৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৫৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৫৭২
ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করে স্ত্রীকে ‘হারাম’ সাব্যস্ত করলে তার উপর কাফ্ফারাহ্ ওয়াজিব হবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ উসামাহ্ (রহঃ)
আমাকে অবিকল এ হাদিস শুনিয়েছেন। সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) আলী ইবনু মুসহির ও হিশাম ইবনু উরওয়া (রহঃ)-এর সূত্রে ঐ সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন।
৩৫৭৩
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রহঃ)
আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের ইখতিয়ার প্রদানে আদিষ্ট হলে বিষয়টি আমাকে দিয়ে সূচনা করলেন। তিনি বললেন, “আমি তোমার কাছে একটি বিষয় উপস্থাপন করছি, তোমার পিতামাতার সঙ্গে পরামর্শ না করা পর্যন্ত তুমি তাতে তাড়াহুড়া না করলে তোমার কোন লোকসান হবে না।” আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) নিশ্চিত অবগত ছিলেন যে, আমার মা-বাপ আমাকে তাঁর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাবার পরামর্শ দিতে প্রস্তুত হবেন না।আয়িশা (রাঃ) বলেন, অতঃপর নবী (ﷺ) (ইখতিয়ারের বিষয়ের বিবরণ প্রদানে) বললেন, আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেনঃ “হে নবি! আপনি আপনার স্ত্রীদের বলে দিন! তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার ভূষণ কামনা কর, তবে এসো আমি তোমাদের ভোগ-সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দেই এবং সৌজন্যের সঙ্গে তোমাদের বিদায় দেই। আর যদি তোমরা আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও আখিরাত কামনা কর তবে তোমাদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল আল্লাহ তাদের জন্য মহা প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন”- (সূরা আল আহযাব ৩৩:২৮-২৯)।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি বললামঃ এ ব্যাপারে আবার আমার মা-বাপের সঙ্গে পরামর্শ করব? আমি তো আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ও আখিরাতকেই ইখতিয়ার করছি।” তিনি বলেন, পরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অন্যান্য স্ত্রীগণ তেমনই করেন যেমন আমি করেছিলাম।
৩৫৭৪
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
মূ’আযাহ্‌ আল ‘আদাবিয়্যাহ্‌ (রহঃ)-এর সূত্রে ‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
আপনি তাদের (স্ত্রীদের) মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে সরিয়ে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা আপনার নিকট স্থান দিতে পারেন”- (সূরা আল আহযাব ৩৩ : ৫১) আয়াত নাযিল হবার পরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর কোন এক স্ত্রীর পালার দিনে (অন্যদের জন্য) আমাদের নিকট হতে অনুমতি চাইতেন।তখন মুয়াযা (রহঃ) তাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আপনার নিকট অনুমতি চাইলে আপনি তাঁকে কী বলতেন? তিনি বললেন, আমি বলতাম : এ বিষয়টি আমার অধিকারে থাকলে তো কাউকে আমি আমার উপর অগ্রাধিকার দিতাম না। (অর্থাৎ অনুমতি প্রার্থনার বিষয়টি অধিকারমূলক ছিল না। বরং তা ছিল নৈতিক ও রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর সৌজন্যপূর্ণ আচরণ মাত্র। সুতরাং সেখানে অনুমতি না দেওয়ার অবকাশ ছিল না। অন্যথায় আমি অনুমতি প্রদানে রাজী হতাম না।)
৩৫৭৫
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আসিম (রহঃ)
পূর্বোক্ত সনদে অনুরূপ রেওয়ায়াত করেছেন।
৩৫৭৬
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে ইখতিয়ার দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা তা তালাক মনে করিনি।
৩৫৭৭
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
মাসরূক (রহঃ)
আমার স্ত্রীকে ইখতিয়ার প্রদানে আমার কোন পরোয়া নেই—একবার, শতবার কিংবা হাজারবার যদি সে আমাকে পছন্দ করে থাকে। আর আমি আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে ইখতিয়ার প্রদান করেছিলেন। এতে কি তালাক হয়ে গিয়েছে? (না, এতে তালাক হয় নি)।
৩৫৭৮
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সহধর্মিণীগণকে ইখতিয়ার প্রদান করেছিলেন। কিন্তু তা (ইখতিয়ার প্রদান করা) তালাক বলে গণ্য হয়নি।
৩৫৭৯
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে ইখতিয়ার প্রদান করেছিলেন। এরপর আমরা তাঁকে গ্রহণ করলাম। এটা আমাদের উপর তালাক বলে গণ্য হয়নি।
৩৫৮০
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে ইখতিয়ার প্রদান করেছিলেন। এরপর আমরা তাঁকে গ্রহণ করলাম। এটা আমাদের উপর তালাক বলে গণ্য হয়নি।
৩৫৮১
ইখ্তিয়ার প্রদান করলে ত্বালাক্বের নিয়্যাত না করলে ত্বালাক্ব হবে না পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে আসওয়াদ (রহঃ)
মাসরূক (রহঃ) বর্ণিত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।