৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪১৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪১৬১
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা আশ‘আরী (রাযিঃ)
আমরা একবার রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট সওয়ারি চাইতে আসি। তিনি বললেন: আমার নিকট এমন কিছু নেই যা তোমাদেরকে সওয়ারি হিসেবে দিতে পারি। আল্লাহর কসম! আমি তোমাদেরকে সওয়ারি দিব না।এরপর রাসুলুল্লাহ (ﷺ) কালো মিশ্রিত সাদা কুঁজমিশ্রিত তিনটি উট আমাদের নিকট পাঠান। আমরা আলোচনা করলাম যে, সওয়ারি চাওয়ার জন্যে আমরা রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসেছিলাম। তখন তিনি কসম খেয়েছিলেন যে, তিনি আমাদের সওয়ারি দিবেন না।এরপর আমরা তাঁর নিকট গিয়ে তাঁকে কসমের বিষয় জানালাম। তিনি বললেন: আমি কোন বিষয়ের উপর কসম করলে তার বিপরীত কাজ যদি উত্তম দেখি, তবে সে উত্তমটি করি।
৪১৬২
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাযিঃ)
আমরা পদাতিক ছিলাম। তাই আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকটে সওয়ারি চাইতে আসলাম। এরপর জারীরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৪১৬৩
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকটে গভীর রাত পর্যন্ত বিলম্ব করে। এরপর তার গৃহে গিয়ে দেখে যে, বাচ্চারা ঘুমিয়ে পড়েছে। তার স্ত্রী তার খাবার নিয়ে এলে সে সন্তানদের কারণে কসম করলো যে, সে খাবে না। পরে খাবার গ্রহণকে উচিত মনে করলে সে খেয়ে নিল। এরপর সে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে তাঁকে উক্ত ঘটনা বলে। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম খায়, পরে অন্যটিকে তা থেকে উত্তম মনে করে, সে যেন তা করে ফেলে এবং নিজের কসমের কাফফারা দেয়।
৪১৬৪
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কোনো বিষয়ে কসম করে, পরে অন্যটি তার চেয়ে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন তার কসমের কাফরাহ দেয় এবং ঐ (উত্তম) কাজটি করে।
৪১৬৫
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন বিষয়ের উপর কসম করে, পরে অন্যটিকে তার চেয়ে ভালো মনে করে তবে সে যেন সেই ভাল বিষয়কে কার্যে পরিণত করে এবং কসমের কাফফারা আদায় করে।
৪১৬৬
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
সুহায়ল(রহঃ)
সুহাইল (রহঃ)-এর সূত্রে উক্ত সানাদে মালিক বর্ণিত হাদিসের মর্মানুরূপ বর্ণনা করেন। কিন্তু এতে রয়েছে, “সে যেন তার কসমের কাফারা দেয় এবং তাই করে যা ভাল।”
৪১৬৭
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
তামীম ইবনু তারাফাহ্‌ (রহঃ)
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)-এর নিকট একজন প্রার্থী আসল। সে একজন দাসের মূল্য কিংবা দাসের মূল্যের কিছু অংশ সাহায্য করার প্রার্থনা জানায়। তিনি বললেন, “একটি বর্ম ও লোহার টুপি ব্যতীত আমার নিকট তোমাকে দেয়ার মত আর কিছুই নেই। আমি আমার ঘরে লিখে দিচ্ছি যেন তারা এ দু’টি তোমাকে দিয়ে দেয়।”রাবী বলেন, সে ব্যক্তি এতে রাজি হলো না। আদী এতে ক্রোধান্বিত হয়ে বললেনঃ “আল্লাহর কসম! আমি তোমাকে কিছুই দিব না।” পরে লোকটি রাজি হয়ে গেল। তখন তিনি বললেনঃ “জেনে রেখো, আল্লাহর কসম! আমি যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ কথা বলতে না শুনতাম যে, যে ব্যক্তি কোন ব্যাপারে কসম করে, অতঃপর তা অপেক্ষা বেশি আল্লাহর ভয়সম্পন্ন বিষয় দেখে, তবে সে যেন তাকওয়াপূর্ণ বিষয়টিই করে, তাহলে আমি আমার কসম ভঙ্গ করতাম না।”
৪১৬৮
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কসম করে, এরপর অন্যটিকে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন উত্তমটিই করে এবং কসম ছেড়ে দেয়।
৪১৬৯
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আদী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কসম করে, এরপর তার চেয়ে উত্তম কিছু দেখে, তবে সে যেন তার কাফফারা আদায় করে এবং তাই যেন করে যা উত্তম।
৪১৭০
যে ব্যক্তি কোন বিষয়ে কসম করে, অতঃপর এটা না করাই উত্তম মনে করলে তা-ই করবে আর কসমের কাফফারাহ দিয়ে দিবে। পরিচ্ছেদ নাই
আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ)
তিনি নবী (ﷺ)-কে উক্ত হাদীসের অনুরূপ বলতে শুনেছেন।