিজ্ঞেস করলঃ আল্লাহর নবি! আপনি কি আমাদেরকে চিনতে পারবেন? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ। তোমাদের এমন এক চিহ্ন হবে যা অন্য কারোর হবে না। ওজুর প্রভাবে তোমাদের মুখমণ্ডল ও হাত-পায়ের দীপ্তি ও উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে পড়বে। উজ্জ্বল জ্যোতি বিচ্ছুরিত অবস্থায় তোমরা আমার নিকট আসবে। আর তোমাদের একদল লোককে জোর করে আমার থেকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। তাই তারা আমার কাছে পৌঁছাতে পারবে না। তখন আমি বলব, হে আমার প্রভু! এরা তো আমার লোক। এর জবাবে একজন ফেরেশতা আমাকে বলবে, আপনি জানেন না, আপনার অবর্তমানে (ইন্তেকালের পরে) তারা কি কি নতুন কাজ (বিদআত) করেছে।