৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪১২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪১১১
মৃতের জন্যে দান-খয়রাতের সওয়াব পৌঁছা পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরা (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলো, আমার পিতা মারা গেছেন এবং তিনি কিছু সম্পদ রেখে গেছেন; কিন্তু ওয়াসিয়ত করেননি। তার পক্ষ থেকে সদাকা করা হলে কি তার গুনাহ ক্ষমা হবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
৪১১২
মৃতের জন্যে দান-খয়রাতের সওয়াব পৌঁছা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-কে বললো, আমার মা হঠাৎ মারা গেছেন। তাঁর ব্যাপারে আমি ধারণা করি, তিনি যদি কথা বলতে পারতেন তবে সদাকা করতেন। আমি যদি তাঁর পক্ষে সদাকা করি, তবে কি আমার এ কাজের কোন সওয়াব হবে? নবী (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ।
৪১১৩
মৃতের জন্যে দান-খয়রাতের সওয়াব পৌঁছা পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললো, “হে আল্লাহর রসূল! আমার মা হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেন এবং কোন ওসিয়ত করেননি। তাঁর প্রতি আমার ধারণা যে, যদি তিনি কথা বলার সুযোগ পেতেন তবে সদাকা করতেন। আমি যদি তাঁর পক্ষে সদাকা করি, তবে কি তিনি সওয়াব পাবেন?” নবী (ﷺ) বললেন, “হ্যাঁ।”
৪১১৪
মৃতের জন্যে দান-খয়রাতের সওয়াব পৌঁছা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ কুরায়ব হাকাম ইবনু মুসা, উমাইয়াহ্‌ ইবনু বিসতাম ও আবু বাক্‌র ইবনু আবূ শাইবাহ্‌ (রহঃ)
আবু কুরায়ব, হাকাম ইবন মুসা, উমাইয়্যা ইবন বিসতাম ও আবু বাকর ইবন আবু শাইবা (রহঃ) ... এ সকল সূত্রে হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে হাদিসটি উল্লেখ করেন।তবে উসামা ও রাওহ (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদিসে আছে, আমার কি সাওয়াব হবে? যেমন বলেছেন, ইয়াহিয়া ইবন সাঈদ। আর শু‘আয়ব ও জা‘ফার (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, তাঁর কি সাওয়াব হবে? যেমন রয়েছে ইবন বিশরের রিওয়ায়াতে।
৪১১৫
মানুষের মৃত্যুর পর যে সকল জিনিসের সাওয়াব তার কাছে পৌঁছে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যখন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিন প্রকার আমল ছাড়া।১. সদাকা জারিয়া অথবা২. এমন ইলম যার দ্বারা উপকার হয় অথবা৩. পুণ্যবান সন্তান যে তার জন্যে দোয়া করতে থাকে।
৪১১৬
ওয়াক্‌ফ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু 'উমার (রাঃ)
উমর (রাঃ) খাইবারে একখণ্ড জমি লাভ করেন। তখন এ সম্পর্কে পরামর্শের জন্য তিনি নবী (ﷺ)-এর নিকট আসেন এবং বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি খাইবারে এমন একখণ্ড জমি লাভ করেছি যে, এর চেয়ে উৎকৃষ্টতর সম্পদ আমি কখনও লাভ করিনি। আপনি এ সম্পর্কে আমাকে কী নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, তুমি যদি চাও, তবে তার মূল মালিকানা রেখে তা সদাকা করতে পার। রাবী বলেন, তারপর উমর (রাঃ) তা সদাকা করে দেন এ শর্তে যে, এর মূলস্বত্ব বিক্রি করা যাবে না, খরিদ করা যাবে না, উত্তরাধিকার সূত্রে লাভ করা যাবে না এবং দানও করা যাবে না। সুতরাং উমর (রাঃ)-এর আয় দরিদ্র, আত্মীয়, দাস মুক্তি, জিহাদ, পথিক ও মেহমানের উদ্দেশ্যে সদাকা করে দেন। অবশ্য যে ব্যক্তি এর তত্ত্বাবধায়ক হবে তার জন্য এর থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ খাওয়া বা কোন বন্ধু-বান্ধবকে খাওয়ানো দোষণীয় হবে না, যদি সে এর থেকে সঞ্চয় না করে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি হাদিসটি মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করতে গিয়ে যখন এ স্থানে পৌঁছি, غَيْرَ مُتَمَوِّلٍ فِيهِ (যদি সে এর থেকে সঞ্চয়কারী না হয়,) তখন মুহাম্মাদ (রহঃ) বললেন غَيْرَ مُتَأَثِّلٍ مَالاً (সম্পদ সঞ্চয়কারী হবে না।) ইবনু আওন (রহঃ) বলেন, এ কিতাব যিনি পড়েছেন তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে, এ স্থলে রয়েছে غَيْرَ مُتَأَثِّلٍ مَالاً।
৪১১৭
ওয়াক্‌ফ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আওন (রহঃ)
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ, ইসহাক ও মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... সূত্রে ইবনু আওন (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে হুবহু বর্ণনা করেছেন।তবে ইবনু আবু জায়িদা ও আযহার (রহঃ)-এর হাদিস এ পর্যন্ত এসে শেষ হয়েছে যে, “অথবা কোন বন্ধু-বান্ধবকে খাওয়ায় এতে সঞ্চয়কারী না হয়ে”, পরের অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু আদি (রহঃ)-এর হাদিসে তাই আছে, যা সুলাইম (রহঃ) উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ “অতঃপর আমি এ হাদিসটি মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করি ... শেষ পর্যন্ত।”
৪১১৮
ওয়াক্‌ফ পরিচ্ছেদ নাই
উমার (রাঃ)
আমি খাইবারের এলাকায় একখণ্ড জমি লাভ করি। তখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে বলি, আমি এমন একখণ্ড জমি লাভ করেছি, যার চেয়ে বেশি প্রিয় এবং আমার কাছে উত্তম কোন মাল আর পাইনি। রাবী এ হাদীসে পরবর্তী অংশ অন্যান্যের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ কথা বর্ণনা করেননি যে, অতঃপর আমি মুহাম্মাদ (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করি এবং এর পরেরটুকু।
৪১১৯
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
তালহাহ্‌ ইবনু মুসার্‌রিফ (রহঃ)
আমি আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি ওয়াসিয়্যাত করেছিলেন? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে কেন মুসলিমদের উপর ওয়াসিয়্যাত ফরজ করা হলো? অথবা বললেন, কিভাবে তাদেরকে ওয়াসিয়্যাতের হুকুম দেয়া হলো? তিনি বললেন, নবী (ﷺ) ওয়াসিয়্যাত করেছেন, আল্লাহ তা’আলার কিতাব সম্পর্কে (আমল করতে)।
৪১২০
যার কাছে ওয়াসিয়্যাতযোগ্য কিছু নেই, তার ওয়াসিয়্যাত না করা পরিচ্ছেদ নাই
মালিক ইবনু মিগওয়াল (রহঃ)
মালিক ইবন মিগওয়াল (রহঃ)-এর সূত্রে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। অবশ্য ওয়াকী (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে- আমি বললাম, “তাহলে কী করে মানুষকে ওয়াসিয়াতের হুকুম করা হলো”? আর ইবন নুমায়ের (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, আমি বললাম, কিভাবে মুসলিমদের উপর ওয়াসিয়াত ফরজ হলো?