৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৭৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৭৩১
সাবালক হওয়ার বয়স পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উহুদ দিবসে (যুদ্ধে) আমাকে পর্যবেক্ষণ করলেন, তখন আমার বয়স চৌদ্দ বছর। তিনি আমাকে (যুদ্ধের জন্য) অনুমতি দিলেন না। খন্দকের দিন তিনি আমাকে পর্যবেক্ষণ করলেন। তখন আমার বয়স পনের বছর। তিনি আমাকে (যুদ্ধে গমনের) অনুমতি দিলেন।নাফি বলেন, আমি উমর ইবন আবদুল আজিজ (রহঃ)-এর খিদমতে উপস্থিত হয়ে এ হাদীস তাঁর নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি তখন খলীফা ছিলেন। তিনি বললেন, এটাই হচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রাপ্তবয়স্কদের সীমারেখা। তিনি তাঁর প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে এ মর্মে ঘোষণা দিলেন, তারা যেন পনের বছর বয়সের লোকদের ভাতা প্রদান করেন এবং তার কম বয়সের যারা তাদেরকে অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে নির্ধারণ করেন।
৪৭৩২
সাবালক হওয়ার বয়স পরিচ্ছেদ নাই
‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ)
উক্ত সূত্রে এ হাদিসখানা বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের বর্ণিত হাদিসে আছে, আমি তখন চৌদ্দ বছরের। তাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে ছোট বলে গণ্য করলেন।
৪৭৩৩
কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
শত্রু এলাকায় কুরআন মাজীদ নিয়ে ভ্রমণ করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বারণ করেছেন।
৪৭৩৪
কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শত্রু দেশে কুরআন নিয়ে সফর করতে বারণ করতেন এই ভয়ে যে, তা শত্রুরা পেয়ে যাবে।
৪৭৩৫
কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা কুরআন মাজিদ নিয়ে সফর করবে না, কেননা শত্রু থেকে আমি তা নিরাপদ মনে করি না। রাবী আইয়ূব (রহঃ) বলেন, শত্রুরা হস্তগত করে তোমাদের সাথে তা নিয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হতে পারে।
৪৭৩৬
কাফির জনপদে কুরআন মাজীদ নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে আশংকা থাকে তা তদের হাতে পতিত হওয়ার পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত হাদিসের মধ্যবর্তী রাবি ইবনু উলাইয়্যাহ ও সাকাফীর বর্ণনায় فَإِنِّي أَخَافُ “এবং আমি আশঙ্কা করি” রয়েছে। আর সানাদের জন্য সূত্রের মধ্যবর্তী রাবি সুফইয়ান ও যাহহাক ইবনু উসমানের বর্ণনায় مَخَافَةَ أَنْ يَنَالَهُ الْعَدُوُّ ‘দুশমন পেয়ে যাবে এ আশঙ্কায়’ কথাটি রয়েছে।
৪৭৩৭
ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা এবং সেগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়াসমূহের দৌড়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন হাফয়া থেকে সানিয়াতুল বিদা পর্যন্ত। আর যে ঘোড়াগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়নি সেগুলোর দৌড়ের প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করান সানিয়া থেকে মসজিদ বনী জুরাইক পর্যন্ত। ইবনু উমর (রাঃ)-ও ছিলেন সে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম।
৪৭৩৮
ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা এবং সেগুলোকে প্রশিক্ষণ দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া
আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পূর্ববর্তী হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাম্মাদ ও ইবন উলাইয়্যাহ সূত্রে আইয়ূব (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে এতটুকু বেশী বর্ণিত হয়েছে যে, আবদুল্লাহ (ইবন উমর) বলেন, আমি সে প্রতিযোগিতায় প্রথম হই এবং আমার ঘোড়াটি আমাকে নিয়ে লাফিয়ে মসজিদে উঠে যায়।
৪৭৩৯
ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ঘোড়ার ললাটে কল্যাণ কেয়ামত পর্যন্ত নিহিত থাকবে।
৪৭৪০
ঘোড়ার কপালে কিয়ামাত পর্যন্ত কল্যাণ থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) থেকে মালিক (রহঃ)-এর হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।