৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৩১
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু সা’ঈদ ইবনুল ‘আস (রাযিঃ)
আমি উসমান (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় তিনি পানি আনার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কোন মুসলিমের যখন কোন ফরজ সালাতের ওয়াক্ত হয় আর সে উত্তমরূপে সালাতের ওজু করে, সালাতের নিয়ম ও রুকুকে উত্তমরূপে আদায় করে, তাহলে যতক্ষণ না সে কোন কবিরা গুনাহে লিপ্ত হবে, তার এ সালাত তার পিছনের সকল গুনাহের জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। আর এ অবস্থা সর্বযুগেই বিদ্যমান।
৪৩২
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হুমরান ‘উসমানের আযাদকৃত দাস
আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর জন্য ওজুর পানি আনলাম। অতঃপর তিনি ওজু করে বললেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অনেক হাদিস বর্ণনা করে থাকে। আমি ঐ হাদিসগুলোর ব্যাপারে অবগত নই। তবে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার এ ওজুর মত ওজু করতে দেখেছি। তারপর বলেছেন, যে ব্যক্তি এভাবে ওজু করবে তার পিছনের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। আর তার সালাত আদায় ও মসজিদের দিকে যাওয়া অতিরিক্ত সওয়াব বলে গণ্য হবে। ইবন আবদাহ-এর বর্ণনায় بِوَضُوءٍ কথাটি বাদ দিয়ে কেবল أَتَيْتُ عُثْمَانَ فَتَوَضَّأَ বলা হয়েছে।
৪৩৩
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাযিঃ)
একদিন উসমান (রাঃ) একটি উঁচু স্থানে বসে ওজু করে বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওজু কিরূপ ছিল তা দেখাব না? এরপর তিনি প্রতিটি অঙ্গ তিনবার করে ধুলেন।কুতাইবাহ (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে এতটুকু কথা অতিরিক্ত বলেছেন যে, এ সময় তাঁর (উসমান)-এর কাছে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অনেক সাহাবা উপস্থিত ছিলেন (অর্থাৎ কেউ তাঁর বিরোধিতা করেননি)।
৪৩৪
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হুমরান ইবনু আবান (রহঃ)
আমি উসমান (রাঃ)-এর জন্য ওজুর পানির ব্যবস্থা করতাম। এমন একটি দিনও অতিবাহিত হতো না যেদিন সামান্য পরিমাণ পানি হলেও তা দিয়ে গোসল করতেন না। উসমান (রাঃ) বলেছেন, একদিন আমরা যখন এ (ওয়াক্তের) সালাত শেষ করলাম তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে বললেন। মিসআর বলেনঃ আমার মনে হয় তা ছিল আসরের সালাত। তিনি বললেনঃ আমি স্থির করতে পারছি না যে, তোমাদের একটি বিষয়ে কিছু বর্ণনা করব না নীরব থাকব।তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদি তা কল্যাণকর হয় তাহলে আমাদের বলুন। আর যদি অন্য কিছু হয়, তাহলে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ কোনো মুসলিম যখন পবিত্রতা অর্জন করে এবং আল্লাহ তার উপর যে পবিত্রতা অপরিহার্য করেছেন তা পূর্ণাঙ্গরূপে আদায় করে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে, তাহলে এসব সালাত মধ্যবর্তী সময়ের সব গুনাহর কাফফারা হয়ে যায়।
৪৩৫
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযিঃ)
উসমান (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ যেভাবে আদেশ করেছেন সেভাবে ওযুকে পূর্ণ করে, তার পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ সালাত আদায় করলে উক্ত সালাতসমূহ মধ্যবর্তী সময়ের (গুনাহের) কাফ্‌ফারা হয়ে যায়। ইবনু মুআযের হাদীসে এভাবেই বলা হয়েছে। কিন্তু গুনদার বর্ণিত হাদীসে বিশরের নেতৃত্বের কথা কিংবা ফরজ সালাতের কথা উল্লেখ নেই।
৪৩৬
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উসমান (রাযিঃ)
একদিন উসমান ইবন আফফান (রাঃ) খুব উত্তমরূপে ওজু করে বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে ওজু করতে দেখেছি যে, তিনি অতি যত্ন করে ওজু করলেন। অতঃপর তিনি (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি অনুরূপ ওজু করে সালাতের জন্য মসজিদের দিকে যায় এবং তাঁর মসজিদে যাওয়া যদি সালাত ব্যতীত অন্য কোন কারণে না হয় তবে তার অতীত জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
৪৩৭
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাত আদায়ের জন্য পরিপূর্ণভাবে ওজু করে ফরজ সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে (মসজিদে) যায় এবং লোকদের সাথে, অথবা তিনি বলেছেনঃ জামাআতের সাথে, অথবা বলেছেন, মসজিদের মধ্যে সালাত আদায় করে, আল্লাহ তার গুনাহসমূহকে মাফ করে দিবেন।
৪৩৮
পাঁচ সালাত, এক জুমু’আহ্ থেকে আরেক জুমু’আহ্ পর্যন্ত ; এক রমাযান থেকে অপর রমাযান পর্যন্ত তাদের মধ্যবর্তী সময়ের জন্যে কাফফারাহ্ হয়ে যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত কাবীরাহ গুনাহ থেকে বিরত থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং এক জুমু'আ থেকে অন্য জুমু'আ এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের সব গুনাহের জন্য কাফ্ফারা হয়ে যায় যদি সে কবীরাহ গুনাহতে লিপ্ত না হয়।
৪৩৯
পাঁচ সালাত, এক জুমু’আহ্ থেকে আরেক জুমু’আহ্ পর্যন্ত ; এক রমাযান থেকে অপর রমাযান পর্যন্ত তাদের মধ্যবর্তী সময়ের জন্যে কাফফারাহ্ হয়ে যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত কাবীরাহ গুনাহ থেকে বিরত থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং এক জুমু‘আ থেকে আরেক জুমু‘আ উভয়ের মধ্যবর্তী সময়ের জন্য কাফ্‌ফারা স্বরূপ।
৪৪০
পাঁচ সালাত, এক জুমু’আহ্ থেকে আরেক জুমু’আহ্ পর্যন্ত ; এক রমাযান থেকে অপর রমাযান পর্যন্ত তাদের মধ্যবর্তী সময়ের জন্যে কাফফারাহ্ হয়ে যাবে, যতক্ষণ পর্যন্ত কাবীরাহ গুনাহ থেকে বিরত থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, এক জুমু'আ থেকে আরেক জুমু'আ এবং এক রমজান থেকে আরেক রমজান, তার মধ্যবর্তী সময়ের জন্য কাফ্‌ফারা হয়ে যাবে যদি কবীরা গুনাহ হতে বেঁচে থাকে।