৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৭২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৭১১
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
মা’কিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ)
আমি নিজেকে বৃক্ষ দিবসে দেখেছি (আমি তথায় উপস্থিত ছিলাম)। আর নবী (ﷺ) তখন লোকদের বাইআত গ্রহণ করছিলেন, এ অবস্থায় আমি তাঁর মাথার উপর বৃক্ষের একটি ডাল সরিয়ে রেখেছিলাম। আমরা তখন সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ। রাবী বলেন, আমরা তাঁর কাছে মৃত্যুর বাইআত গ্রহণ করিনি, বরং আমরা পলায়ন করব না মর্মে শপথ গ্রহণ করেছিলাম।
৪৭১২
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
ইউনুস (রহঃ)
উক্ত সনদে হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
৪৭১৩
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাঃ)
আমার আব্বা সে বাইয়াত গ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন, যারা সেদিন গাছের নিচে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেছিলেন। পরবর্তী বছর যখন আমরা হজ্জ করতে এসে সেখানে গেলাম তখন সে স্থানটি আমাদের কাছে অস্পষ্ট হয়ে গেল। যদি তোমাদের নিকট সে স্থানটি স্পষ্ট হয়ে থাকে তবে তোমরাই ভাল জান।
৪৭১৪
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) এর পিতা (রাঃ)
বৃক্ষবর্ষে (হুদাইবিয়ার বছর) তাঁরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট ছিলেন। পরবর্তী বছর তাঁরা সে স্থানটির অবস্থান ভুলে যান।
৪৭১৫
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) এর পিতা (রাঃ)
আমি সে গাছটি দেখেছি, তবে পরে যখন সেখানে গেলাম, তখন আর তা চিনতে পারলাম না।
৪৭১৬
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াযীদ ইবনু আবূ ‘উবায়দ (রহঃ)
আমি সালামা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, হুদাইবিয়ার দিন আপনারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাতে কিসের শপথ গ্রহণ করেছিলেন? তিনি বললেন, মৃত্যুর।
৪৭১৭
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্ (রাঃ)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪৭১৮
যুদ্ধের অভিপ্রায়কালে ইমাম কর্তৃক সেনাদলের বাই’আত গ্রহন উত্তম এবং বৃক্ষতলে বাই’আতে রিযওয়ান প্রসঙ্গ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)
একদা জনৈক আগন্তুক তাঁর কাছে আসল এবং বলল, “এই হচ্ছেন হানজালা’র পুত্র। ইনি লোকের নিকট থেকে বাই‘আত নিচ্ছেন।”তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কিসের বাই‘আত?”আগন্তুক বললেন, “মৃত্যুর বাই‘আত।”তিনি বললেন, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পরে আমরা আর কারো হাতে মৃত্যুর উপর বাই‘আত নেব না।”
৪৭১৯
মুহাজিরের জন্য স্বদেশে বসবাসের উদ্দেশে ফিরে আসা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্‌ ইবনু আকওয়া’ (রাঃ)
তিনি একদা হজ্জাজের দরবারে উপনীত হলেন। সে বলল, “হে আকওয়ার পুত্র! তুমি কি ধর্মত্যাগী (মুরতাদ) হয়ে মরুবাস শুরু করেছো?” তিনি বললেন, “না; বরং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-ই আমাকে মরুবাসের (বেদুঈনের জীবন-যাপনের) অনুমতি দিয়েছেন।”
৪৭২০
মাক্কাহ্‌ বিজয়ের পর ইসলাম, জিহাদ ও পুণ্যময় কাজের বাই’আত আর বিজয়ের পর হিজরাত নেই( মাক্কাহ্‌ থেকে মাদীনায়)- এ কথার অর্থ সংক্রান্ত আলোচনা পরিচ্ছেদ নাই
মুজাশি’ ইবনু মাস’উদ সুলামী (রাঃ)
একদা আমি নবী (ﷺ)-এর খিদমতে তাঁর নিকট হিজরতের বাইয়াত গ্রহণের উদ্দেশ্যে আসলাম। তখন তিনি বললেন, “হিজরতের দিন শেষ হয়ে গেছে, তার অধিকারীরা ইতোমধ্যেই তা করে ফেলেছেন। (সে ফজিলত আর কারো পাবার অবকাশ নেই) তবে ইসলাম, জিহাদ ও সৎকাজের উপর অটল থাকার বাইয়াত হতে পারে।”