৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪০৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪০৭১
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্
উক্ত সনদে হাদিস বর্ণনা করেন। তবে ইউনুস ও মা‘মার (রহঃ)-এর বর্ণনায় أَكُلَّ بَنِيكَ এবং লায়স ও ইবনু উয়াইনাহ (রহঃ)-এর বর্ণনায় أَكُلَّ وَلَدِكَ এবং মুহাম্মাদ ইবনু নু‘মান ও হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান থেকে লায়স এর বর্ণনায় “বশীর নু‘মানকে সাথে নিয়ে আসে” বলা হয়েছে।
৪০৭২
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
তাঁকে তাঁর পিতা একটি গোলাম দান করেন। নবী (ﷺ) তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, এ গোলামটি কিসের? তিনি বললেন, একে আমার পিতা আমাকে দান করেছেন। নবী (ﷺ) বললেন, তাঁর সকল ভাইদেরকে তুমি দিয়েছো কি, যেভাবে একে দিয়েছো? তিনি বললেন, না। নবী (ﷺ) বললেন, তাহলে তা ফিরিয়ে নাও।
৪০৭৩
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
“আমাকে আমার পিতা তার সম্পদ থেকে কিছু প্রদান করেন। আমার মা আমরা বিনত রাওয়াহা (রাঃ) বললেন, আমি সন্তুষ্ট হতে পারছি না, যতক্ষণ না আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সাক্ষী রাখেন।এরপর আমার পিতা আমাকে নিয়ে নবী (ﷺ)-এর নিকট আসেন, আমার দানের উপর তাঁকে সাক্ষী রাখার জন্যে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বললেন, এরূপ কাজ কি তুমি তোমার আর সব পুত্রদের সঙ্গে করেছ? তিনি বললেন, না। নবী (ﷺ) বললেন, আল্লাহকে ভয় কর এবং তোমার সন্তানদের মধ্যে ন্যায় বিচার কর। তখন আমার পিতা চলে আসেন এবং সে দান ফিরিয়ে নেন।”
৪০৭৪
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
তাঁর মা বিনতু রাওয়াহা (রাঃ) তাঁর পিতার নিকট স্বীয় পুত্রের জন্যে তাঁর সম্পদ থেকে কিছু দান করার অনুরোধ করলেন। এক বছর যাবৎ তিনি এ ব্যাপারে গড়িমসি করেন। পরে তা দেয়ার ইচ্ছা জাগল। বিনতু রাওয়াহা (রাঃ) বললেন, “আমার পুত্রকে যা দিবেন তার উপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সাক্ষী না রাখা পর্যন্ত আমি খুশি হবো না।”তখন আমার পিতা আমার হাত ধরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আসলেন। সে সময় আমি বালক ছিলাম। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! এর মা বিনতু রাওয়াহা চায় যে, আমি তাঁর পুত্রকে যা দান করেছি আপনাকে তার সাক্ষী রাখি।”রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “হে বাশীর! এ ছাড়া তোমার কি আর কোন পুত্র আছে?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “তুমি কি তাদের সকলকে এরূপ দান করেছ?” তিনি বললেন, “না।” তখন তিনি বললেন, “তাহলে আমাকে সাক্ষী রেখো না। কারণ, আমি জুলুমের ব্যাপারে সাক্ষী হই না।
৪০৭৫
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “এ ছাড়া কি তোমার আরও পুত্র আছে?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “তাদের সবাইকে কি এভাবে দান করেছ?” বললেন, “না।” তিনি বললেন, “তাহলে আমি যুলুমের ব্যাপারে সাক্ষী হবো না।”
৪০৭৬
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পিতাকে বললেন, “আমাকে অন্যায় কাজের ব্যাপারে সাক্ষী রেখো না।”
৪০৭৭
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
আমার পিতা আমাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উদ্দেশে রওয়ানা করলেন। তারপর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আপনি সাক্ষী থাকুন, আমি নুআমানকে আমার সম্পদ থেকে অমুক অমুক বস্তু দান করেছি। তিনি বললেন, তোমার সকল পুত্রকেও কি তুমি তা দান করেছ, যেরূপ নুআমানকে দান করেছ? তিনি বললেন, না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাহলে আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে এর সাক্ষী রাখো। তারপর বললেন, তুমি কি এটা চাও যে, তারা সবাই তোমার প্রতি সদ্ব্যবহার করুক? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তাহলে এরূপ করো না।
৪০৭৮
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)
আমার পিতা আমাকে কোন এক জিনিস দান করেন। পরে তিনি আমাকে সাথে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গমন করেন তাঁকে সাক্ষী রাখার জন্যে। তিনি বললেন, “তোমার সকল পুত্রকে কি এভাবে দান করেছ?” তিনি (আমার পিতা) বললেন, না। তিনি (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)) বললেন, “তুমি কি তাদের থেকে উত্তম ব্যবহার আশা করো না? যেমন আশা করো এর থেকে?” তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তাহলে আমি সাক্ষী হবো না।”ইবনু আওন বলেন, আমি এ হাদীসটি মুহাম্মাদের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আমার নিকট হাদীস বর্ণনা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “তোমরা তোমাদের সন্তানদের মধ্যে ন্যায় বিচার করো।”
৪০৭৯
দানে সন্তানদের মধ্যে কাউকে প্রাধান্য দেয়া মাকরুহ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
বাশীরের স্ত্রী তাকে বলেন, “আমার পুত্রকে আপনার গোলামটি দান করে দিন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার পক্ষে সাক্ষী রাখুন।”তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, “অমুকের কন্যা (আমার স্ত্রী) আমার কাছে আবেদন করেছে, যেন আমি তার পুত্রকে আমার গোলামটি দান করে দেই। আর সে বলেছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে আমার পক্ষে সাক্ষী করুন।”তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “তার কি আরও ভাই আছে?”তিনি বললেন, “হ্যাঁ।”এরপর তিনি (ﷺ) বললেন, “তাদের সকলকে কি প্রদান করেছ, যেরূপ ওকে দিচ্ছ?”তিনি বললেন, “না।”রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তাহলে এটি সঠিক কাজ হবে না। আর অন্যায় কাজে আমি সাক্ষী হব না।
৪০৮০
উমরার [২১] বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে এবং তাঁর ওয়ারিসদেরকে আজীবন ভোগ করার জন্য কিছু দান করে, তবে যাকে তা দান করেছে তা তারই হয়ে যাবে। এরপরে যে দান করেছে তা তাঁর কাছে ফিরে আসবে না। কেননা, সে এমনভাবে দান করেছে, যাতে ওয়ারিসগণ তা পেয়ে গেছে।