৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৭১
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ জান্নাতে প্রবেশের জন্য শাফা’আত করবে সকল মানুষের মধ্যে আমিই প্রথম এবং নাবীগণের মধ্যে আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, আমি প্রথম ব্যক্তি যে লোকদের জান্নাতে প্রবেশ সম্পর্কে আল্লাহর নিকট শাফা’আত করব। আমার অনুসারীর সংখ্যা সমস্ত নবীদের অনুসারীদের চেয়ে বেশি।
৩৭২
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ জান্নাতে প্রবেশের জন্য শাফা’আত করবে সকল মানুষের মধ্যে আমিই প্রথম এবং নাবীগণের মধ্যে আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, কেয়ামত দিবসে আমার অনুসারীর সংখ্যা হবে সমস্ত নাবীগণের চেয়ে সর্বাধিক এবং আমিই সবার আগে জান্নাতের কড়া নাড়ব।
৩৭৩
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ জান্নাতে প্রবেশের জন্য শাফা’আত করবে সকল মানুষের মধ্যে আমিই প্রথম এবং নাবীগণের মধ্যে আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, জান্নাতে লোকদের প্রবেশ সম্পর্কে আমিই হবো সর্বপ্রথম সুপারিশকারী এবং এত অধিক সংখ্যক মানুষ আমার প্রতি ঈমান এনেছে যা অন্য কোন নবীর বেলায় হবে না। নবীদের কেউ কেউ তো এমতাবস্থায়ও আসবেন যাঁর প্রতি মাত্র এক ব্যক্তিই ঈমান এনেছে।
৩৭৪
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বাণীঃ জান্নাতে প্রবেশের জন্য শাফা’আত করবে সকল মানুষের মধ্যে আমিই প্রথম এবং নাবীগণের মধ্যে আমার অনুসারী সর্বাধিক হবে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, কেয়ামত দিবসে আমি জান্নাতের তোরণে এসে দরজা খোলার অনুমতি চাইবো। তখন দ্বাররক্ষী বলবেন, আপনি কে? আমি উত্তর করবো, মুহাম্মাদ। দ্বাররক্ষী বলবেন, “আপনার জন্যই আমি আদিষ্ট হয়েছি, আপনার পূর্বে অন্য কারোর জন্য দরজা খুলিনি।”
৩৭৫
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, প্রত্যেক নবীর জন্যই বিশেষ একটি দোয়া নির্ধারিত আছে যা তিনি করবেন (যা তাঁদের উম্মতের জন্য গ্রহণ করা হবে। কিন্তু তিনি সে দোয়া দুনিয়াতেই করে ফেলেছেন।) আমি আমার বিশেষ দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফা’আতের জন্য গোপনে (সংরক্ষিত) রাখার সংকল্প নিয়েছি।
৩৭৬
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন: প্রত্যেক নবীর জন্য একটি বিশেষ দোয়া আছে। (কিন্তু তাঁরা সে দোয়ার প্রয়োগ দুনিয়াতেই করে ফেলেছেন।) আমার বিশেষ দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফা’আতের জন্য গোপনে সংরক্ষিত রাখব বলে ইচ্ছা করেছি ইনশা-আল্লাহ।
৩৭৭
কিতাবুল ঈমান পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু আবূ সূফ্‌ইয়ান ইবনু আসীদ ইবনু জারিয়াহ আস্‌ সাকাফী (রহঃ)
পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৩৭৮
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
তিনি একদিন কা’ব আল আহবারকে বললেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যেক নবীর জন্য একটি বিশেষ দোয়া আছে (তাঁর উম্মতের জন্য)। কিন্তু তাঁরা দুনিয়াতেই তা করে ফেলেছেন। আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফা’আতের জন্য গোপন করে রাখতে ইচ্ছে করেছি। কা’ব (রাঃ) আবু হুরায়রাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি এ হাদীস রসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে সরাসরি শুনেছেন? আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেনঃ হ্যাঁ।
৩৭৯
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক নবীর জন্য একটি বিশেষ দোয়া আছে যা কবুল হবে। তন্মধ্যে সকলেই তাদের দোয়া পৃথিবীতেই করে নিয়েছে। আর আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মতের জন্য গোপন রেখে দিয়েছি। আমার উম্মতের যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছে অথচ কোন প্রকার শরীক করেনি, সে ইনশাআল্লাহ আমার এ দোয়া পাবে।
৩৮০
মহানাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উম্মাহ্‌র শাফা’আতের জন্য তাঁর বিশেষ দু’আ গোপন (সংরক্ষণ) রেখেছেন পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নবীকে একটি বিশেষ দোয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে; এর মাধ্যমে তিনি যে দোয়া করবেন, আল্লাহ তা অবশ্যই কবূল করবেন। সকল নবী তাঁদের দোয়া করে ফেলেছেন এবং তা কবূলও করা হয়েছে। আর আমি আমার দোয়াটি কেয়ামত দিবসে আমার উম্মাতের শাফা’আতের জন্য গোপনে রেখে দিয়েছি।