৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৮৭/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৮৬১
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
একদা নবী (ﷺ) উম্মু মু’বাশ্‌শির নাখীয়া নাম্নী এক আনসারী মহিলার খেজুর বাগানে প্রবেশ করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, এই খেজুর গাছ কি কোনো মুসলিম ব্যক্তি লাগিয়েছে, না কোনো কাফির ব্যক্তি? মহিলা উত্তর দিল মুসলিম। তিনি বললেন, “যে কোনো মুসলিম গাছ লাগায় বা ক্ষেত করে, আর তা থেকে মানুষ কিংবা জীব জন্তু অথবা অন্য কিছু ভক্ষণ করে, তবে তা তার পক্ষে দান স্বরূপ।”
৩৮৬২
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, কোন মুসলিম যদি বৃক্ষ রোপণ করে বা ক্ষেত করে, আর তা থেকে কোন হিংস্র জন্তু কিংবা পাখি অথবা অন্য কিছু খেয়ে নেয় তবে এর জন্যে সে সওয়াব পাবে। ইবনু আবু খালাফ (রহঃ) বলেছেন – পাখি বা এমন কিছু।
৩৮৬৩
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা উম্মু মাবাদের বাগানে ঢুকলেন। তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “হে উম্মু মাবাদ! এ গাছ কে লাগিয়েছে? কোনো মুসলিম ব্যক্তি, না কোনো কাফির?” সে জানাল, “মুসলিম।” তিনি বললেন, “কোনো মুসলিম যদি কোনো গাছ লাগায়, আর তা থেকে মানুষ কিংবা চতুষ্পদ জন্তু অথবা পাখি খেয়ে নেয়, তবে কেয়ামতের দিন পর্যন্ত তা তার জন্য সদাকা হিসাবে থাকবে।”
৩৮৬৪
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাক্র ইবনু আবূ শাইবাহ্,
তবে আম্মার (রহঃ) হতে আমর (রহঃ)-এর বর্ণনায় ও মু’আবিয়া (রহঃ) থেকে আবু বাকরের (রহঃ) বর্ণনায় উম্মু মুবাশ্বির (রাঃ)-এর নাম বাড়তি এসেছে। আর ইবনু ফুযাইলের বর্ণনায় যায়িদ ইবনু হারিসার স্ত্রী নাম যোগ করা হয়েছে। আর মু’আবিয়ার থেকে ইসহাকের যে বর্ণনা তাতে তিনি কখনও বা তার নাম বাদ দিয়েই বর্ণনা করেন। আর তাঁরা সকলেই নবী (ﷺ) থেকে ঐ রূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন, যেরূপ বর্ণনা করেছেন আতা (রহঃ), আবু যুবায়ের (রহঃ) ও আমর ইবনু দীনার (রহঃ)।
৩৮৬৫
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন মুসলিম যদি বৃক্ষ রোপণ কিংবা ফসল উৎপাদন করে আর তা থেকে পাখি কিংবা মানুষ অথবা চতুষ্পদ জন্তু কিছু খায় তবে তা তার পক্ষ থেকে সদাকা স্বরূপ হবে।
৩৮৬৬
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা উম্মু মুবাশির (রাঃ) এক আনসারি মহিলার খেজুর বাগানে গমন করেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জিজ্ঞেস করেন, “এ খেজুর গাছ কে লাগিয়েছে, কোন মুসলিম ব্যক্তি না কোন কাফির ব্যক্তি?” তারা বলল, “একজন মুসলিম।” এরপর উপরে উল্লিখিত রাবীদের বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮৬৭
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফলের মূল্য ছেড়ে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তুমি যদি তোমার কোন এক ভাইয়ের নিকট ফল বিক্রি করো, তারপর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তা বিনষ্ট হয়ে যায়, তবে তার থেকে কিছু আদায় করা তোমার জন্যে হালাল নয়। তোমার ভাইয়ের অর্থ না-হকভাবে কিরূপে গ্রহণ করবে?
৩৮৬৮
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফলের মূল্য ছেড়ে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
ইবনু জুরাইয (রহঃ) হতে উক্ত সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮৬৯
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফলের মূল্য ছেড়ে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাঃ)
খেজুরের রং পরিবর্তন হয়ে পরিপক্ব হওয়ার পূর্বে তা বিক্রি করতে নবী (ﷺ) নিষেধ করেছেন। আমরা আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রং পরিবর্তন হওয়া বলতে কী বোঝায়? তিনি বললেন, লাল রং বা হলদে রং ধারণ করা। বল তো দেখি, আল্লাহ যদি ফল নষ্ট করে দেন তবে কোন অধিকারে তোমার ভাইয়ের কাছ থেকে অর্থ কিরূপে হালাল করতে পার?
৩৮৭০
প্রাকৃতিক দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফলের মূল্য ছেড়ে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিষেধ করেছেন ফলের রং পরিবর্তন হওয়ার আগে বিক্রি করতে। তারা বলল, রং পরিবর্তন হওয়ার মানে কী? তিনি বললেন, লাল রং ধারণ করা। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ যদি ফল ক্ষতিগ্রস্ত করে দেন তাহলে কিসের বিনিময়ে তুমি তোমার ভাইয়ের অর্থ গ্রহণ করবে?