৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৪০৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৪০২১
শুফ্’আহ্ (শরীক ব্যক্তি ক্রয়ের বেশী হকদার) পরিচ্ছেদ নাই
আবূ তাহির (রহঃ) জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: প্রতিটি শরীকি বিষয়ে শুফআর অধিকার আছে- জমি হোক বা বাড়ি অথবা প্রাচীর। বিক্রি করা তার পক্ষে বৈধ হবে না, শরীকের নিকট পেশ করা ব্যতীত। অতঃপর হয়ত সে গ্রহণ করবে অথবা পরিত্যাগ করবে। যদি সে না বলে তবে তার শরীকই সেটার বেশি অধিকারী যতদিন তাকে খবর দেয়া না হবে।
৪০২২
প্রতিবেশীর প্রাচীরের গায়ে কাঠ স্থাপন করা পরিচ্ছেদ নাই
আবু হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার প্রাচীরের গায়ে কাঠ স্থাপন করতে যেন আপন প্রতিবেশীকে বারণ না করে। এরপর আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, কী ব্যাপার! আমি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে অমনোযোগী দেখতে পাচ্ছি। আল্লাহর কসম! আমি অবশ্যই তা দিয়ে তোমাদের ঘাড়ে ছুঁড়ে মারবো।
৪০২৩
প্রতিবেশীর প্রাচীরের গায়ে কাঠ স্থাপন করা পরিচ্ছেদ নাই
যুহরী (রহঃ)
যুহরী (রহঃ) সূত্রে এ সনদে হুবহু হাদিস বর্ণনা করেন।
৪০২৪
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আম্‌র ইবনু নুফায়ল (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি কারও এক বিঘত (অর্ধহাত) জমি জবরদখল করবে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার গলায় সাত স্তর জমিন বেড়িরূপে পরিয়ে দেবেন।
৪০২৫
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফায়ল (রাঃ)
আরওয়া নামক এক মহিলা বাড়ির কিছু অংশ নিয়ে তার সাথে ঝগড়া বাধায়। সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমরা ওকে বলতে দাও এবং তার দাবীকৃত জমি ছেড়ে দাও। কারণ, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যে কেউ অন্যায়ভাবে এক বিঘত জমি জবর দখল করবে, কেয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি (তার গলায়) পরিয়ে দেয়া হবে। সাঈদ (রাঃ) আরো বললেন, হে আল্লাহ! ‘আরওয়া যদি মিথ্যাবাদিনী হয় তবে তার চোখ অন্ধ করে দিন এবং তার ঘরেই তার কবর করুন। রাবী বলেন, পরবর্তীকালে আমি আরওয়াকে অন্ধ অবস্থায় দেখেছি, প্রাচীরে প্রাচীরে সে আঘাত খেয়ে খেয়ে চলত। সে বলতো, সাঈদ ইবনে যায়দের বদদোয়া আমার লেগেছে। একদিন সে বাড়ির মধ্যে চলাচল করছিল। বাড়ির মধ্যে এক কুয়ার কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় সে তাতে পড়ে যায়, এবং কুয়াই তার কবর হয়।
৪০২৬
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
উরওয়াহ্‌ (রহঃ)
আরওয়া বিনত উওয়াইস সাঈদ ইবন যায়েদ (রাঃ)-এর উপর দাবি করেন যে, তিনি আরওয়ার জমির কিছু অংশ জবর দখল করেছেন। সে মারওয়ান ইবন হাকামের (উমাইয়াহ শাসক) নিকট এর বিচার দাবি করে। সাঈদ বললেনঃ আমি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর থেকে ঐ কথা শোনার পরে তার জমির কিছু অংশ জবর দখল করতে কেমন করে পারি? তিনি বললেন, আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে কী কথা শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি জোরপূর্বক দখল করবে কেয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি (তার গলায়) পরিয়ে দেওয়া হবে।মারওয়ান বললেন, এরপর আপনার নিকট আর প্রমাণের কথা জিজ্ঞেস করব না। এরপর সাঈদ বললেন, হে আল্লাহ! আরওয়া যদি মিথ্যাবাদিনী হয় তবে তার দুই চোখ অন্ধ করে দিন এবং তার জমিতে তাকে মৃত্যু দান করুন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর সে অন্ধ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেনি। পরে তার জমিতে চলার সময় হঠাৎ এক গর্তে পড়ে মারা যায়।
৪০২৭
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ)
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি জোরপূর্বক এক বিঘত পরিমাণ জমি দখল করবে, কেয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমির বেড়ি পরিয়ে দেয়া হবে।
৪০২৮
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেউ যদি এক বিঘত জমি না-হকভাবে জবর দখল করে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি পরিয়ে দেবেন।
৪০২৯
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ)
আবু সালামা (রাঃ) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন। তার ও তার গোত্রের মাঝে একটি জমি নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গমন করেন এবং তাঁকে সে বিষয়ে বলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আবু সালামা! জমি থেকে বেঁচে থাকো। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলছেনঃ যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি জুলুম করে নিবে তাঁকে সাত স্তর জমির বেড়ি পরানো হবে।
৪০৩০
যুল্‌ম করে জায়গা-জমি এবং অন্যান্য কিছু জোর পূর্বক দখল করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু ইব্‌রাহীম (রহঃ)
আবু সালামা (রাঃ) তাঁকে বলেছেন যে, তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হন। অতঃপর উক্ত রূপ বর্ণনা করেন।