৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৭১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৭০১
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
হুদায়বিয়ার দিন আমরা ছিলাম চৌদ্দশ, আমরা তাঁর (ﷺ)-এর হাতে বাইআত হলাম। আর উমর (রাঃ) তাঁর হাত ধরে (বাইআত গ্রহণ করেছিলেন) সামুরা নামক গাছের তলে এবং তিনি বলেছেন, আমরা এ মর্মে তাঁর হাতে বাইআত হলাম যে, আমরা পলায়ন করব না। কিন্তু “আমরা মৃত্যুবরণ করব” এ শপথ গ্রহণ করি নি।
৪৭০২
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাতে মৃত্যুর শপথ গ্রহণ করিনি, আমরা তো তাঁর কাছে এ মর্মে শপথ করেছি যে, আমরা পলায়ন করব না।
৪৭০৩
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র (রহঃ)
তিনি শুনতে পেলেন যে, জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হল, হুদাইবিয়ার দিন সাহাবীর সংখ্যা কত ছিল? তিনি বললেন, আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ। আমরা তাঁর (ﷺ) হাতে বাইআত হলাম, আর উমর (রাঃ) তাঁর হাত ধরে (বাইআত হয়েছিলেন) সামুরা নামক গাছের তলে। জাদ ইবনু কায়স আনসারী ছাড়া আমরা সকলেই সেদিন তাঁর হাতে বাইআত হয়েছিলাম। আর সে তাঁর উটের পেটের নিচে আত্মগোপন করে বসে ছিল।
৪৭০৪
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র (রহঃ)
তিনি জাবির (রাঃ)-এর নিকট শুনতে পেলেন, তাকে এ মর্মে জিজ্ঞেস করা হল যে, নবী (ﷺ) যুল হুলাইফা নামক স্থানে বাইআত গ্রহণ করেছিলেন কি? তিনি বললেন, না; বরং তিনি সেখানে সালাত আদায় করেছেন, আর হুদাইবিয়ার বৃক্ষের নিকট ব্যতীত অন্য কোন বৃক্ষের নিকট তিনি বাইআত গ্রহণ করেননি। রাবী ইবনু জুরাইজ (রহঃ) বলেন, আবূ যুবাইর (রহঃ) আমাকে বলেছেন, তিনি জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, নবী (ﷺ) হুদাইবিয়ার কূপের নিকট দোয়া করেছিলেন।
৪৭০৫
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
হুদাইবিয়ার দিনে আমরা (সংখ্যায়) ছিলাম চৌদ্দশ’। তখন নবী (ﷺ) আমাদেরকে লক্ষ্য করে বললেন, “আজকের দিন তোমরা গোটা দুনিয়াবাসীর মধ্যে সর্বোত্তম।”জাবির (রাঃ) বলেন, “যদি আমি দেখতে পারতাম তবে তোমাদেরকে অবশ্যই সে গাছটির জায়গা দেখিয়ে দিতাম।”
৪৭০৬
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) সালিম ইবনু আবূ জা’দ (রহঃ)
আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে গাছতলায় (বাই’আতকারী) নবী সহচরদের (সংখ্যা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, তখন তিনি বললেন, আমরা যদি (সেদিন) এক লাখও হতাম তবুও (হুদাইবিয়ার কূপের পানি) আমাদের জন্য যথেষ্ট হতো। আমরা সংখ্যায় ছিলাম পনেরোশ।
৪৭০৭
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
আমরা যদি সংখ্যায় এক লাখও হতাম (হুদাইবিয়ার কূপের সে বরকতময় পানি) যথেষ্ট হতো, আমরা সংখ্যায় ছিলাম পনেরোশ।
৪৭০৮
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু আবূ জা’দ (রহঃ)
আমি জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সেদিন আপনারা সংখ্যায় কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, চৌদ্দশ।
৪৭০৯
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)
বৃক্ষতলে বায়আত গ্রহণকারী সাহাবীদের সংখ্যা ছিল তেরশো। আর আসলাম গোত্রীয় লোকদের সংখ্যা ছিল মুহাজিরদের এক অষ্টমাংশ।
৪৭১০
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ (রহঃ)
উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।