৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪০১
আবূ তালিব-এর জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শাফা‘আত এবং সে কারণে তার ‘আযাব কম হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে তাঁর চাচা আবু তালিব-এর কথা আলোচিত হলে তিনি বলেন, হয়তো কেয়ামত দিবসে তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কাজে আসবে বলে আশা করি। তাকে জাহান্নামের উপরিভাগে এমনভাবে রাখা হবে যে, আগুন তার পায়ের গিরা পর্যন্ত পৌঁছবে; এতেই তার মগজ উথলাতে থাকবে।
৪০২
জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জাহান্নামের সবচেয়ে কম আযাব সে ব্যক্তির হবে, যাকে আগুনের দুইটি জুতা পরানো হবে, ফলে এই দুইটির উত্তাপের কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে।
৪০৩
জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, (চির) জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে আবু তালিব-এর। তাকে দুইটি (আগুনের) জুতা পরিয়ে দেওয়া হবে, ফলে এই দুইটির কারণে তার মগজ পর্যন্ত উথলাতে থাকবে।
৪০৪
জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
তিনি বক্তৃতায় বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কেয়ামত দিবসে জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির যার দু’ পায়ের তলায় দু’টি জ্বলন্ত কয়লা রাখা হবে, যার কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে।
৪০৫
জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হওয়া পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব ঐ ব্যক্তির হবে, যার দুইটি জুতার ফিতা হবে আগুনের। ফলে তার দহনে (চুলা উপরে রাখা) পাতিলের ন্যায় তার মগজ উথলাতে থাকবে। আর তার অনুভব হবে যে, সে বুঝি সর্বাপেক্ষা বেশি শাস্তি ভোগ করছে অথচ এটি হচ্ছে সবচেয়ে হালকা আযাব।
৪০৬
যে ব্যক্তি কুফ্‌রী অবস্থায় মারা যায় তার কোন ‘আমাল তার উপকারে আসবে না পরিচ্ছেদ নাই
‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! ইবনু জুদআন জাহেলি যুগে আত্মীয়-স্বজনের হক আদায় করত এবং দরিদ্রদের আহার দিত। (আখিরাতে) এসব কর্ম তার উপকারে আসবে কি? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, কোন উপকারে আসবে না। সে তো কোন দিন এ কথা বলেনি যে, হে আমার রব! কেয়ামতের দিন আমার অপরাধ ক্ষমা করে দিও।
৪০৭
মু’মিনদের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করা ও অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা ও তাদেরকে এড়িয়ে চলা পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু ‘আস (রাঃ)
আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে চুপে চুপে নয় স্পষ্ট বলতে শুনেছি যে, জেনে রেখ! অমুক বংশ (আত্মীয়তার কারণে) আমার বন্ধু নয়, বরং আল্লাহ এবং নেককার মুমিনগণই হলেন আমার বন্ধু।
৪০৮
হিসাব ও শাস্তি ছাড়াই মুসলিমদের একাধিক দল জান্নাতে প্রবেশ করার প্রমাণ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। জনৈক সাহাবা (উক্কাশা রাঃ) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, আমাকে যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) দোয়া করলেন, ইয়া আল্লাহ! ওকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন।তারপর আরেকজন সাহাবা দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, আমাকেও যেন তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ সুযোগ লাভে উক্কাশা তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে।
৪০৯
মু’মিনদের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করা ও অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা ও তাদেরকে এড়িয়ে চলা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি ...... পরবর্তী অংশ উপরোল্লিখিত হাদিসের অনুরূপ।
৪১০
মু’মিনদের সঙ্গে বন্ধুত্ব রক্ষা করা ও অন্যদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা ও তাদেরকে এড়িয়ে চলা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মতের একটি দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা হবে সত্তর হাজার। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় চমকাতে থাকবে।আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, তখন উক্কাশা ইবনু মিহসান আসাদী দাঁড়ালেন। তাঁর গায়ে একটি চাদর ছিল। বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন।এরপর আরেকজন আনসারী দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এ সুযোগ লাভে উক্কাশা তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে।