৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৬৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৬৭১
যে খলীফার কাছে প্রথম বাই’আত হবে তাকে অগ্রাধিকার দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
৪৬৭২
যে খলীফার কাছে প্রথম বাই’আত হবে তাকে অগ্রাধিকার দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আব্দুর রহমান ইবনু ‘আবদ রাব্বিল কা’বাহ সায়িদী (রহঃ)
আমি একদল লোককে কাবার নিকট দেখলাম। অতঃপর আমাশ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪৬৭৩
শাসকের যুলুম ও অন্যায় পক্ষপাতিত্বের সময় ধৈর্যধারণের আদেশ পরিচ্ছেদ নাই
উসায়দ ইবনু হুরায়ব (রাঃ)
জনৈক আনসার রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করলো এবং বললো, আপনি অমুককে যেভাবে কর্মচারী নিয়োগ করেছেন, সেভাবে আমাকেও কি কর্মচারী নিয়োগ করবেন না? তখন তিনি বললেন, “আমার পরে তোমরা অনেক পক্ষপাতিত্ব দেখবে, তখন তোমরা ধৈর্য ধারণ করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাউযে (কাউসার)-এ আমার সাথে মিলিত হও।”
৪৬৭৪
শাসকের যুলুম ও অন্যায় পক্ষপাতিত্বের সময় ধৈর্যধারণের আদেশ পরিচ্ছেদ নাই
উসায়দ ইবনু হুরায়র (রহঃ)
জনৈক আনসার রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করল। এরপর পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪৬৭৫
শাসকের যুলুম ও অন্যায় পক্ষপাতিত্বের সময় ধৈর্যধারণের আদেশ পরিচ্ছেদ নাই
উবাইদুল্লাহ ইবনু মু’আয (রহঃ)
শু’আবাহ (রহঃ) হতেও উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ‘রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে একান্তে মিলিত হন’ বর্ণনা করেননি।
৪৬৭৬
প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করলেও শাসকদের অনুগত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
ওয়ায়িল হাযরামী (রহঃ)
সালামা ইবন ইয়াজিদ আল জুফি (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ মর্মে প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর নবী! যদি আমাদের উপর এমন শাসকের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় যে, তারা তাদের হক তো আমাদের কাছে দাবী করে কিন্তু আমাদের হক তারা দেয় না। এমতাবস্থায় আপনি আমাদেরকে কী করতে বলেন? তিনি তার উত্তর এড়িয়ে গেলেন।তিনি আবার তাঁকে প্রশ্ন করলেন। আবার তিনি এড়িয়ে গেলেন। এভাবে প্রশ্নকারী দ্বিতীয় ও তৃতীয়বারও একই প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলেন। তখন আশআস ইবন কাইস (রাঃ) তাকে (সালামাকে) টেনে নিলেন এবং বললেন, তোমরা শুনবে এবং মানবে। কেননা তাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর বর্তাবে আর তোমাদের উপর আরোপিত দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।
৪৬৭৭
প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করলেও শাসকদের অনুগত থাকা পরিচ্ছেদ নাই
সিমাক (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেন। এ বর্ণনাতে আছে, “আশআস ইবন কায়স তাকে টেনে নিলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা শুনবে ও মানবে। কেননা তাদের দায়িত্বের বোঝা তাদের উপর এবং তোমাদের দায়িত্বের বোঝা তোমাদের উপর বর্তাবে।”
৪৬৭৮
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ইদ্রীস খাওলানী (রহঃ)
আমি হুযাইফা ইবন ইয়ামান (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, লোকজন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট কল্যাণের বিষয়ে প্রশ্ন করত আর আমি তাঁর নিকট প্রশ্ন করতাম অকল্যাণ সম্পর্কে এ ভয়ে যে, পরে না তা আমাকে পেয়ে বসে। তাই আমি (কোন এক সময়) প্রশ্ন করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা ছিলাম অজ্ঞতা ও অমঙ্গলের মধ্যে। তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য এ কল্যাণ প্রদান করলেন। এ কল্যাণের পরও কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।তারপর আমি বললাম, ঐ অকল্যাণের পর কি আবার কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে তাতে ধোঁয়া আছে। আমি বললাম, কী সে ধোঁয়া? তিনি বললেন, তখন এমন একদল লোকের উদ্ভব হবে যারা আমার প্রবর্তিত পদ্ধতি ছাড়া অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করবে, আমার প্রদর্শিত হিদায়াতের পথ ছেড়ে অন্যত্র হিদায়াত তুমি খুঁজবে। দেখবে তাদের মধ্যে ভালো মন্দ উভয়টাই।তখন আমি আরজ করলাম, এ কল্যাণের পর কি কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, জাহান্নামের দরজার দিকে আহ্বানকারীদের উদ্ভব হবে। যারা তাদের ডাকে সাড়া দেবে তারা তাদেরকে তাতে নিক্ষেপ করবে। আমি তখন বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় ব্যক্ত করুন। তিনি বললেন, হ্যাঁ, তাদের বর্ণ হবে আমাদেরই মতো এবং তারা আমাদেরই ভাষায় কথা বলবে।তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! যদি সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই তবে আমাদেরকে আপনি কী করতে বলেন? তিনি বললেন, তোমরা মুসলিমদের জামাআত ও ইমামের সাথে আঁকড়ে থাকবে। আমি বললাম, যদি তাদের কোন জামাআত বা ইমাম না থাকে? তিনি বললেন, তা হলে সে সব বিচ্ছিন্নতাবাদ থেকে তুমি আলাদা থাকবে-যদিও তুমি একটি বৃক্ষমূল দাঁত দিয়ে আঁকড়ে ধর এবং এ অবস্থায়ই মৃত্যু তোমার নাগাল পায়।
৪৬৭৯
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্ ইবনু ইয়ামান (রাঃ)
- আমি আরজ করলাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমরা ছিলাম অকল্যাণের মধ্যে; তারপর আল্লাহ আমাদের জন্য কল্যাণ নিয়ে আসলেন। আমরা তাতে অবস্থান করছি। এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন অকল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।আমি বললাম, এ কল্যাণের পিছনে কি আবার কোন কল্যাণ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি বললাম, তা কিভাবে? তিনি বললেন, আমার পরে এমন সব নেতার উদ্ভব হবে, যারা আমার হিদায়াতে হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে না এবং আমার সুন্নাতও তারা অবলম্বন করবে না। অচিরেই তাদের মধ্যে এমন সব ব্যক্তির উদ্ভব হবে, যাদের অন্তর হবে মানব দেহে শয়তানের অন্তর।রাবী বলেন, তখন আমি বললাম, তখন আমরা কী করব, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! যদি আমরা সে পরিস্থিতির সম্মুখীন হই? বললেন, তুমি আমীরের কথা শুনবে এবং মানবে; যদি তোমার পিঠে বেত্রাঘাত করা হয় বা তোমার ধন-সম্পদ কেড়েও নেয়া হয়, তবুও তুমি শুনবে এবং মানবে।
৪৬৮০
ফিতনার যুগে (দাঙ্গা ও দুর্যোগ অবস্থায়) মুসলিমদের জমা’আত আঁকড়ে থাকা অত্যাবশ্যক এবং কুফরের দিকে আহবানকারীদের সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত, যে ব্যক্তি (আমীরের) আনুগত্য থেকে বেরিয়ে গেল এবং জামাআত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করল। আর যে ব্যক্তি লক্ষ্যহীন নেতৃত্বের পতাকাতলে যুদ্ধ করে, গোত্রপ্রীতির জন্য ক্রুদ্ধ হয় অথবা গোত্র প্রীতির দিকে আহ্বান করে অথবা গোত্রের সাহায্যার্থে যুদ্ধ করে (আল্লাহর সন্তুষ্টির কোন ব্যাপার থাকে না) আর তাতে নিহত হয়, সে জাহিলিয়্যাতের মৃত্যুবরণ করে।আর যে ব্যক্তি আমার উম্মাতের উপর আক্রমণ করে, আমার উম্মাতের ভালমন্দ সকলকেই নির্বিচারে হত্যা করে, মু’মিনকেও রেহাই দেয় না এবং যার সাথে সে ওয়াদাবদ্ধ হয় তার ওয়াদাও রক্ষা করে না, সে আমার কেউ নয়, আমিও তার কেউ নই।