৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪০৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪০৩১
মতবিরোধ দেখা দিলে রাস্তার পরিমাণ কী হবে? পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা রাস্তার ব্যাপারে মতবিরোধ করবে তখন তা সাত হাত প্রশস্ত করতে হবে।
৪০৩২
অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও, তারপর যা থাকবে তা নিকটতম পুরুষদের (আসাবা) পরিচ্ছেদ নাই
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের ওয়ারিস হবে না এবং কাফিরও কোন মুসলিমের ওয়ারিস হবে না।
৪০৩৩
অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও, তারপর যা থাকবে তা নিকটতম পুরুষদের (আসাবা) পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অংশীদারদের নির্ধারিত প্রাপ্য অংশ দিয়ে দাও। অতঃপর যা অবশিষ্ট থাকে তা (আসাবা হিসেবে) নিকটতম পুরুষ লোকের প্রাপ্য।
৪০৩৪
অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও, তারপর যা থাকবে তা নিকটতম পুরুষদের (আসাবা) পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ প্রদান কর। তারপর যে অংশ অবশিষ্ট থাকবে তা নিকটতম পুরুষের প্রাপ্য।
৪০৩৫
অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও, তারপর যা থাকবে তা নিকটতম পুরুষদের (আসাবা) পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সম্পদ অংশীদারদের মধ্যে আল্লাহর কিতাবের ফয়সালা অনুযায়ী বণ্টন কর। তারপর যে অংশ অবশিষ্ট থাকে তা নিকটতম পুরুষের প্রাপ্য।
৪০৩৬
অংশীদারদের নির্ধারিত অংশ তাদেরকে দিয়ে দাও, তারপর যা থাকবে তা নিকটতম পুরুষদের (আসাবা) পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু তাউস (রহঃ)
ইবনু তাউস (রহঃ)-এর সূত্রে উপর্যুক্ত হাদিস, ওহাইব ও রাওহ ইবন কাসিমের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৪০৩৭
কালালার [২০] উত্তরাধিকার সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)
আমি একবার অসুস্থ হয়ে পড়ি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও আবু বকর (রাঃ) পায়ে হেঁটে আমাকে দেখতে আসেন। আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ওযু করেন এবং ওযুর অবশিষ্ট পানি আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম, আর বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার সম্পদ কিরূপে বণ্টন করব? তিনি আমাকে কোন উত্তর দেননি, মীরাস সংক্রান্ত আয়াত (অর্থাৎ “লোকে আপনার নিকট ব্যবস্থা জানতে চায়, বলুন, পিতামাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্বন্ধে তোমাদেরকে আল্লাহ জানাচ্ছেন...”-(সূরা আন-নিসা ৪:১৭৬) নাযিল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।
৪০৩৮
কালালার [২০] উত্তরাধিকার সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) ও আবু বকর (রাঃ) পায়ে হেঁটে বানু সালামায় আমাকে দেখতে আসেন। তাঁরা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় পান। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পানি আনতে বলেন। এরপর তিনি ওজু করেন, তারপর তা থেকে কিছু পানি আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেলাম, আর বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার সম্পদ কিভাবে বণ্টন করবো? তখন এ আয়াত নাজিল হয় – “আল্লাহ তোমাদের সন্তানাদি সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান...............“- (সূরা আন-নিসা ৪:১১)।
৪০৩৯
কালালার [২০] উত্তরাধিকার সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে দেখতে আসেন। আমি রোগাক্রান্ত ছিলাম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আবু বকর (রাঃ)। তাঁরা উভয়েই পায়ে হেঁটে আসেন। তিনি এসে আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পান।এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ওযূ করেন এবং অবশিষ্ট পানির কিছু আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখতে পেলাম। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমি আমার সম্পদ কিভাবে বণ্টন করবো? আমাকে তিনি কোন উত্তর দিলেন না, যতক্ষণ না মীরাসের আয়াত নাযিল হয়।
৪০৪০
কালালার [২০] উত্তরাধিকার সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার কাছে আগমন করেন। আমি তখন রোগে জ্ঞানহারা হয়ে পড়ি। তারপর তিনি ওজু করেন। তাঁর ওজুতে ব্যবহৃত কিছু পানি লোকেরা আমার উপর ছিটিয়ে দেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কালালাহ অবস্থায় আমার মীরাস বণ্টন হবে। অতঃপর মীরাসের আয়াত অবতীর্ণ হয়। আমি মুহাম্মাদ ইবন মুনকাদিরকে বললাম (يَسْتَفْتُونَكَ قُلِ اللَّهُ يُفْتِيكُمْ فِي الْكَلاَلَةِ) ‏ তিনি বললেন, এমনটিই অবতীর্ণ হয়েছে।