৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৮১
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নবীকে তাঁর উম্মতের ব্যাপারে একটি এমন দোয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে যা অবশ্যই কবুল করা হবে। তা তাঁরা নিজের উম্মতের জন্য করে ফেলেছেন। আমি ইনশাআল্লাহ সংকল্প করেছি, আমার দোয়াটি পরে কেয়ামতের দিবসে আমার উম্মতের শাফা’আতের জন্য করব।
৩৮২
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন : প্রত্যেক নবীর কাছে তাঁর উম্মতের ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য একটি দোয়ার অনুমতি আছে। প্রত্যেকে আপন উম্মতের কল্যাণের জন্য তা করেছেন। আর আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফা‘আতের জন্য অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি।
৩৮৩
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র ইবনু হার্‌ব, ইবনু আবূ খালাফ, কাতাদাহ্‌ (রহঃ)
এ সানাদের উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩৮৪
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ্‌ (রাঃ)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী‘র বর্ণনায় আছে আনসার (রাঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াকী‘র বর্ণনায় আছে আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক নবীকে একটি করে দোয়া প্রদান করা হয়েছে।
৩৮৫
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
কাতাদা-র হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৩৮৬
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দোয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সবাই তাঁদের দোয়া আপন উম্মতের কল্যাণের জন্য করে ফেলেছেন, তবে আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফা’আতের জন্য গোপনে অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি।
৩৮৭
উম্মাতের জন্য নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’আ ও তাদের প্রতি মায়া-মমতায় তাঁর ক্রন্দন পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরআনে ইব্রাহিম (আঃ)-এর দোয়া সম্বলিত আয়াতঃ “হে আমার প্রতিপালক! এ সকল প্রতিমা বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হবে তুমি তো ক্ষমাশীল পরম দয়ালু”- (সূরা ইবরাহিম ১৪ : ৩৬) তিলাওয়াত করেন। আর ঈসা (আঃ) বলেছেনঃ “তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর, তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়”- (সূরা আল মায়েদা ৫ : ১১৮)।তারপর তিনি তাঁর উভয় হাত উঠালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আমার উম্মত, আমার উম্মত! আর কেঁদে ফেললেন। তখন মহান আল্লাহ বললেন, হে জিবরীল! মুহাম্মাদের নিকট যাও, তোমার রব তো সবই জানেন-তাঁকে জিজ্ঞাসা কর, তিনি কাঁদছেন কেন? জিবরীল (আঃ) এসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা বলেছিলেন, তা তাঁকে অবহিত করলেন। আর আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ।তখন আল্লাহ তা’আলা বললেন, হে জিবরীল! তুমি মুহাম্মাদের কাছে যাও এবং তাঁকে বল, “নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) আপনার উম্মতের ব্যাপারে আপনাকে সন্তুষ্ট করে দিব, আপনাকে অসন্তুষ্ট করব না”।
৩৮৮
কাফির অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী জাহান্নামী, সে কোন শাফা’আত পাবে না এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভকারী বান্দার সাথে আত্মীয়তাঁর সম্পর্কও তার উপকারে আসবে না। পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
জনৈক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করল, “হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা কোথায় আছেন (জান্নাতে না জাহান্নামে)?” রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “জাহান্নামে।” বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি যখন চলে যেতে লাগল, তিনি ডাকলেন এবং বললেন, “আমার পিতা এবং তোমার পিতা জাহান্নামে।”
৩৮৯
মহান আল্লাহর বাণীঃ “ তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দাও” (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”। (সূরা আশ শু’আরা ২৬ : ২১৪)। যখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরাইশদের ডাকলেন। তারা একত্রিত হলো।তারপর তিনি তাদের সাধারণ ও বিশেষ সকলকে সম্বোধন করে বললেন, “হে কা‘ব ইবনু লুওয়াইয়ের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। হে মুররাহ ইবনু কা‘বের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। হে আবদ শামসের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। হে আবদ মানাফের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। হে হাশিমের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। হে ফাতিমা! জাহান্নাম থেকে তুমি নিজেকে বাঁচাও। কারণ, আল্লাহর (আযাব) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে আমার কোন ক্ষমতা নেই। অবশ্য আমি তোমাদের সঙ্গে আমার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করব।”
৩৯০
মহান আল্লাহর বাণীঃ “ তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দাও” (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪) পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল মালিক ইবনু ‘উমার (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তবে জারীর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ ও পরিপূর্ণ।