৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৮৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৮৫১
কোন বিনিময় গ্রহণ ব্যতীতই জমি চাষাবাদ করতে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮৫২
কোন বিনিময় গ্রহণ ব্যতীতই জমি চাষাবাদ করতে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কারো ভূমি তার অপর ভাইকে নিঃস্বার্থভাবে চাষাবাদ করতে দেয়া নির্দিষ্ট পরিমাণ ফসলের বদলে নেয়ার চেয়ে উত্তম। রাবী বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ এটাকেই বলা হয় ‘হাকল’, আর আনসারদের পরিভাষায় বলা হয় ‘মুহাকালাহ’।
৩৮৫৩
কোন বিনিময় গ্রহণ ব্যতীতই জমি চাষাবাদ করতে দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
যার জমি আছে সে যদি তা অপর ভাইকে নিঃস্বার্থভাবে চাষাবাদ করতে দেয় তবে সেটি তার জন্য উত্তম।
৩৮৫৪
ফল এবং শস্যের একটি অংশের বিনিময়ে মুসাকাহ্ ও মু’আমালাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাইবারবাসীদের উৎপন্ন ফল-ফসলের আধাআধি শর্তে খাইবারের জমি বর্গা দিয়েছিলেন।
৩৮৫৫
ফল এবং শস্যের একটি অংশের বিনিময়ে মুসাকাহ্ ও মু’আমালাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাইবারের জমি উৎপন্ন ফল ও ফসলের অর্ধেক শর্তে দিয়েছিলেন। তিনি নিজ স্ত্রীদেরকে বছর প্রতি একশ’ ওসাক প্রদান করতেন। তন্মধ্যে আশি ওসাক খেজুর আর বিশ ওসাক যব। উমর (রাঃ) যখন খলীফা হন তখন খাইবারের জমি ভাগ করে দেন। তিনি নবী সহধর্মিণীদেরকে ইখতিয়ার দেন যে, তাঁরা ভূমি ও পানি নিবেন (অর্থাৎ নিজেদের দায়িত্বে চাষাবাদের ব্যবস্থা করবেন) অথবা বার্ষিক হারে ওসাক গ্রহণ করবেন। তাঁরা এ ব্যাপারে ভিন্ন ভিন্ন মত গ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে কেউ ভূমি ও পানি নিলেন আর কেউ বার্ষিক হারে ওসাক গ্রহণ করলেন। আয়িশা ও হাফসা (রাঃ) ভূমি ও পানি নিয়েছিলেন।
৩৮৫৬
ফল এবং শস্যের একটি অংশের বিনিময়ে মুসাকাহ্ ও মু’আমালাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ্‌ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খাইবারের জমি খাইবারবাসীদের উৎপন্ন শস্য ও ফলের অর্ধেকের শর্তে ব্যবস্থা দিয়েছিলেন। এরপর হাদীসটি আলী ইবন মুসলিহের বর্ণিত হাদীসের ন্যায় বর্ণনা করেন। তবে এ কথাটি তিনি উল্লেখ করেননি যে, আয়িশা ও হাফসা (রাঃ) জমি ও পানি নিয়েছিলেন। তিনি এ কথা বলেছেন যে, উমর (রাঃ) নবী (ﷺ) সহধর্মিণীদের ইখতিয়ার দেন জমি নিতে, তবে সেখানে পানির উল্লেখ করেননি।
৩৮৫৭
ফল এবং শস্যের একটি অংশের বিনিময়ে মুসাকাহ্ ও মু’আমালাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
খাইবার বিজয়ের পর ইয়াহুদীরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট নিবেদন করে তাদের শ্রমের বিনিময়ে তাদেরকে তথায় থাকতে দেয়ার জন্যে এই শর্তে যে, উৎপন্ন ফসল ও ফলের অর্ধেক তারা পাবে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উপরোক্ত শর্তে যতদিন আমরা চাই ততদিনের জন্যে থাকার অনুমতি দিলাম।এরপরে আবদুল্লাহ থেকে ইবনু নুমায়র ও ইবনু মুসহিরের বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাতে এতটুকু বাড়তি আছে যে, খাইবারের প্রাপ্ত ফলকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হত। আর তা থেকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পাঁচ ভাগের এক ভাগ গ্রহণ করতেন।
৩৮৫৮
ফল এবং শস্যের একটি অংশের বিনিময়ে মুসাকাহ্ ও মু’আমালাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
’আবদুল্লাহ্ ইবনু ’উমার (রাঃ) সুত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
খায়বারের বাগান ও জমিন খায়বারের ইয়াহুদীদেরকে এ শর্তে প্রদান করেন যে, তারা নিজেদের মাল খরচ করে তাতে কাজ করবে, আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার ফলের অর্ধেক প্রাপ্ত হবেন।
৩৮৫৯
ফল এবং শস্যের একটি অংশের বিনিময়ে মুসাকাহ্ ও মু’আমালাহ্ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ’উমার (রাঃ)
উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এটি ইয়াহুদী ও নাসারাদেরকে হিজাজের মাটি থেকে বিতাড়িত করে দেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন খাইবার জয় করেন তখন তিনি তাদের তথা হতে বের করে দিতে চেয়েছিলেন। খাইবার যখন বিজিত হলো তখন তা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুসলিমদের সম্পত্তি হিসেবে পরিণত হয়। তাই তিনি (ﷺ) ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করার ইচ্ছা পোষণ করেন।পরে ইয়াহুদীরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে তথায় তাদের থাকার অনুমতি প্রার্থনা করে এই শর্তে যে, তারা শ্রম বিনিয়োগ করবে এবং উৎপাদিত ফলের অর্ধেক নিবে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ যতদিন এ শর্তের উপর আমাদের ইচ্ছা, থাকার অনুমতি দিলাম। এরপর তারা তথায় রয়ে গেল। পরে উমর (রাঃ) তাদের তায়মা ও আরীহায় বিতাড়িত করেন।
৩৮৬০
ফলজ বৃক্ষ রোপন ও ফসল ফলানোর ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে কোন মুসলিম ফলজ বৃক্ষ রোপণ করবে তা থেকে যা কিছু খাওয়া হয় তা তার জন্য দান স্বরূপ, যা কিছু চুরি হয় তাও দান স্বরূপ, বন্য জন্তু যা খেয়ে নেয় তাও দান স্বরূপ। পাখি যা খেয়ে নেয় তাও দান স্বরূপ। আর কেউ কিছু নিয়ে গেলে তাও তার জন্য দান স্বরূপ।