৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৬৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৬৮১
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
অনুরূপ হাদিস বর্ণিত আছে।
৪৬৮২
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং জামা’আত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং মৃত্যুবরণ করলো, সে জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করলো এবং যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রের টানে ক্রুদ্ধ হয় এবং গোত্র প্রীতির জন্যেই যুদ্ধ করে, সে আমার উম্মত নয়।আর যে ব্যক্তি আমার উম্মত থেকে বেরিয়ে আমার উম্মতেরই পুণ্যবান ও পাপাচারী সকলের গর্দান কাটে, মুমিনদেরকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয় তার অঙ্গীকারও পালন করে না, সে আমার উম্মত নয়।
৪৬৮৩
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না এবং ইবনু বাশ্শার
এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ইবনু মুসান্না তাঁর বর্ণনায় নবী (ﷺ)-এর উল্লেখ করেননি।পক্ষান্তরে ইবনু বাশ্শার তাঁর বর্ণনায় “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন” বলে উল্লেখ করেছেন যা উপর্যুক্ত হাদীসের অনুরূপ।
৪৬৮৪
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার আমীরের মধ্যে এমন কোন ব্যাপার দেখে যা সে অপছন্দ করে, তবে সে যেন ধৈর্যের পথ অবলম্বন করে। কেননা যে ব্যক্তি জামা’আত থেকে সামান্য পরিমাণ সরে গেল এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুই বরণ করলো।
৪৬৮৫
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার আমীরের কোন কার্যকলাপ অপছন্দ করে, তার উচিত ধৈর্যধারণ করা। কেননা যে কোন ব্যক্তিই শাসকের থেকে (তার আনুগত্য থেকে) বেরিয়ে গিয়ে বিঘত পরিমাণ সরে যাবে এবং তারপর এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, তার মৃত্যু জাহিলিয়াতের মৃত্যু হবে।
৪৬৮৬
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জুনদাব ইবনু ‘আবদুল্লাহ বাজালী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রপ্রীতির দিকে আহ্বান জানায় এবং গোত্রপ্রীতির কারণেই সাহায্য করে, তার মৃত্যু জাহিলিয়্যাতের মৃত্যু।
৪৬৮৭
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
নাফি’ (রহঃ)
আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আবদুল্লাহ ইবন মুতিই (রাঃ)-এর নিকট এলেন, তখন হাররার (হৃদয় বিদারক) ঘটনা ঘটেছে এবং যুগটা ছিল ইয়াযীদ ইবন মুয়াবিয়ার যুগ। তখন তিনি (ইবন মুতিই) বললেন, আবূ আবদুর রহমানের জন্য বিছানা পেতে দাও।তখন তিনি বললেন, আমি তোমার কাছে বসতে আসিনি, এসেছি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যে হাদিস শুনেছি, তা তোমাকে শুনাতে। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি (আমীরের) আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিয়ে মৃত্যুবরণ করে, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় মিলিত হবে যে, তার কোন দলিল থাকবে না। আর যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো, আর তার ঘাড়ে আনুগত্যের কোন চুক্তি নেই, তার মৃত্যু জাহিলিয়াতের মৃত্যু হবে।
৪৬৮৮
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু নুমায়র (রহঃ)
সূত্রে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত আছে।
৪৬৮৯
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আমর ইবনু ‘আলী (রহঃ)
নাফি (রহঃ) বর্ণিত উক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত আছে।
৪৬৯০
মুসলিম সমাজের ঐক্য বিনষ্টকারী সম্পর্কে হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
আরফাজাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমি বলতে শুনেছি, অচিরেই নানা প্রকার ফিতনা-ফাসাদের উদ্ভব হবে। যে ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধ উম্মাতের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াস চালাবে, তোমরা তরবারি দিয়ে তার গর্দান উড়িয়ে দেবে, সে যে কেউ হোক না কেন।