৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৯৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৯৩১
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আমরা মাইমূনা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলাম। তখন নবী (ﷺ)-এর সামনে দুইটি ভুনা গুইসাপ পেশ করা হলো। বাকি অংশ উক্ত হাদিসসমূহের অনুরূপ। তবে বর্ণনাকারী (মা‘মার) “মাইমূনা (রাঃ) থেকে ইয়াজিদ ইবন আসাম (রহঃ)-এর সূত্র” কথাটি উল্লেখ করেননি।
৪৯৩২
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাইমূনা (রাঃ)-এর ঘরে থাকা অবস্থায় তাঁর নিকটে গুইসাপের গোশত পরিবেশন করা হয়। তখন খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ) তাঁর সাথেই ছিলেন। ইবন মুনকাদির বাকী অংশ যুহরী (রহঃ)-এর সমার্থক হাদিস বর্ণনা করেন।
৪৯৩৩
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আমার খালা উম্মু হুফাইদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কিছু ঘি, পনির এবং কয়েকটি গুইসাপ হাদিয়া স্বরূপ পাঠালেন। তিনি ঘি ও পনির থেকে কিছু খেলেন এবং গুইসাপ নোংরা হওয়ার দরুন খাওয়া বর্জন করলেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হয়। তা হারাম হলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দস্তরখানে তা খাওয়া হতো না।
৪৯৩৪
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াযীদ ইবনু আসাম (রহঃ)
মদিনার এক নববিবাহিত ব্যক্তি আমাদেরকে দাওয়াত করলো এবং আমাদের সামনে তেরটি গুইসাপ পরিবেশন করা হলো। কিছু লোক তা খেল আর কিছু লোক তা বর্জন করলো। পরদিন আমি ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি তাঁকে জানালাম। তখন তাঁর পাশের লোকজন নানা উক্তি করতে লাগলো, এমনকি তাদের একজন বললোঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি এটি খাইও না, নিষেধও করি না এবং হারামও বলি না।ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, তোমরা যা বলছ তা সঠিক নয়। নবী (ﷺ)-কে হালাল ও হারাম নির্ণয় করার জন্যই পাঠানো হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা মাইমূনা (রাঃ)-এর ঘরে ছিলেন। তাঁর সাথে ফাজ্‌ল ইবন আব্বাস, খালিদ ইবন ওয়ালিদ ও অন্য এক মহিলা উপস্থিত ছিলেন। তখন তাঁদের কাছে একটি পাত্র পেশ করা হলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন খাওয়ার ইচ্ছা করলেন তখন মাইমূনা (রাঃ) তাঁকে বললেন, এটা গুইসাপের গোশত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর হাত গুটিয়ে নিয়ে বললেন, এ গোশত আমি কখনো খাইনি। তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা খেতে পারো। ফাজ্‌ল, খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ) এবং ঐ মহিলা তা থেকে খেলেন। মাইমূনা (রাঃ) বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা খান, তাছাড়া অন্য কিছু আমি খাব না।
৪৯৩৫
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গুইসাপ আনা হলে তিনি তা খেতে অস্বীকার করে বললেন, “জানি না হয়তো এটা ঐসব উম্মত থেকে হতে পারে, যাদের বিকৃত করা হয়েছিল।”
৪৯৩৬
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র (রহঃ)
আমি জাবির (রাঃ)-কে গুইসাপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটি তোমরা খেয়ো না। তিনি তা নোংরা হিসেবে অবহিত করলেন। তিনি আরও বলেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন, নবী (ﷺ) এটিকে হারাম করেননি। মহান আল্লাহ এর দ্বারা অনেক লোককে উপকৃত করেছেন। কেননা, জনসাধারণের খাদ্য এ থেকে আসে। আমার নিকট থাকলে আমিও তা খেতাম।
৪৯৩৭
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ (রাঃ)
এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা এমন এলাকায় থাকি, যেখানে গুইসাপ পাওয়া যায়। সুতরাং এ ব্যাপারে আপনি আমাদের কী আদেশ করেন? অথবা বললেন, আপনি এ ব্যাপারে আমাদের কী ফাতওয়া দেন? তিনি বললেন: “আমাকে জানানো হয়েছে যে, বনি ইসরাঈলের একটি সম্প্রদায়কে বিকৃত করে দেয়া হয়েছিল।” এরপর তিনি আদেশও করেননি, নিষেধও করেননি।আবু সাঈদ (রাঃ) বলেন, পরবর্তী সময়ে উমর (রাঃ) বলেন, “আল্লাহ তা‘আলা এর দ্বারা অনেক লোককে উপকৃত করবেন। কারণ এটা এ উম্মতের অধিকাংশের খাবার। আমার নিকট থাকলে আমি অবশ্যই তা খেতাম। তবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটি কেবল অপছন্দ করেছেন।”
৪৯৩৮
গুই সাপের গোশ্‌ত হালাল পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ (রাঃ)
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এক বেদুঈন এসে বলল, আমি এমন নিম্নাঞ্চলে বাস করি যেখানে প্রচুর গুইসাপ পাওয়া যায়। এটা আমার পরিবারের সাধারণ খাদ্য। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কোন জবাব দিলেন না। আমরা তাঁকে বললাম, আবার জিজ্ঞেস করো। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলে তিনি এবারও কোন জবাব দিলেন না।অতঃপর তৃতীয়বারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ডেকে বললেনঃ “হে বেদুঈন! মহান আল্লাহ বনি ইসরাইলের একটি সম্প্রদায়ের প্রতি অভিসম্পাত করেন, অথবা ক্রোধান্বিত হয়ে তাদের আকৃতি বিকৃত করে স্থলচর প্রাণীতে রূপান্তরিত করে দেন। আমি অবহিত নই যে, এটা তাদেরই অন্তর্ভুক্ত কিনা। সুতরাং আমি তা খাইও না এবং এ থেকে নিষেধও করি না।”
৪৯৩৯
টিড্‌ডি খাওয়ার বৈধতা পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে সাতটি যুদ্ধে যোগদান করেছি, তখন আমরা টিড্ডি খেয়েছি।
৪৯৪০
টিড্‌ডি খাওয়ার বৈধতা পরিচ্ছেদ নাই
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ইসহাক্ ইবনু ইব্রাহীম ও ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ) সকলেই ইবনু ‘উয়ায়নাহ্ (রহঃ)
আবূ ইয়াফূর (রহঃ) হতে উল্লিখিত সানাদে হাদিসটি রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ বকর (রহঃ) তাঁর বর্ণনায় সাতটি যুদ্ধের কথা উল্লেখ করেছেন। ইসহাক (রহঃ) বলেছেন, ছয়টি এবং ইবনু আবূ উমর (রহঃ) বলেছেন, ছয়টি কিংবা সাতটি।