৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৭৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৭৬১
আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: এমন কেউ নেই যে মৃত্যুবরণ করেছে, আল্লাহর কাছে তার সাওয়াব রয়েছে আর সে দুনিয়ায় ফিরে আসতে প্রসন্ন বোধ করে যদিও বা গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যকার সব কিছু তারই হয় তবুও। শহীদ ছাড়া; সে কামনা করবে ফিরে আসতে যেন আবার দুনিয়ায় শহীদ হতে পারে। তা এজন্যে যে, সে শাহাদাতের ফজিলত প্রত্যক্ষ করেছে।
৪৭৬২
আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
এমন কেউ নেই যে জান্নাতে প্রবেশ করবে অথচ দুনিয়ায় ফিরে আসাটা পছন্দ করবে, যদিও গোটা দুনিয়ার সবকিছু তারই হয়, কেবল শহীদ ছাড়া; কেননা সে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা করে যেন আরও দশবার শহীদ হয়, তা এজন্যে যে, সে মর্যাদা প্রত্যক্ষ করেছে।
৪৭৬৩
আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
একদা নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আল্লাহর পথে জিহাদের তুল্য আর কী আছে? তিনি বললেন, “তোমরা তা করতে পারবে না।”রাবী বলেন, প্রশ্নকারীরা কথাটা দুইবার বা তিনবার করে ফিরিয়ে বললেন। প্রত্যেকবারই তিনি বললেন, “তোমরা তা পারবে না।” তৃতীয়বার তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে এমন ব্যক্তির মতো, যে সর্বদা সাওম পালনকারী, সালাতে দণ্ডায়মান, আল্লাহর আয়াতের প্রতি পূর্ণ অনুগত, সাওমে বা কিয়ামে যে ক্লান্তিবোধ করে না, যতক্ষণ না আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদ প্রত্যাবর্তন করে।”
৪৭৬৪
আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
সুহায়ল (রাঃ)
এ সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪৭৬৫
আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মিম্বারের নিকটেই ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলো- ইসলাম গ্রহণের পর যদি আমি আর কোন সৎ কাজই না করি তাতে আমার কোন পরোয়া নেই; তবে আমি হাজীদেরকে পানি পান করাব। অপর একজন বলে উঠলো, মুসলিম হওয়ার পর যদি আমি আর কোন সৎ কাজই না করি তাতে আমার কোন পরোয়া নেই, তবে আমি মসজিদুল হারামের মেরামত প্রভৃতি করে যাব।অপর একজন বলে উঠল, আল্লাহর পথে লড়াই তোমরা যা যা বলেছো তার চাইতে উত্তম। তখন উমর (রাঃ) তাদেরকে ধমক দিয়ে বলে উঠলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মিম্বারের নিকটে তোমরা চিৎকার করো না। সেটা ছিল জুমা’র দিন। বরং যখন জুমা’র সালাত হয়ে যাবে, তখন আমি তাঁর নিকটে গিয়ে তোমরা যে ব্যাপারে বিতর্ক করছো তা জিজ্ঞেস করে নেব, তখন আল্লাহ তা’আলা (সে প্রেক্ষিতে) নাজিল করলেনঃ “যারা হাজীদের পানি সরবরাহ করে এবং মসজিদুল হারামের রক্ষণাবেক্ষণ করে তোমরা কি তাদেরকে ওদের সমান করো, যারা আল্লাহ ও পরকালে ঈমান আনে ......”- (সূরা আত-তাওবা ৯ : ১৯)।
৪৭৬৬
আল্লাহর পথে শাহাদাতের মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
“আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মিম্বারের কাছে ছিলাম।” বাকী হাদীস আবূ তাওবাহর হাদীসের অনুরূপ।
৪৭৬৭
আল্লাহর রাহে সকাল-সন্ধ্যায় বের হওয়ার মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহর পথে একটি সকাল অথবা একটি বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে, সে সব কিছুর চেয়ে উত্তম।
৪৭৬৮
আল্লাহর রাহে সকাল-সন্ধ্যায় বের হওয়ার মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ সা’ইদী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহর পথে যে বান্দা একটি সকাল ব্যয় করে, তা দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সেসব কিছুর চেয়েও উত্তম।
৪৭৬৯
আল্লাহর রাহে সকাল-সন্ধ্যায় বের হওয়ার মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন: আল্লাহর পথে একটি সকাল কিংবা একটি বিকাল অতিবাহিত করা দুনিয়া ও তার মধ্যকার যাবতীয় সম্পদ থেকে অধিক কল্যাণকর।
৪৭৭০
আল্লাহর রাহে সকাল-সন্ধ্যায় বের হওয়ার মাহাত্ম্য পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যদি না আমার উম্মতের কতিপয় লোক হতো ...... এরপর পূর্ণ হাদিস বর্ণনা করেন, তাতে তিনি আরও বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর পথে একটি সকাল অথবা একটি বিকাল ব্যয় করা দুনিয়া এবং তার মধ্যে যা কিছু আছে সে সবের চাইতেও উত্তম।