৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৬৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৬৩১
স্বামীর মৃত্যুকালীন ‘ইদ্দাতে বিধবা স্ত্রীর শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
যে মহিলা আল্লাহ ও শেষ বিচার দিবসের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার কোনো মৃতের জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন না করে। তবে স্বামীর মৃত্যুতে শোক পালন করবে।
৩৬৩২
স্বামীর মৃত্যুকালীন ‘ইদ্দাতে বিধবা স্ত্রীর শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কোন মহিলা তার কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করবে না। তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত শোক পালন করবে। এই সময়সীমায় (‘ইদ্দাতের মেয়াদকালে) সে রঙিন কাপড়-চোপড় পরিধান করবে না। তবে কালো রঙে রঞ্জিত চাদর পরিধান করতে পারবে। সে চোখে সুরমা লাগাবে না এবং কোন সুগন্ধি ব্যবহার করবে না এবং সে হায়েয থেকে পবিত্র হলে (পবিত্রতার নিদর্শনস্বরূপ) কুস্‌ত বা আয্‌ফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে।
৩৬৩৩
স্বামীর মৃত্যুকালীন ‘ইদ্দাতে বিধবা স্ত্রীর শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
হিশাম (রহঃ)
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এ হাদীসে আমর আন নাকিদ ও ইয়াযীদ ইবন হারূন (রহঃ) উভয়ে বর্ণনা করেছেন যে, সে তার হায়জ থেকে পবিত্র হওয়ার পর কুস্ত ও আজফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে।
৩৬৩৪
স্বামীর মৃত্যুকালীন ‘ইদ্দাতে বিধবা স্ত্রীর শোক পালন করা ওয়াজিব এবং অন্যান্যদের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
উম্মু ‘আতিয়্যাহ্‌ (রাঃ)
আমাদের কোন মৃতের জন্য তিন দিনের বেশি শোক পালন করতে নিষেধ করা হয়েছিল। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন পর্যন্ত শোক পালনের নিয়ম ছিল। আমরা (ইদ্দতকালীন) সময়ে চোখে সুরমা লাগাতাম না, কোনো প্রকার সুগন্ধি দ্রব্য ব্যবহার করতাম না এবং রঙিন কাপড়-চোপড় পরতাম না। তবে আমাদের মধ্য থেকে কোনো মহিলা যখন হায়েয থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করত, তখন দুর্গন্ধ দূর করার জন্য তাকে কুস্ত ও আজফার নামক সুগন্ধি ব্যবহার করার অনুমতি দেয়া হত।
৩৬৩৫
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ ইবনু সা’দ সা’ইদী (রাযিঃ)
উওয়াইমির আল-আজলানী (রাঃ) আসিম ইবনু আদী আনসারী (রাঃ)-এর কাছে এসে তাকে বললেন, হে আসিম! যদি কেউ তার স্ত্রীর সাথে অন্য কোন পুরুষকে (ব্যভিচারে লিপ্ত) পায়; তবে তোমার অভিমত কী? সে কি তাকে হত্যা করবে? আর তখন তো তোমরা তাকে (কিসাস হিসেবে) হত্যা করবে। যদি তা না হয় তবে সে কী করবে? হে আসিম! তুমি আমার জন্য এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস কর।তখন আসিম রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ রকম প্রশ্ন করা অপছন্দ করলেন এবং এটি দূষণীয় মনে করলেন। আসিম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট যা শুনলেন এতে বড়ই দুঃখিত হলেন। যখন আসিম ফিরে এলেন, তখন উওয়াইমির তার কাছে এসে বললেনঃ হে আসিম! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাকে কী বলেছেন? আসিম উওয়াইমিরকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে ভাল কাজ নিয়ে আসনি। তুমি যে বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে বলেছ তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খুবই অপছন্দ করেছেন।উওয়াইমির (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমি এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস না করে ক্ষান্ত হব না। তখন উওয়াইমির গেলেন এবং লোক সমাবেশে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে তাঁকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য কোন পুরুষকে (ব্যভিচারে লিপ্ত) দেখতে পায় তাহলে সে কি তাকে হত্যা করে ফেলবে? এরপর তো (কিসাস হিসেবে) আপনারা তাকে হত্যা করে ফেলবেন। অথবা সে কী করবে? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে আল্লাহর হুকুম নাযিল হয়েছে। তুমি যাও, তোমার স্ত্রীকে নিয়ে এসো।সাহল বললেনঃ এরপর তারা উভয়ে (স্বামী-স্ত্রী) লি’আন করলো। আর আমিও তখন লোকজনদের সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট হাযির ছিলাম। যখন লি’আন সমাধা করলেন তখন উওয়াইমির বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি তাকে আমার স্ত্রী হিসেবে রেখে দেই তাহলে তো আমি তার উপর মিথ্যারোপকারী হয়ে গেলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে নির্দেশ দেয়ার আগেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, তখন থেকে লি’আনকারীদের জন্য এটাই নিয়ম-বিধান হিসেবে পরিণত হল।
৩৬৩৬
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাযিঃ)
আজলান গোত্রের উওয়াইমির আনসারী আসিম ইবন আদী কাছে এলেন ... পরবর্তী অংশ মালিক বর্ণিত হাদীসের মত বর্ণনা করেন। তিনি তার হাদীসে এ কথাও বলেছেন, “উওয়াইমির তার স্ত্রীকে আলাদা করে দেওয়াতে পরবর্তীতে লি’আনকারী দ্বয়ের জন্য তা বিধানরূপে পরিগণিত হল।”তিনি তার বর্ণনায় আরও উল্লেখ করেছেন, “সাহল বলেছেন- সে মহিলাটি ছিলেন গর্ভবতী। সে গর্ভজাত সন্তানটিকে পরবর্তীতে তার মায়ের দিকে সম্বন্ধ করে ডাকা হয়।” এরপর এ বিধান প্রবর্তিত হলো যে, সে তার মায়ের ওয়ারিস পাবে এবং তার মা আল্লাহর নির্ধারিত অংশ হিসেবে তার (সন্তান) থেকে মিরাসের অধিকারী হবে।
৩৬৩৭
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
আমাকে ইবনু শিহাব (রহঃ) বানু সা’ইদা গোত্রের ইবনু সাদ বর্ণিত দুইজন লি‘আনকারী ও তার বিধান সম্পর্কে অবহিত করেছেন। তিনি (সাহল) বলেনঃ জনৈক আনসারী নবী (ﷺ)-এর কাছে এলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি কোন লোক তার স্ত্রীর সঙ্গে (ব্যভিচাররত) অন্য কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে সে সম্পর্কে আপনার মতামত কী? এরপর পুরো ঘটনাসহ হাদীস বর্ণনা করেন।এতে বাড়তি বর্ণনা করেন যে, (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ে মসজিদের ভেতর লি‘আন করল আর আমি উপস্থিত ছিলাম। আর তিনি এ হাদীসে বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে কোন নির্দেশ না দেওয়ার আগেই তিনি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়ে নবী (ﷺ)-এর সম্মুখেই তাকে আলাদা করে দেন। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ এ উভয় লি‘আনকারীর মাঝে বিচ্ছেদ।
৩৬৩৮
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ)
মুসআবের স্ত্রীর ব্যাপারে আমাকে লি‘আনকারী দুজনের মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, তাদের আলাদা করা হবে কি না। তখন আমি কী বলব তা আমি বুঝতে পারছিলাম না। এরপর আমি মক্কায় ইবন উমর (রাঃ)-এর বাসায় গেলাম। আমি তাঁর গোলামকে বললাম, আমার জন্য অনুমতি নিয়ে এসো। সে বললঃ তিনি এখন বিশ্রাম নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি আমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলেন। তিনি বললেনঃ ইবন জুবাইর? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ ভিতরে এসো। আল্লাহর কসম! বিশেষ প্রয়োজনই এ সময় তোমাকে নিয়ে এসেছে। আমি ভিতরে গিয়ে দেখতে পেলাম তিনি একটি বিছিয়ে একটি বালিশের উপর হেলান দিয়ে আছেন। বালিশটি খেজুর ছোবড়ায় ভরা ছিল। আমি বললামঃ হে আবু আবদুর রহমান! দুজন লি‘আনকারী- এদেরকে কি পৃথক করা হবে? তিনি বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! হ্যাঁ। সর্বপ্রথম এ বিষয়ে অমুকের পুত্র অমুক জিজ্ঞেস করেছিল। সে বলেছিলঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কী বলেন, যদি আমাদের মধ্যে কেউ তার স্ত্রীকে অপকর্মে লিপ্ত দেখতে পায় তাহলে সে কী করবে? যদি সে বলাবলি করে তাহলে তো গুরুতর আকার ধারণ করবে। যদি সে নীরব থাকে, তাহলে এমন সাংঘাতিক বিষয়ে কি করে নীরব থাকবে। তখন নবী (ﷺ) চুপ রইলেন; কোন উত্তর দিলেন না। সে ব্যক্তি আবার তাঁর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! যে বিষয়টি সম্পর্কে ইতোপূর্বে আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম আমার নিজের উপরই তা ঘটছে। তখন আল্লাহ তা‘আলা সূরা আন-নূরের এ আয়াতগুলো নাযিল করেন- “আর যারা তাদের স্ত্রীদের প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ তারা নিজেরা ছাড়া তাদের কোন সাক্ষী নেই- তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্যের পদ্ধতি হবে এই যে, সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে বলবে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর আল্লাহর লা‘নাত বর্ষিত হবে। আর স্ত্রীর শাস্তি বাতিল করা হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যাবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, তার স্বামী যদি সত্যবাদী হয় তবে নিজের উপর নেমে আসবে আল্লাহর গজব” – (সূরা নূর ২৪ : ৬-৯)।তিনি তাকে এ আয়াতগুলো তিলাওয়াত করে শোনালেন। এরপর তাকে নসিহত করলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় সহজ। সে বলল, ‘না’। সে মহান সত্তার কসম- যিনি আপনাকে নবী হিসেবে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, আমি তার (আমার স্ত্রীর) উপর কোন মিথ্যা আরোপ করিনি। এরপর তিনি মহিলাকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে উপদেশ দিলেন, তাকে আখিরাতের ভয় দেখালেন, সর্বোপরি তাকে জানিয়ে দিলেন যে, দুনিয়ার শাস্তি আখিরাতের শাস্তির তুলনায় সহজতর। সে বলল, না, সে মহান সত্তার কসম- যিনি আপনাকে সত্যসহ প্রেরণ করেছেন, নিশ্চয়ই সে মিথ্যাবাদী। এরপর তিনি পুরুষ লোকটির দ্বারা লি‘আন বাক্য পাঠ করাতে শুরু করলেন। তখন সে চারবার আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দিল যে, সে তার কথা সত্যবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, যদি সে মিথ্যাবাদী হয় তাহলে তার উপর আল্লাহর লা‘নাত নেমে আসুক। এরপর তিনি (ﷺ) স্ত্রীলোকটিকে ডেকে পাঠালেন। সেও আল্লাহর নামে শপথ করে চারবার সাক্ষ্য দিল যে, সে (স্বামী) মিথ্যাবাদী। পঞ্চমবারে সে বলল, যদি সে (তার স্বামী) সত্যবাদী হয় তাহলে তার (মহিলার) উপর আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক। তখন নবী (ﷺ) তাদের উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন।
৩৬৩৯
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনূ জুবায়র (রহঃ)
মুসআব ইবনু যুবাইর (রাঃ)-এর শাসনামলে দুজন লি‘আনকারী সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করা হলে আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না কী উত্তর দেব। তখন আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ)-এর কাছে এলাম এবং সে দুজন লি‘আনকারী সম্পর্কে তার কাছে জানতে চাইলামঃ তাদের বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে আপনার মত কী? এরপর তিনি ইবনু নুমায়ের (রহঃ)-এর হাদীসের মতই বর্ণনা করেন।
৩৬৪০
লি'আন সম্পর্কে পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ দুইজন লি‘আনকারীর (লি‘আন বাক্য পাঠের ব্যাপারে) তোমাদের দুইজনের হিসাব আল্লাহর দায়িত্বে। তোমাদের দুইজনের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। আর তোমার (স্ত্রীর) উপর তোমার কোন করণীয় নেই। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার অর্থের (প্রদত্ত মাহর) কী হবে? তিনি বললেনঃ তুমি তোমার অর্থ পাবে না। যদি তুমি তার ব্যাপারে সত্যবাদী হও তাহলে তোমার দেয়া সম্পদ ঐ বস্তুর বদলা বলে গণ্য হবে যা দ্বারা তুমি তার লজ্জাস্থান হালাল করেছ। আর যদি তুমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে থাক তাহলে তার থেকে মাল ফেরত পাওয়া দুরূহ ব্যাপার। যুহাইর (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেছেন যে, সুফইয়ান (রহঃ) সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ)-এর সূত্রে ইবনু উমর (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বলতে শুনেছি।