৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৭০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৬৯১
মুসলিম সমাজের ঐক্য বিনষ্টকারী সম্পর্কে হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
আরফাজা (রাঃ)-
নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তবে তাতে جَمِيعٌ শব্দের স্থলে جَمِيعًا ব্যবহৃত হয়েছে এবং فَاضْرِبُوا বা গর্দান মারবে স্থলে فَاقْتُلُوهُ ‘তোমরা তাকে হত্যা করবে’ ব্যবহৃত হয়েছে।
৪৬৯২
মুসলিম সমাজের ঐক্য বিনষ্টকারী সম্পর্কে হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
আরফাজা (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের এক নেতার অধীনে একতাবদ্ধ থাকা অবস্থায় যে ব্যক্তি এসে তোমাদের শক্তি খর্ব করতে উদ্যত হয় অথবা তোমাদের ঐক্য বিনষ্ট করতে চায়, তাকে তোমরা হত্যা করবে।
৪৬৯৩
দু’ খলীফার বাই’আত গ্রহণ প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যদি দুই খলীফার জন্য বাইয়াত গ্রহণ করা হয় তবে তাদের শেষোক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করবে।
৪৬৯৪
শরী’আত গর্হিত কাজে ‘আমীরের আনুগত্য ত্যাগ করা ওয়াজিব, তবে যতক্ষণ তারা সলাত আদায়কারী থাকবে ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অচিরেই এমন কতক ‘আমীরের উদ্ভব ঘটবে, তোমরা তাদের চিনতে পারবে এবং অপছন্দ করবে। যে ব্যক্তি তাদের স্বরূপ চিনল সে মুক্তি পেল এবং যে ব্যক্তি তাদের অপছন্দ করল সে নিরাপদ হলো। কিন্তু যে ব্যক্তি তাদের পছন্দ করল এবং অনুসরণ করল (সে ক্ষতিগ্রস্ত হল)। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ না, যতক্ষণ তারা সালাত আদায়কারী থাকবে।
৪৬৯৫
শরী’আত গর্হিত কাজে ‘আমীরের আনুগত্য ত্যাগ করা ওয়াজিব, তবে যতক্ষণ তারা সলাত আদায়কারী থাকবে ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না পরিচ্ছেদ নাই
নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। তোমাদের উপর এরূপ কতিপয় আমীর নিযুক্ত করা হবে, তোমরা তাদের চিনতে পারবে এবং অপছন্দ করবে। যে তাদের অপছন্দ করল, সে মুক্তি পেল এবং যে প্রত্যাখ্যান করল, সে নিরাপদ হলো। কিন্তু যে (তাঁদের প্রতি) সন্তুষ্ট থাকল এবং অনুসরণ করল (সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো)।লোকেরা জানতে চাইল, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব না? তিনি বললেন, না, যতক্ষণ তারা সালাত আদায়কারী থাকবে। (অপছন্দ করল) অর্থাৎ, যে অন্তর থেকে তাদের অপছন্দ করল এবং অন্তর থেকে প্রত্যাখ্যান করলো।
৪৬৯৬
শরী’আত গর্হিত কাজে ‘আমীরের আনুগত্য ত্যাগ করা ওয়াজিব, তবে যতক্ষণ তারা সলাত আদায়কারী থাকবে ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এ হাদীসে كَرِهَ স্থলে أَنْكَرَ এবং أَنْكَرَ শব্দের স্থলে كَرِهَ রয়েছে।
৪৬৯৭
শরী’আত গর্হিত কাজে ‘আমীরের আনুগত্য ত্যাগ করা ওয়াজিব, তবে যতক্ষণ তারা সলাত আদায়কারী থাকবে ততক্ষণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে না পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু সালামাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: এরপর রাবী ইবনু মুবারক পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করে যান। তবে তিনি ঐ হাদিসে উল্লেখিতمَنْ رَضِيَ وَتَابَعَ বাক্যাংশ উল্লেখ করেননি।
৪৬৯৮
উত্তম শাসক ও নিকৃষ্ট শাসক পরিচ্ছেদ নাই
‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের সর্বোত্তম নেতা হচ্ছে তারাই যাদেরকে তোমরা ভালোবাস আর তারাও তোমাদের ভালোবাসে। তারা তোমাদের জন্য দোয়া করে, তোমরাও তাদের জন্য দোয়া কর। পক্ষান্তরে তোমাদের সর্বনিকৃষ্ট নেতা হচ্ছে তারাই যাদেরকে তোমরা ঘৃণা কর আর তারাও তোমাদেরকে ঘৃণা করে। তোমরা তাদেরকে অভিশাপ দাও আর তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ দেয়।বলা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাদেরকে তরবারি দ্বারা প্রতিহত করব না? তখন তিনি বললেন, না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে সালাত কায়েম রাখবে। আর যখন তোমাদের শাসকদের মধ্যে কোনো অপছন্দনীয় কাজ দেখবে; তখন তোমরা তাদের সে কাজকে ঘৃণা করবে; কিন্তু (তাদের) আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নেবে না।
৪৬৯৯
উত্তম শাসক ও নিকৃষ্ট শাসক পরিচ্ছেদ নাই
‘আওফ ইবনু মালিক আশজা’ঈ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের সর্বোত্তম নেতা হচ্ছেন তারা, যারা তোমাদেরকে ভালোবাসে এবং তোমরাও তাদেরকে ভালোবাসো। তোমরা তাদের জন্য দোয়া করো এবং তারাও তোমাদের জন্য দোয়া করেন। আর তোমাদের নিকৃষ্ট নেতা হচ্ছে তারা, যাদেরকে তোমরা ঘৃণা করো আর যারা তোমাদের ঘৃণা করে এবং তোমরা তাদেরকে অভিশাপ দাও আর তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ দেয়।সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল, এ সময় আমরা কি তাদেরকে প্রতিহত করবো না? তিনি বললেন, না, যে যাবৎ তারা তোমাদের মধ্যে সালাত কায়েম রাখবে। তবে যার উপর কোন শাসক নিয়োগ করা হবে আর সে তাকে আল্লাহর কোন নাফরমানী করতে দেখবে, তখন ঐ শাসক যতক্ষণ আল্লাহর নাফরমানীতে থাকবে ততক্ষণ তাকে ঘৃণা করতে থাকবে, কিন্তু আনুগত্যের হাত গুটিয়ে নেবে না।এ হাদীসের একজন রাবী ইবনু জাবির (রহঃ) বলেন, আমার কাছে এ হাদীস বর্ণনাকারী রুযাইককে আমি এ হাদীস বর্ণনাকালে বললাম, আল্লাহর কসম! হে আবূ মিকদাম! সত্যিই কি আপনি মুসলিম ইবনু কারযাকে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, তখন আপনি তাঁর দু’হাঁটুর উপর ভর করে কিবলামুখী হয়ে গেলেন এবং বললেন, সে আল্লাহর কসম! যিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই, আমি নিশ্চয়ই মুসলিম ইবনু কারযাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমি আওফ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি।
৪৭০০
উত্তম শাসক ও নিকৃষ্ট শাসক পরিচ্ছেদ নাই
আওফ ইবনু মালিক (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।