৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৬০/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৫৯১
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্‌ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)–এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি যতগুলো অভিযানে সৈন্য প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে নয়টিতে আমি অংশগ্রহণ করি। একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবু বকর (রাঃ) আর একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন উসামা ইবন যায়দ (রাঃ)।
৪৫৯২
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
হাতিম (রহঃ)
এ হাদীসটি উল্লেখিত সূত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তাঁর বর্ণনায় উভয় ধরনের সাতটি অভিযানের সংখ্যা বলেছেন।
৪৫৯৩
যাতুর রিকা’যুদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে একটি যুদ্ধাভিযানে বের হলাম। আমাদের প্রতি ছয়জনের মধ্যে ছিল একটি উট, যার উপর আমরা পর্যায়ক্রমে সওয়ার হতাম। এতে আমাদের পা ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। আমার দু’পা এতটাই ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল যে, পায়ের নখগুলো উপড়ে পড়ে যায়। তাই আমরা আমাদের পায়ে পট্টি বেঁধেছিলাম। এ কারণে এ অভিযান ‘যাতুর-রিকা’ বা পট্টি যুদ্ধ নামে অভিহিত হয়। কেননা আমরা আমাদের পায়ে পট্টি বেঁধেছিলাম।আবু বুরদা (রাঃ) বলেন, আবু মূসা (রাঃ) এ হাদিসটি একবার বর্ণনা করার পর পুনরায় বর্ণনা করা পছন্দ করেননি। রাবী বলেন, এ দ্বারা তাঁর আমলের প্রকাশ পায় বলে তিনি তা উল্লেখ করা পছন্দ করেননি। আবু উসামা বলেন, বুরাইদ (রাঃ) ছাড়া এ হাদিসের অন্য রাবী এ কথাটি অতিরিক্ত বলেছেন, “আল্লাহ তার প্রতিদান দিবেন”।
৪৫৯৪
যুদ্ধ অভিযানে কাফিরদের সাহায্য গ্রহণ মাকরূহ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বদর অভিমুখে রওয়ানা হলেন। যখন তিনি ওয়াবারাহ প্রান্তরে পৌঁছলেন, তখন এমন এক ব্যক্তি এসে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলো, যে পূর্ব থেকে তাঁর শৌর্য-বীর্য ও সাহসিকতার জন্য প্রসিদ্ধ ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীগণ তাঁকে দেখতে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত হলেন।সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলল, আমি আপনার সঙ্গে যেতে এবং আপনার সঙ্গে (গনীমত) পেতে এসেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ তুমি কি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান রাখ? সে বলল, না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাহলে তুমি ফিরে যাও, আমি কোন মুশরিকের সাহায্য গ্রহণ করব না।আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন লোকটি চলে গেল। যখন আমরা শাজারায় উপনীত হলাম, তখন সে ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে দেখা করলো এবং তাঁর পূর্বের কথাই পুনরায় বললো, নবী (ﷺ)-ও তাঁর পূর্বের কথা পুনরায় বললেন, আরও বললেন, তুমি ফিরে যাও, আমি কোন মুশরিকের সাহায্য গ্রহণ করব না। এবারও সে চলে গেল।তারপর সে আবার বায়দাতে তাঁর (নবী (ﷺ)) সঙ্গে সাক্ষাৎ করলো। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে প্রথমবারের মত জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান রাখ? সে বলল, জ্বী-হ্যাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, এখন (আমাদের সাথে) চল।
৪৫৯৫
জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “জনগণ প্রশাসনিক ব্যাপারে কুরাইশদের অনুসারী। মুসলিমরা তাঁদের মুসলিমদের এবং কাফিররা তাঁদের কাফিরদের অনুসারী।
৪৫৯৬
জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত পরিচ্ছেদ নাই
হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ্‌ (রহঃ)
আবু হুরাইরা (রাঃ) যে সকল হাদিস রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেন তন্মধ্যে একটি হল যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ লোকজন এ ব্যাপারে কুরাইশদের অনুসারী। মুসলিমরা মুসলিমদের অনুসারী এবং কাফেররা কাফেরদের অনুসারী।
৪৫৯৭
জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ লোকজন ভালো-মন্দ উভয় ব্যাপারেই কুরাইশদের অনুসারী।
৪৫৯৮
জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, এ কৃতিত্ব সর্বদা কুরাইশদের মধ্যেই থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুনিয়ায় দুইটি লোকও বেঁচে থাকবে।
৪৫৯৯
জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত পরিচ্ছেদ নাই
সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী (ﷺ)-এর নিকট গেলাম। তখন আমরা তাঁকে বলতে শুনলাম, শাসন কর্তৃত্ব ধারাবাহিক চলতে থাকবে যতক্ষণ না উম্মাতের মধ্যে বারোজন খলীফা অতিবাহিত হবেন। তারপর তিনি অস্ফুট আওয়াজে কিছু বললেন, যা আমি শুনতে পেলাম না। তখন আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কী বললেন? তিনি বললেন যে, তিনি বলেছেন, তাঁদের সকলেই হবে কুরাইশ বংশ থেকে।
৪৬০০
জনগণ কুরায়শদের অনুগামী এবং খিলাফত কুরায়শদের মধ্যে সীমিত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু সামুরাহ্‌ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মুসলিম শাসন থাকবে যতক্ষণ না তাদের মধ্যে বারোজন শাসক শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর নবী (ﷺ) কিছু কথা বললেন, যা আমি শুনতে পাইনি। তাই আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কী বললেন? তিনি বললেনঃ তিনি বলেছেনঃ সবাই কুরাইশ বংশ থেকে হবে।