৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪২১
জান্নাতীদের অর্ধাংশ এ উম্মাতের (মুহাম্মাদীর) অন্তর্ভুক্ত পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রাঃ)
উক্ত সানাদে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ে বর্ণনা করেন, “তোমরা সকল মানুষের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের মতো হবে অথবা সাদা ষাঁড়ের গায়ে কালো পশমের মতো হবে।” তাঁরা “গাধার পায়ের চিহ্নের মতো” এ কথা উল্লেখ করেননি।
৪২২
ওযূর ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মালিক আল আশ’আরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: পবিত্রতা হল ঈমানের অর্ধেক অংশ। ‘আলহামদুলিল্লাহ’ মীজানের পরিমাপকে পরিপূর্ণ করে দিবে এবং “সুবহানাল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ” আসমান ও জমীনের মধ্যবর্তী স্থানকে পরিপূর্ণ করে দিবে। ‘সালাত’ হচ্ছে একটি উজ্জ্বল জ্যোতি। ‘সাদাকা’ হচ্ছে দলিল। ‘ধৈর্য’ হচ্ছে জ্যোতির্ময়। আর ‘আল কুরআন’ হবে তোমার পক্ষে অথবা বিপক্ষে প্রমাণস্বরূপ। বস্তুতঃ সকল মানুষই প্রত্যেক ভোরে নিজেকে আমলের বিনিময়ে বিক্রি করে। তার আমল দ্বারা সে নিজেকে (আল্লাহর আজাব থেকে) মুক্ত করে অথবা সে তার নিজের ধ্বংস সাধন করে।
৪২৩
সালাত আদায়ের জন্যে পবিত্রতার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
মুস’আব ইবনু সা’দ (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) অসুস্থ ইবন আমিরকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন ইবন আমির তাঁকে বললেন, হে ইবন উমর! আপনি কি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন না? ইবন উমর বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তাহারাত ব্যতিরেকে সালাত কবুল হয় না এবং খিয়ানতের সম্পদ থেকে সদকা‌ও কবুল হয় না। আর তুমি তো ছিলে বাসরার শাসনকর্তা।
৪২৪
সালাত আদায়ের জন্যে পবিত্রতার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ (রহঃ)
অন্য সূত্রে আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রাঃ) .... ইসরাঈল (রহঃ) থেকে, সকলেই সিমাক ইবনু হারব (রহঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪২৫
সলাত আদায়ের জন্যে পবিত্রতার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্(রাঃ)
তিনি আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ (ﷺ) থেকে কতগুলো হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্য থেকে একটি হাদিস তিনি এভাবে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কারো ওজু নষ্ট হলে পুনরায় ওজু না করা পর্যন্ত তার সালাত কবুল হয় না।
৪২৬
ওযূ করার নিয়ম ও ওযূর পূর্ণতা পরিচ্ছেদ নাই
উসমান ইবনু ‘আফফান (রাঃ)
তিনি ওযুর পানি চাইলেন। এরপর তিনি ওযু করতে আরম্ভ করলেন। (বর্ণনাকারী বলেন), তিনি [উসমান (রাঃ)] তিন বার তাঁর হাতের কব্জি পর্যন্ত ধুয়েছেন, এরপর কুলি করলেন এবং নাক ঝাড়লেন। এরপর তিন বার তাঁর মুখমণ্ডল ধুলেন এবং ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিন বার ধুলেন। অতঃপর বাম হাত অনুরূপভাবে ধুলেন। অতঃপর তিনি মাথা মাসাহ করলেন। এরপর তাঁর ডান পা টাখনু পর্যন্ত তিন বার ধুলেন – অতঃপর তদ্রূপভাবে বাম পা ধুলেন তারপর বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার এ ওযুর করার ন্যায় ওযু করতে দেখেছি এবং ওযু শেষে রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার এ ওযুর ন্যায় ওযু করবে এবং একান্ত মনোযোগের সাথে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে, সে ব্যক্তির পেছনের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।ইবন শিহাব বলেন, আমাদের আলিমগণ বলতেন যে, সালাতের জন্য কারোর এ নিয়মের ওযুই হল পরিপূর্ণ ওযু।
৪২৭
সালাত আদায়ের জন্যে পবিত্রতার আবশ্যকতা পরিচ্ছেদ নাই
উসমান এর আযাদকৃত গোলাম হুমরান (রাযিঃ)
তিনি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ)-কে দেখেছেন তিনি ওযুর জন্য একটি পাত্র পানি আনিয়ে দুই হাতের উপর ঢেলে তিনবার ধুলেন। তারপর ডানহাত পানির পাত্রে প্রবেশ করিয়ে কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন, এরপর তিনবার মুখমণ্ডল এবং তিনবার দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধুয়েছিলেন। তারপর মাথা মাসাহ করলেন। অতঃপর উভয় পা (গোড়ালি পর্যন্ত) তিনবার ধুয়ে বললেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার এ ওযুর ন্যায় ওযু করার পর এমনভাবে দুই রাকাত সালাত আদায় করবে যাতে তার অন্তরে কোন কল্পনার উদয় হয়নি; তবে তার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।
৪২৮
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
উসমান ইবনু আফফান (রাযিঃ)
আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি মসজিদের বারান্দায় ছিলেন। এমন সময় আসর সালাতের জন্য মুয়ায্জিন তাঁর নিকট আসলে তিনি ওজুর পানি চাইলেন এবং ওজু করে বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই তোমাদেরকে একটি হাদীস শুনাব, যদি আল্লাহর কিতাবে একটি আয়াত না থাকতো তাহলে আমি তোমাদেরকে হাদীসটি শুনাতাম না।(অতঃপর তিনি বললেন) আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করে সালাত আদায় করবে তার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
৪২৯
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কুরায়ব, আবূ উসামাহ হতে, অন্য সূত্রে যুহায়র ইবনু হারব ও আবূ কুরায়ব ওয়াকী’ (রহঃ)
উপরোক্ত সূত্রেও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে আবূ উসামার সূত্রে অতিরিক্ত বলা হয়েছে যে, ‘অতঃপর তার ওজুকে সুন্দরভাবে করে তারপর ফরজ সালাত আদায় করে।’
৪৩০
ওযূ এবং ওযূর পরপরই সালাত আদায়ের ফযিলত পরিচ্ছেদ নাই
হুমরান (রহঃ)
উসমান (রাঃ) ওজু শেষে বললেন যে, আল্লাহর কসম, আমি তোমাদেরকে একটি হাদিস শুনাব। আল্লাহর কসম, যদি আল্লাহর কিতাবের মধ্যে একটি আয়াত না থাকত তাহলে আমি তোমাদেরকে কখনই হাদিসটি শুনাতাম না। আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কোন ব্যক্তি যখন ওজু করে এবং উত্তমরূপে ওজু করে (অর্থাৎ ভালভাবে ওজুর স্থানগুলি ভিজায়) তারপর সালাত আদায় করে তখন তার এ সালাত ও পিছনের সালাতের মধ্যবর্তী সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।উরওয়াহ বলেন, আয়াতটি হলঃ “আমি যেসকল স্পষ্ট নিদর্শন ও পথনির্দেশ অবতীর্ণ করেছি মানুষের জন্য কিতাবে তা সুস্পষ্টভাবে বলে দেয়ার পরেও যারা তা গোপন রাখে, আল্লাহ তাদেরকে লা’নত দেন এবং অভিশাপকারীরাও তাদেরকে অভিশাপ দেয়” –(সূরা আল-বাকারা ২:১৫৯)।