৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৫/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৪১
ওযূর শেষে মুস্তাহাব দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
উকবাহ্‌ ইবনু ‘আমির (রাঃ)
আমার ওপর উট চড়ানোর দায়িত্ব ছিল। আমার পালা এলে আমি উট চরিয়ে বিকেলে ফিরিয়ে নিয়ে এলাম। তারপর রসূল (ﷺ)-কে পেলাম, তিনি দাঁড়িয়ে লোকদের সঙ্গে কথা বলছেন। তখন আমি তাঁর এ কথা শুনতে পেলাম, “যে মুসলিম সুন্দরভাবে ওজু করে তারপর দাঁড়িয়ে দেহ ও মনকে আল্লাহর প্রতি নিবদ্ধ রেখে দু রাকাত সালাত আদায় করে সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে। উকবা (রাঃ) বলেন, কথাটি শুনে আমি বলে উঠলামঃ বাহ! হাদিসটি কত চমৎকার!তখন আমার সামনের একজন বলতে লাগলেন, আগের কথাটি আরও উত্তম। আমি সেদিকে তাকিয়ে দেখলাম তিনি উমর (রাঃ)। তিনি আমাকে বললেন, তোমাকে দেখেছি, এই মাত্র এসেছো।রসূল (ﷺ) এর আগে বলেছেন, তোমাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি উত্তম ও পূর্ণরূপে ওজু করে এ দোয়া পড়বে- “আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহু”। তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে যাবে এবং যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।
৪৪২
ওযূর শেষে মুস্তাহাব দু’আ পরিচ্ছেদ নাই
উকবাহ্‌ ইবনু ‘আমির আল জুহানী (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ বর্ণনায় বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওজু করে পাঠ করবে- ‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর বান্দা ও রসূল’।
৪৪৩
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওযু সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আসিম আল আনসারী (রাঃ)
যিনি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহচর্য লাভ করেছিলেন। রাবী বলেন, তাঁকে বলা হলো যে, রসূল (ﷺ)-এর ওযু (কেমন ছিল) আমাদেরকে দেখিয়ে দিন। তখন তিনি পানির পাত্র আনালেন। তারপর তা থেকে দুই হাতের ওপর পানি ঢেলে উভয় হাত তিনবার ধুলেন। তারপর পাত্রে হাত ঢুকিয়ে পানি বের করে এক আজলা পানি দ্বারা কুলি করলেন ও নাকে পানি দিলেন। এরূপ তিনবার করলেন।পুনরায় পানিতে হাত ঢুকিয়ে পানি নিয়ে তিনবার মুখমণ্ডল ধুলেন। আবার হাত ঢুকিয়ে পানি বের করে দুই হাত কনুই পর্যন্ত দুইবার করে ধুলেন। তারপর হাত ঢুকিয়ে পানি বের করে মাথার সামনে ও পিছনে দুই হাত দিয়ে মাসাহ করলেন- তারপর, উভয় পা গিরা পর্যন্ত ধুলেন, এরপর বললেনঃ এরূপ ছিল রসূল (ﷺ)-এর ওযু।
৪৪৪
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওযু সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
কাসিম ইবনু যাকারিইয়্যা, খালিদ ইবনু মাখলাদ, সুলাইমান ইবনু বিলাল, ‘আমর ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রহঃ)
তবে তিনি “উভয় পায়ের গিরা পর্যন্ত” ধুয়েছেন এ কথাটি উল্লেখ করেননি।
৪৪৫
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওযু সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রাঃ)
উক্ত সনদ দ্বারা এভাবেও বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি তিনবার কুলি করলেন এবং নাকে পানি ঢেলে ঝাড়লেন। এক হাতে পানি নিয়ে করেছেন এ কথাটি তিনি বলেননি। অবশ্য এ বাক্যটির পরে নিম্নের বাক্যগুলো বর্ধিত করেছেন: মাথা মাসাহ করার সময় দুইখানা হাত মাথার সম্মুখভাগে রাখলেন এবং পরে তা টেনে মাথার পেছনভাগে নিয়ে গেলেন। অতঃপর আবার পূর্বের জায়গায় অর্থাৎ যেখান থেকে আরম্ভ করেছিলেন সেখানে নিয়ে আসলেন এবং পরে পা দুইটি ধুলেন।
৪৪৬
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওযু সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু ইয়াহ্‌ইয়া (রাঃ)
উহায়ব (রহঃ) বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনু ইয়াহিয়া (রহঃ) থেকে পূর্ব বর্ণিত সানাদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে রাবী বলেন যে, তিনি তিন আঁজলা পানি দ্বারা কুলি করেছেন এবং নাকে পানি দিয়ে নাক ঝেড়েছেন। তিনি আরও বলেছেন যে, তিনি একবার মাত্র মাথা মাসাহ করেছেন, তবে হাতগুলো মাথার সম্মুখের দিক থেকে পেছনে টেনে নিয়েছেন। বাহ্‌জ বলেছেন, উহায়ব এ হাদীসটি আমাকে লিপিবদ্ধ করে দিয়েছেন, আর উহায়ব বলেছেনঃ এ হাদীসটি আমর ইবনু ইয়াহিয়া আমাকে দু’বার লিখিয়েছেন।
৪৪৭
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওযু সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আসিম আল মাযানী
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এভাবে ওজু করতে দেখেছেন যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) কুলি করলেন, নাকে পানি দিয়ে ঝাড়লেন, অতঃপর মুখমণ্ডল তিনবার ধুলেন। ডান হাত এবং বাম হাতও তিনবার ধুলেন। এরপর হাতের অবশিষ্ট পানি ছাড়া নতুন পানি দিয়ে মাথা মাসাহ করলেন। অতঃপর পা দুটো খুব ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করলেন। আবু তাহির বলেনঃ ইবনু ওহ্‌ব, ‘আমর ইবনু হারিস-এর উদ্ধৃতি দিয়ে আমাদের নিকট এ হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।
৪৪৮
নাক ঝাড়া ও ঢিলা ব্যবহারে বেজোড় সংখ্যা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন ঢিলা ব্যবহার করে, তখন যেন বেজোড় সংখ্যায় ব্যবহার করে। আর তোমাদের কেউ যখন ওজু করে তখন যেন নাকের ভেতর পানি প্রবেশ করায় এবং নাক ঝেড়ে সাফ করে।
৪৪৯
নাক ঝাড়া ও ঢিলা ব্যবহারে বেজোড় সংখ্যা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)
এগুলো আবূ হুরাইরা (রাঃ) আমাদের কাছে মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন। এরপর তিনি কয়েকটি হাদিস উল্লেখ করেন। তন্মধ্যে এও ছিল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যখন ওজু করবে তখন উভয় নাকের ছিদ্রে পানি টেনে নিবে, এরপর ঝেড়ে ফেলবে।
৪৫০
নাক ঝাড়া ও ঢিলা ব্যবহারে বেজোড় সংখ্যা প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ওজু করবে, সে যেন নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়ে, আর যে ঢিলা ব্যবহার করবে, সে যেন বেজোড় সংখ্যক ব্যবহার করে।