৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪০৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪০৮১
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যদি কোন ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তি এবং তাঁর উত্তরসূরীদেরকে আজীবন ভোগ করার জন্য কিছু দান করে, তাহলে সে যেন তার কথা দ্বারা তার মধ্যে স্বীয় অধিকার তুলে নিল এবং সে বস্তু তারই হবে যার জন্যে দান করা হয়েছে এবং তা হবে তার উত্তরসূরীদের জন্যেও।অবশ্য ইয়াহিয়া তাঁর হাদীসের প্রথম অংশে বলেছেন, যদি কোন ব্যক্তিকে আজীবনের জন্যে দান করা হয়, তবে তার ও পরবর্তী উত্তরসূরীদের জন্যে হয়ে যাবে।
৪০৮২
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন ব্যক্তি কাউকে তার সারা জীবনের জন্য এবং তার সন্তানাদির জন্য দান করে, এরূপ বলে যে, “আমি তোমাকে তা দিলাম এবং তোমার সন্তানদেরকে যতদিন পর্যন্ত তোমাদের মধ্যে কেউ জীবিত থাকে, তবে তা তারই হয়ে যাবে যাকে দান করা হল। তা তার মালিকের নিকট আর ফিরে আসবে না। কারণ, সে এমনভাবে দান করেছে যার মধ্যে উত্তরাধিকার প্রবর্তন হয়ে গেছে।”
৪০৮৩
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইসহাক্ ইবনু ইবরাহীম ও ‘আব্দ ইবনু হুমায়দ (রাঃ)
‘আজীবন কালের জন্যে দান’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কার্যকরী বলে গণ্য করেছেন, তা হল এই যে, সে বলে, “এ তোমার ও তোমার উত্তরাধিকারীদের জন্যে।” কিন্তু সে যদি বলে যে, এ তোমার জন্য যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে, তবে তা তার মালিকের নিকট ফিরে আসবে (প্রদত্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর)।মা’মার বলেন, যুহরী এ ফাতওয়াই দিতেন।
৪০৮৪
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
কোনো ব্যক্তি এবং তার উত্তরাধিকারীদের উদ্দেশে সারা জীবনের জন্য যা দান করা হয়, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফায়সালা দিয়েছেন যে, সেটি তার জন্যে চিরস্থায়ী হবে। তাতে কোনো শর্ত বা ব্যতিক্রম কিছু করা দাতার জন্যে বৈধ নয়।রাবী আবু সালামা (রহঃ) বলেন, এর কারণ, সে এমনভাবে দান করেছেন যার মধ্যে উত্তরাধিকার প্রযোজ্য হয়েছে। তাই মীরাস তার শর্ত কেটে দিয়েছে।
৪০৮৫
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, উমরা (আজীবনের জন্য দান) টি তারই প্রাপ্য, যাকে তা দান করা হয়েছে।
৪০৮৬
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ পূর্বের হাদিসটি অনুরূপ।
৪০৮৭
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আহমাদ ইবনু ইউনুস, যুহায়র, আবূ যুবায়র, জাবির (রাঃ) নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আহমাদ ইবন ইউনুস, যুহাইর, আবু যুবাইর, জাবির (রাঃ) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন।
৪০৮৮
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের সম্পত্তি ধরে রেখো, তা বিনষ্ট করো না। নিশ্চয় যে ব্যক্তি সারাজীবনের জন্য দান করে, তবে তা তারই হয়ে যাবে, যাকে দান করা হলো, জীবিত অবস্থায় ও মৃত অবস্থায় এবং তার পরবর্তী উত্তরাধিকারীদের জন্য।
৪০৮৯
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ) সুত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
উপরে উল্লিখিত আবূ খাইসামার হাদিসের অর্থানুযায়ী। তবে আইয়ূবের বর্ণনায় কিছু বাড়তি রয়েছে। আনসারগণ মুহাজিরদেরকে আজীবনের জন্যে দান করতেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা তোমাদের সম্পদ নিজেদের জন্যে সংরক্ষিত রাখো।
৪০৯০
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
মদিনার জনৈকা মহিলা তার একটা বাগান তার এক পুত্রকে আজীবনের জন্য দান করেন। পরে পুত্রটি মারা যায় এবং তারপরে মহিলাটিও মারা যান। পুত্র নিজে একটি সন্তান রেখে যায়। আর তার ছিল কয়েকজন ভাই, যারা দানকারিণীর পুত্র। তারপর দানকারিণীর পুত্র বলল, বাগানটি আমাদের কাছে ফিরে এসেছে। আর যাকে দান করা হয়েছিল তার পুত্ররা বলল, বরং এ ছিল আমার পিতার, তার জীবদ্দশায় ও মৃত অবস্থায়। এরপর তারা উসমান (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম তারিক (রহঃ)-এর নিকট ফায়সালা চাইলেন। তিনি জাবির (রাঃ)-কে ডেকে পাঠালেন। জাবির (রাঃ) সাক্ষ্য দেন, জীবিতকালীন দান তারই প্রাপ্য, যাকে দান করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ নির্দেশ দিয়েছেন। তারিক তদনুযায়ী ফায়সালা দেন।তারপর তিনি খলীফা আবদুল মালিককে এ ঘটনা লিখে জানান এবং জাবিরের সাক্ষ্য দান সম্পর্কেও তাঁকে অবগত করেন। আবদুল মালিক বলেন, জাবির (রাঃ) সত্যই বলেছেন। পরে তারিক (রহঃ) এ হুকুম জারি করেন। কাজেই বাগানটি আজ পর্যন্ত দানকৃত ব্যক্তির বংশধরদের অধিকারে রয়েছে।