৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৮১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৮০১
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিষেধ করেছেন- অতঃপর তিনি উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
৩৮০২
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুখাবারাহ, মুহাকালাহ, মুযাবানাহ এবং খাওয়ার যোগ্য হওয়ার পূর্বেই ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আর দিরহাম ও দীনারের বিনিময়েই কেবল ফল বিক্রি করা যাবে, কিন্তু ‘আরায়া প্রক্রিয়াটি স্বতন্ত্র (অর্থাৎ এতে ফলের বদলে ফল বিক্রয় চলবে)।আতা (রহঃ) বলেন: ক্রয়-বিক্রয়ের ঐ ধরণগুলো সম্পর্কে জাবির (রাঃ) আমাদেরকে খুলে বলেছেন; মুখাবারাহ হলো: এক ব্যক্তিকে শস্যহীন শুন্য ক্ষেত প্রদান করা হয়। এরপর সে তাতে ফসল উৎপন্ন করে তারপর মালিক উৎপন্ন ফসলে অংশগ্রহণ করে।আর মুযাবানাহ হলো- গাছের মাথায় থাকা তাজা খেজুর অনুমানে পরিমাপ করে খুরমার বিনিময়ে বিক্রি করা। আর মুহাকালাহ ফসলের মধ্যে অনুরূপ পদ্ধতিতে হয়ে থাকে অর্থাৎ ক্ষেতের বিদ্যমান শস্যকে অনুমানে পরিমাপ করে ঘরে রাখা শস্যের বিনিময়ে বিক্রি করা।
৩৮০৩
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুহাকালাহ, মুযাবানাহ, মুখাবারাহ এবং খেজুর লাল বা হলুদ অথবা খাদ্যোপযোগী হওয়ার পূর্বে খরিদ করতে নিষেধ করেছেন। মুহাকালাহ হলো- ক্ষেতের শস্য নির্ধারিত পরিমাণ খাদ্যের বিনিময়ে বিক্রি করা। মুযাবানাহ হচ্ছে- গাছের খেজুর কয়েক অসক খেজুর বিনিময়ে বিক্রি করা। মুখাবারাহ বলা হয়- এক তৃতীয়াংশ, এক চতুর্থাংশ বা এরূপ নির্দিষ্ট কোন অংশকে।যায়দ (রহঃ) বলেন: আমি আতাঈবন আবু রাবাহকে জিজ্ঞেস করলাম- আপনি কি জাবির ইবন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ বলেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
৩৮০৪
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুযাবানা, মুহাকালা, মুখাবারা এবং ফল পাকার আগে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, আমি সা’ঈদকে জিজ্ঞেস করলাম পাকার অর্থ কী? তিনি বললেন, লাল বর্ণ বা হলুদ বর্ণ ধারণ করা এবং খাওয়ার যোগ্য হওয়া।
৩৮০৫
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুহাকালাহ, মুযাবানাহ, মু’আওয়ামা ও মুখাবারা নিষেধ করেছেন। দুইজনের একজন বলেন কয়েক বছরের জন্য বিক্রি করার নাম মু’আওয়ামা। তিনি (ﷺ) নিষেধ করেছেন কিছু অংশ বাদ দেওয়া হতে এবং অনুমতি দিয়েছেন আরায়ার বেলায়।
৩৮০৬
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রা.)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এ কথাটি উল্লেখ করেননি যে, কয়েক বছরের জন্যে বিক্রি করা হলো মু’আওয়ামাহ।
৩৮০৭
মুহাকালাহ্‌, মুযাবানাহ্‌, মুখাবারাহ্‌, খাবার যোগ্য হওয়ার আগেই ফল বিক্রি ও মু’আ-ওয়ামাহ্‌ অর্থাৎ- কয়েক বছরের জন্যে ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জমি বর্গা দিতে, কয়েক বছরের জন্যে বিক্রি করতে এবং ফল পরিপক্ব হওয়ার আগে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন।
৩৮০৮
জমি বর্গা [১৪] দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন।
৩৮০৯
জমি বর্গা [১৪] দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যার কাছে জমি আছে সেটি তার চাষাবাদ করা উচিত। যদি সে নিজে তা না করে তবে যেন তার কোন ভাইকে চাষাবাদ করতে প্রদান করে।
৩৮১০
জমি বর্গা [১৪] দেয়া পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রা.)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কতিপয় সাহাবীর প্রয়োজনের চেয়েও বেশি জমি ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যার নিকট প্রয়োজনের বেশি জমি আছে সে যেন তা চাষাবাদ করে অথবা তার কোন ভাইকে (চাষাবাদ করতে) দেয়। আর যদি সে তা না চায় তাহলে তার জমি সে আটকে রাখুক।