৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪১৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪১২১
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন দীনার, দিরহাম, বকরী বা উট রেখে যাননি এবং কোন কিছুর ওসিয়ত করেননি।
৪১২২
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
যুহায়র ইবনু হার্‌ব, ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ্‌, ইসহাক্‌ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ)
আ’মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪১২৩
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ
তাঁরা আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে উল্লেখ করেন যে, আলি (রাঃ) তো রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওসিয়তের ব্যাপারে দায়িত্ববান ছিলেন। তিনি বললেন, কখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে ওসিয়ত করেছেন? আমি তো তাঁকে (নবী (ﷺ)-কে) আমার বুকে ভর দিয়ে রেখেছিলাম, অথবা বলেছেন, আমার কোলে; তখন তিনি একটি তশত চাইলেন, এরপর আমার কোলে ঢলে পড়েন। আমি বুঝতেও পারিনি যে, তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি কখন ওসিয়ত করলেন?
৪১২৪
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রাঃ)
কোন এক সময় ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, বৃহস্পতিবার দিন, হায়রে বৃহস্পতিবার দিন! বলে তিনি কেঁদে ফেলেন। এমনকি তাঁর অশ্রুধারায় কংকর ভিজে যায়। আমি বললাম, হে আবূ আব্বাস! বৃহস্পতিবার দিনের ব্যাপার কী? তিনি বললেন, সেদিন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর রোগ বেড়ে যায়। তখন তিনি বললেন, “আমার নিকট এসো, আমি তোমাদের এমন একটি লিপি লিখে দিই, যাতে আমার পরে তোমরা আর পথহারা হবে না।”তখন উপস্থিত সাহাবীগণ পরস্পর বিতর্কে লিপ্ত হলেন। অথচ নবী (ﷺ)-এর কাছে তর্কবিতর্ক করা উচিত নয়। তারা বললেন, নবী (ﷺ)-এর অবস্থা কী হলো? তিনি তা অর্থহীন বলতে পারেন না? তোমরা তাঁর কথা বুঝার চেষ্টা কর।রাবী বলেন, নবী (ﷺ) বললেন, “তোমাদের তিনটি বিষয়ে ওয়াসিয়্যাত করছি, মুশরিকদেরকে আরব উপদ্বীপ থেকে বহিষ্কার কর। প্রতিনিধি (আগন্তুক) দলকে উপঢৌকন দাও, যেমনি আমি তাদেরকে উপহার দিতাম।” বর্ণনাকারী বললেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) তৃতীয়টা থেকে নীরব থাকেন অথবা তিনি বলেছেন, কিন্তু তা ভুলে গেছি।আবূ ইসহাক (রহঃ) বলেন, হাসান ইবনু বিশর (রহঃ) সুফইয়ান (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
৪১২৫
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
তিনি কোন এক সময় বললেন, বৃহস্পতিবার দিন, আর কী সে বৃহস্পতিবার দিন! এরপর তাঁর অশ্রু প্রবাহিত হতে থাকে। এমন কি, আমি দেখলাম যে, তাঁর উভয় গালের উপরে যেন মুক্তার লহরী। রাবী বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “আমার কাছে হাড় ও দোয়াত নিয়ে আস, অথবা বলেছেন কাষ্ঠফলক ও দোয়াত। আমি তোমাদের এমন একটি কিতাব লিখে দিব যে, এরপর আর তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না।” অতঃপর তারা বললো, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় অনিচ্ছাকৃত) কথা বলছেন?
৪১২৬
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মৃত্যুশয্যায় ছিলেন এবং ঘরে বেশ লোক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উমর ইবন খাত্তাবও ছিলেন। তখন নবী (ﷺ) বললেন, “এসো, আমি তোমাদের এক কিতাব লিখে দিই। এরপরে আর তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না।”উমর (রাঃ) বললেন, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অসুস্থতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তোমাদের কাছে কুরআন বর্তমান আছে। আল্লাহর কিতাব আমাদের জন্যে যথেষ্ট।”তখন ঘরের লোকজনের মধ্যে বিতর্ক শুরু হয় এবং তারা ঝগড়ায় লিপ্ত হন। তাদের কেউ কেউ বলেন, “তোমরা (কাগজ) কাছে নিয়ে এসো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাদের এমন এক কিতাব লিখে দিবেন, যার পরে আর তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না।” আর কেউ কেউ সে কথা বলেন, যা উমর (রাঃ) বলেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে যখন তাদের এ ঝগড়া ও কথা কাটাকাটি বৃদ্ধি পায়, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তোমরা উঠে যাও।”উবাইদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, এরপর থেকে ইবন আব্বাস (রাঃ) আক্ষেপ করে বলতেন, “বিপদ সে যে কত বড় বিপদ! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাদের জন্য সে কিতাব লিখে দেয়ার মাঝখানে তাদের মতবিরোধ ও ঝগড়া যে অন্তরায় হয়ে পড়ল।
৪১২৭
মানৎ পূর্ণ করার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
সাদ ইবন উবাদা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট সে মানতের কথা জিজ্ঞেস করেন, যা তাঁর মায়ের যিম্মায় ছিল, কিন্তু তিনি তা পূর্ণ করার আগেই মারা যান। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তুমি তাঁর পক্ষ থেকে তা আদায় কর।”
৪১২৮
মানৎ পূর্ণ করার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আব্‌দ ইবনু হুমায়দ ও ‘উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ)
ইয়াহিয়া ইবনু ইয়াহিয়া, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবা, ‘আমর আন নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহিম, হারমালা ইবনু ইয়াহিয়া, আবদ ইবনু হুমায়দ ও উসমান ইবনু আবূ শাইবা (রহঃ) সবাই যুহরী (রহঃ)-এর সূত্রে লায়স (রহঃ)-এর বর্ণিত সানাদের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন।
৪১২৯
মানৎ করার নিষেধাজ্ঞা, আর তা কিছু ফিরিয়ে দেয় না পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন এক সময় আমাদেরকে মানত করতে বারণ করতেন এবং বলতেন যে, তা (তাকদীরের) কিছুই ফিরিয়ে দেয় না। তবে এর মাধ্যমে কৃপণের হাত থেকে কিছু বের করা হয়।
৪১৩০
মানৎ করার নিষেধাজ্ঞা, আর তা কিছু ফিরিয়ে দেয় না পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেন, মানত কোন কিছুকে না এগিয়ে আনতে পারে, আর না পিছিয়ে দিতে পারে। তবে এর মাধ্যমে কৃপণ থেকে কিছু (মাল) বের করা হয়।