৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪৫৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪৫৮১
জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াযীদ ইবনু হুরমু্য (রহঃ)
নাজদাহ (রহঃ) ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর কাছে পত্র লিখেন এবং অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেন। আবূ ইসহাক (রহঃ) বলেন, সুফিয়ান (রহঃ) অনুরূপ হাদিস বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
৪৫৮২
জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
কায়স (রাঃ)
ইয়াজিদ ইবন হুরমুযকে আমি এ হাদিস বর্ণনা করতে শুনেছি। মুহাম্মাদ ইবন হাতিম ইয়াজিদ ইবন হুরমুয থেকে বর্ণিত। নাজদা ইবন আমির ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে পত্র লিখেন। রাবি বলেন, ইবন আব্বাস (রাঃ) যখন তাঁর পত্রখানি পাঠ করেন এবং যখন তিনি তার জবাব লিখেন তখন আমি তাঁর (ইবন আব্বাস) সামনেই উপস্থিত ছিলাম। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যদি সে নাপাকিতে (অজ্ঞানতা প্রসূত কথাবার্তায়) পতিত হবে বলে আশঙ্কা না করতাম তবে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। তার চোখ কোন দিন না জুড়াক (অর্থাৎ আল্লাহ তাকে খুশি না রাখুক, তার বাতিল আক্বীদার দরুন এ বদদোয়া করলেন)।রাবি (ইয়াজিদ) বলেন, তারপর তিনি তাকে লিখলেন, “তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ, আল্লাহ (গনীমাতের অংশ সংক্রান্ত আয়াতে) যাদের সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর ঘনিষ্ঠজন কারা? আমরা মনে করি, আমরাই রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সে ঘনিষ্ঠজন। কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা তা অস্বীকার করে।আর তুমি ইয়াতিম সম্পর্কে প্রশ্ন করেছ যে, কখন তার ইয়াতিম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? যখন সে বিবাহযোগ্য হয়, তার মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনা পরিলক্ষিত হয় এবং তার সম্পদ তার কাছে প্রত্যর্পণ করা হয়, তখন তার ইয়াতিম অবস্থার অবসান ঘটে। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) কি মুশরিকদের কোন শিশুকে হত্যা করতেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোনদিন তাদের শিশুদের কাউকে হত্যা করেননি। সুতরাং তুমিও তাদের কাউকে হত্যা করবে না। অবশ্য তুমি যদি অবগত হও, যা অবগত হয়েছিলেন খিজির (আঃ) সে বালকটির সম্পর্কে যখন তিনি তাকে হত্যা করেন।আর তুমি প্রশ্ন করেছ, নারী ও গোলাম সম্পর্কে, যখন তারা যুদ্ধে উপস্থিত থাকে, তাদের জন্য নির্ধারিত অংশ নেই। তবে লোকদের গনীমাতের মাল থেকে তারা উপঢৌকন হিসেবে পায়।
৪৫৮৩
জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ)
নাজদাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে লিখেছিলেন। বর্ণনাকারী এ হাদীসের কিয়দংশ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাঁদের হাদীসসমূহের মতো তিনি ঘটনা হুবহু বর্ণনা করেননি।
৪৫৮৪
জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ আন্‌সারীয়াহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাঁদের শিবিরের পশ্চাতে অবস্থান করতাম, তাঁদের খাবার তৈরি করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম এবং রোগীদের সেবা-শুশ্রূষা করতাম।
৪৫৮৫
জিহাদ অভিযানে অংশগ্রহণকারী মহিলাদের জন্য গনীমাতের কোন অংশ নেই, তবে স্বেচ্ছায় তাদের কিছু দেয়া এবং শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম ইবনু হাস্সান (রহঃ)
এ সূত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৪৫৮৬
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ ইসহাক্‌ (রহঃ)
আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াজিদ (রহঃ) লোকজনকে নিয়ে ইস্তিস্‌কার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে বের হলেন। তিনি দু’রাকাত সালাত আদায় করলেন, এরপর বৃষ্টির জন্যে দোয়া করলেন। রাবী বলেন, সেদিন আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। আমার এবং তাঁর মাঝে একজন ছাড়া কোন লোক ছিল না। অথবা তিনি বলেছেন, আমার এবং তাঁর মাঝে কেবল একজন লোক ছিল, আমি তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কতগুলো যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, উনিশটি। তখন আমি বললাম, আপনি তাঁর সঙ্গে কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরটি যুদ্ধে। রাবী বলেন, তখন আমি প্রশ্ন করলাম, সর্বপ্রথম তিনি কোন যুদ্ধটি করেছেন? তিনি বললেন, যাতুল-উসাইর বা যাতুল-উশাইর।
৪৫৮৭
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
যায়দ ইবনু আকরাম (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উনিশটি যুদ্ধ করেছেন। হিজরতের পর একবার মাত্র হজ্জ করেছেন, যেটি ছাড়া আর কোন হজ্জ করেননি— তা হল বিদায় হজ্জ।
৪৫৮৮
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে উনিশটি যুদ্ধ করেছি। জাবির (রাঃ) বলেন, আমি বদর ও উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার পিতা আমাকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলেন। তারপর যখন উহুদ যুদ্ধে (আমার পিতা) আবদুল্লাহ নিহত হলেন, তারপর থেকে আমি আর কখনো কোনো যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে পশ্চাৎপদ হইনি।
৪৫৮৯
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উনিশটি যুদ্ধে শরিক হন, তন্মধ্যে আটটিতে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন। রাবী আবু বকর ‘তন্মধ্যে’ শব্দটি বলেননি বরং তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘আবদুল্লাহ ইবন বুরাইদা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন’ বলে উল্লেখ করেছেন।
৪৫৯০
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুদ্ধসমূহের সংখ্যা পরিচ্ছেদ নাই
বুরাইদাহ্‌ (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে ষোলটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।