৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৮৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৮৮১
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
দেউলিয়া লোকের নিকট যদি কোন বস্তু পাওয়া যায় এবং স্থানান্তরিত না হয়ে থাকে তাহলে বিক্রেতাই ঐ বস্তুর প্রাপক।
৩৮৮২
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
যদি কোনো লোককে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয় আর কোনো লোক স্বীয় সম্পদ অবিকলভাবে তার কাছে পায়, তবে সে ব্যক্তিই তা পাওয়ার বেশি হক রাখে।
৩৮৮৩
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
কাতাদাহ (রহঃ)
কাতাদা (রহঃ) হতে উক্ত রূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য এ বর্ণনার শেষে বলা হয়েছে, “সে ব্যক্তিই অন্যান্য সকল পাওনাদারদের চেয়ে বেশি হকদার।”
৩৮৮৪
বিক্রিত মাল দেউলিয়া ঘোষিত ক্রেতার নিকট পাওয়া গেলে বিক্রেতা তা ফেরত নিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন লোক যখন দেউলিয়া হয়ে যায়, আর তার নিকট কোন মাল বিক্রেতা তার বিক্রীত মাল অপরিবর্তিত অবস্থায় পায় তখন সে-ই সে মাল পেতে বেশী হকদার।
৩৮৮৫
অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতের এক ব্যক্তির রুহের সাথে ফেরেশতাগণ সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করলেনঃ বিশেষ কোন সৎকাজ তুমি করেছ কি? সে বলল, না। তারা বললেনঃ মনে করে দেখো। সে বললঃ আমি মানুষের সাথে লেনদেন করতাম। তারপর অসচ্ছল ব্যক্তিদের সুযোগ দিতে ও সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতে আমি আমার লোকদের নির্দেশ দিতাম। নবী (ﷺ) বলেনঃ এরপর আল্লাহ তা‘আলা বললেনঃ “ওকে ছেড়ে দাও।”
৩৮৮৬
অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
রিবঈ ইবনু হিরাশ (রহঃ)
একদা হুজাইফা (রাঃ) ও আবু মাসউদ (রাঃ) একত্রিত হন। হুজাইফা (রাঃ) বললেন: এক ব্যক্তির তার প্রভু (আল্লাহ) সাথে সাক্ষাৎ হয়। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞাসা করেন, তুমি কী কী সওয়াবের কাজ করেছ? সে বলল: আমি তেমন কোন সৎকাজ করিনি; তবে আমি একজন ধনী লোক ছিলাম। আমি মানুষের কাছে পাওনা চাইতাম এভাবে যে, সচ্ছলদেরকে সময় দিতাম আর গরীবদেরকে মুক্ত করে দিতাম। এরপর আল্লাহ নির্দেশ দিলেন: আমার বান্দাকে মাফ করে দাও। আবু মাসউদ (রাঃ) বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এরূপই বলতে শুনেছি।
৩৮৮৭
অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্ (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
এক ব্যক্তি মৃত্যুর পর জান্নাতে প্রবেশ করে। তাকে জিজ্ঞেস করা হল তুমি কেমন আমল করতে? রাবী বলেনঃ এরপর সে স্মরণ করে বা তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। সে বললঃ আমি মানুষের সাথে কেনাবেচা করতাম। দরিদ্র লোকদেরকে আমি অবকাশ দিতাম এবং মুদ্রা বা টাকা মাফ করে দিতাম। এ কারণে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। এরপর আবু মাসউদ বলেনঃ এরূপই আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছি।
৩৮৮৮
অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
হুযাইফাহ্‌ (রাঃ)
আল্লাহ তার এমন এক বান্দাকে হাজির করা হয়, যাকে তিনি প্রচুর সম্পদ দান করেছিলেন। আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেন, দুনিয়ায় তুমি কী আমল করেছ? রাবী বলেন: আর আল্লাহর নিকট কেউ কোন কথা গোপন রাখতে পারে না। সে বলল: হে আমার রব! আপনি আপনার সম্পদ আমাকে দান করেছিলেন। আমি মানুষের সাথে ক্রয়-বিক্রয় করতাম। সুতরাং সচ্ছল ব্যক্তির সহিত আমি সহনশীলতা প্রদর্শন করতাম আর গরিবকে সময় দিতাম। আল্লাহ বললেন: এ ব্যাপারে (হে বান্দা) তোমার চেয়ে আমি অধিক যোগ্য। তোমরা আমার বান্দাকে ছেড়ে দাও। উকবা ইবন আমির জুহানি ও আবু মাসউদ আনসারি (রাঃ) বলেন, এরূপই আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর মুখ থেকে শুনেছি।
৩৮৮৯
অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মাস’ঊদ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের মধ্যে এক লোকের হিসেব গ্রহণ করা হয়, কিন্তু তার মধ্যে কোন প্রকার ভাল আমল পাওয়া যায়নি। কিন্তু সে মানুষের সাথে লেনদেন করত এবং সে ছিল সচ্ছল। তাই দরিদ্র লোকদের ক্ষমা করে দেয়ার জন্যে সে তার কর্মচারীদের নির্দেশ দিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আল্লাহ বললেনঃ এ ব্যাপারে (অর্থাৎ ক্ষমা করার ব্যাপারে) আমি তার চেয়ে অধিক যোগ্য। একে ক্ষমা করে দাও।
৩৮৯০
অসহায়কে সুযোগ দেয়ার ফযীলত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ এক লোক মানুষের সাথে লেনদেন করত। সে তার গোলামকে বলে দিত, তুমি যখন কোন অভাবগ্রস্তের কাছে যাবে তখন তাকে ক্ষমা করে দিবে। হয়ত আল্লাহ আমাদেরকেও ক্ষমা করে দিবেন। অতঃপর সে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে মিলিত হলো। আর আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিলেন।