৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪১৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪১৭১
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ)
একবার তার নিকট এক ব্যক্তি এসে একশ দিরহামের প্রার্থনা জানায়। তিনি বললেন, “তুমি আমার নিকট একশ দিরহাম সওয়াল করছ! অথচ আমি হাতিমের ছেলে। আল্লাহর শপথ! তোমাকে আমি দান করব না।”এরপর তিনি বললেন, “আমি যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, যে ব্যক্তি কসম করে, পরে তদপেক্ষা উত্তম কিছু দেখে, তবে সে যেন সে উত্তমটিই পালন করে।”
৪১৭২
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ)
এক ব্যক্তি তার কাছে সাওয়াল করে। এরপর উক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন এবং অতিরিক্ত বলেন যে, আমার দান থেকে তুমি চারশ দিরহাম নাও।
৪১৭৩
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু সাঃমুরাহ্‌ (রাযিঃ)
“আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ‘হে আব্দুর রহমান ইবনু সমুরা! তুমি শাসন কর্তৃত্ব চেয়ো না। কারণ, যদি তোমাকে চাওয়ার কারণে তা দেয়া হয়, তবে তার দায়িত্ব তোমার উপর পড়বে। আর চাওয়া ব্যতীত তোমাকে তা দেয়া হলে এ ব্যাপারে তোমাকে সাহায্য করা হবে। আর যখন তুমি কোন কাজের উপর কসম কর, তারপর তার বিপরীত কাজকে তুমি উত্তম মনে কর, তবে তুমি তোমার কসমের কাফফারা আদায় কর এবং যা উত্তম তা করে নাও।’ আবূ আহমাদ আল-জালূদী ..... জারীর ইবনু হাযিম (রহঃ) হতে উক্ত সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেন।
৪১৭৪
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ্ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) থেকে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে মু’তামির তাঁর পিতা সূত্রে বর্ণিত হাদীসে ‘শাসন কর্তৃত্ব’ (ইমারাত) এর কথা উল্লেখ নেই।
৪১৭৫
কসম গ্রহণকারীর নিয়্যাত অনুযায়ী কসম হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমার কসম ঐ উদ্দেশ্যের উপর ধরে নেয়া হবে, যে উদ্দেশ্যের উপর তোমার সঙ্গী তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে। আমর বলেন, এভাবে যে, তোমার সঙ্গী যে উদ্দেশ্যে তোমাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে।
৪১৭৬
কসম গ্রহণকারীর নিয়্যাত অনুযায়ী কসম হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কসমকারীর নিয়তের উপরই কসমটি হবে।
৪১৭৭
কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
সুলাইমান (আঃ)-এর ষাটজন স্ত্রী ছিল। একদা তিনি বলেন, নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সকল স্ত্রীর কাছেই গমন করব। অর্থাৎ মিলিত হব। এতে প্রত্যেকেই গর্ভবতী হবে এবং প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা (ভবিষ্যতে) আল্লাহর পথে অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে লড়াই করবে। কিন্তু পরিশেষে একজন স্ত্রী ব্যতীত আর কেউই গর্ভবতী হননি। এরপর তিনি অর্ধ মানবাকৃতির (নিষ্কর্মা) একটি সন্তান প্রসব করলেন।এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করতেন, যারা প্রত্যেকেই অশ্বারোহী সৈনিক হিসেবে আল্লাহর পথে লড়াই করতেন।
৪১৭৮
কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাঃ)
একদা আল্লাহর নবী সুলায়মান ইবন দাঊদ (আঃ) বলেছিলেন, “অবশ্যই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর প্রত্যেকের কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান প্রসব করবে যারা ভবিষ্যতে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করবে।” তখন তাঁর কোন সাথী অথবা ফেরেশতা তাঁকে বললেন যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন! কিন্তু তিনি ভুলে যাওয়ার কারণে তা বলেননি। অতএব, তাঁর স্ত্রীদের মধ্য হতে একজন ছাড়া আর কেউ সন্তান প্রসব করেননি। আর সে স্ত্রী যে সন্তানটি প্রসব করলেন, তাও আবার অপূর্ণাঙ্গ ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “যদি তিনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ প্রত্যাহারকারী হতেন না। আর তিনি তখন স্বীয় উদ্দেশ্য সাধনে সফলকাম হতেন।”
৪১৭৯
কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ সূত্রে নাবী (সাঃ)
আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ হাদিস বর্ণিত।
৪১৮০
কসমের মধ্যে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
সুলাইমান ইবন দাউদ (আঃ) একদা বলেছিলেন, “নিশ্চয়ই আমি আজ রাতে সত্তরজন স্ত্রীর কাছে যাব। এতে তাদের প্রত্যেকেই এমন সব সন্তান জন্ম দেবে যারা আল্লাহর পথে লড়াই করবে।” তখন তাকে বলা হলো যে, আপনি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলুন। কিন্তু তিনি (ভুলক্রমে) তা বলেননি। অতঃপর তিনি সকল স্ত্রীর কাছে গমন করলেন। তাতে কোন স্ত্রী গর্ভবতী হলেন না, একজন স্ত্রীর একটি অর্ধ মানবাকৃতির (অপূর্ণাঙ্গ) সন্তান প্রসব করা ব্যতীত।রাবী বলেন যে, এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “যদি তিনি তখন ‘ইনশাআল্লাহ’ বলতেন, তবে তিনি শপথ ভঙ্গকারী হতেন না। আর উদ্দেশ্য পূরণে তিনি সফলতা পেতেন।”