৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৮৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৮৭১
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফলের মূল্য ছেড়ে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ যদি ফলের মধ্যে পূর্ণতা দান না করেন, তাহলে কিভাবে তোমাদের একজন অপর ভাইয়ের মাল বৈধ করবে?
৩৮৭২
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফলের মূল্য ছেড়ে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
নবী (ﷺ) প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ফলের মূল্য গ্রহণ না করতে নির্দেশ দিয়েছেন।ইব্রাহীম (রহঃ) সুফইয়ানের সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮৭৩
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা‘ঈদ খুদ্‌রী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময়ে এক ব্যক্তি ক্রয় করা ফল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক ঋণী হয়ে পড়ে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তোমরা তাকে সাহায্য কর।” লোকজন তাকে সাহায্য করল, কিন্তু প্রাপ্ত ঋণ পরিশোধের পরিমাণ হলো না। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার পাওনাদারদের বললেন, “যা তোমরা পেয়েছ তা গ্রহণ কর; এর অতিরিক্ত আর পাবে না।”
৩৮৭৪
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
বুকায়র ইবনুল আশাজ্জ (রহঃ)
বুকাইর ইবন আশজ (রহঃ) হতে উক্ত সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮৭৫
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা দরজার নিকটে দুই ব্যক্তির উচ্চ কণ্ঠে ঝগড়া শুনতে পান। তাদের একজন অন্যজনের নিকট কোন এক বিষয়ে অব্যাহতি দেয়ার ও সদয় হওয়ার আবেদন করছে। আর অপরজন বলছে যে, আল্লাহর শপথ! আমি তা করতে পারব না। এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বের হয়ে তাদের দু’জনের কাছে গেলেন এবং বললেন, পুণ্যের কাজ না করার জন্যে আল্লাহর নামে শপথকারী কোথায়? একজন বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি। এরপর তিনি বললেন, সে যেটি চায় করতে পারে।
৩৮৭৬
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আমলে একদা মসজিদের মধ্যে ইবনু আবু হাদরাদ নামক এক ব্যক্তির নিকট স্বীয় প্রাপ্য ঋণের তাগাদা করেন। উভয়ের আওয়াজ উচ্চ হতে থাকে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সে আওয়াজ ঘর থেকে শুনতে পান এবং ঘরের পর্দা উঠিয়ে বাইরে তাদের নিকট চলে আসেন। তিনি কা‘বকে ডেকে বললেন, “হে কা‘ব!” তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি উপস্থিত আছি।”রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাতের ইশারায় তাকে তার প্রাপ্য ঋণের অর্ধভাগ ক্ষমা করে দিতে বললেন। কা‘ব (রাঃ) বললেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাই করলাম।” রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (ঋণ গ্রহীতাকে) বললেন, “যাও অবশিষ্ট (বাকি অর্ধেক) পরিশোধ করো।”
৩৮৭৭
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)
তিনি একদিন আলী ইবনু আবু হাদরাদের নিকটে তাঁর প্রাপ্য ঋণের তাগাদা করেন। এরপর তিনি ইবনু ওয়াহবের বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮৭৮
ঋণের কিছু অংশ ছেড়ে দেয়া মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)
তিনি আব্দুল্লাহ ইবন আবু হাদরাদ আসলামী-র নিকট কিছু মাল পাওনা ছিলেন। তিনি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং শক্ত তাগাদা দেন। উভয়ে পরস্পর কথাবার্তা বলেন এবং এক পর্যায়ে শোরগোল সৃষ্টি হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উভয়ের কাছে এলেন এবং কা‘বকে ডেকে হাতের ইশারায় বললেন, অর্ধেক। সুতরাং কা‘ব (রাঃ) ঋণের অর্ধেক গ্রহণ করেন এবং অর্ধেক পরিত্যাগ করেন।
৩৮৭৯
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন অথবা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দেউলিয়া ঘোষিত কোন লোকের কাছে তার মাল অবিকলভাবে পায় কিংবা কোন মানুষের নিকট পায় যাকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়েছে তবে সে তার মাল ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় বেশী হকদার।
৩৮৮০
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াহ্ইয়া ইবনু ইয়াহ্ইয়া, কুতাইবাহ্ ইবনু সা‘ঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুম্হ রাবী’ ও ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাবীব..... আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্..... ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ)
ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে যুহাইর বর্ণিত হাদিসের অর্থ মিলে বর্ণনা করেন। আর তাদের মধ্যে কেবল ইবনু রুম (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন- কোন ব্যক্তি দেউলিয়া সাব্যস্ত হলে।