৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৫৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৫২২
সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্, ‘আমর আন্ নাক্বিদ ও মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহিমাহুমুল্লাহ) সকলে হিশাম (রহঃ)
পূর্বোক্ত সানাদে রিওয়ায়াত করেন যে, সাওদা (রাঃ) যখন বৃদ্ধা হয়ে গেলেন... (পূর্বোক্ত যুহাইর সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) জারীর (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ। তবে (মুজাহিদ সানাদের ঊর্ধ্বতন রাবী) শরীক (রহঃ) তার হাদীসে অধিক বলেছেন যে, সাওদা (রাঃ) বলেছেন, সে [আয়িশা (রাঃ)] ছিলেন প্রথম নারী (কুমারী) যাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার পরে বিয়ে করেছিলেন।
৩৫২৩
সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাঃ)
আয়িশা (রাঃ) বলেন, যে নারীরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর (স্ত্রী হওয়ার জন্য) আত্মনিবেদিতা হত আমি তাদের নির্লজ্জতায় বিস্ময় প্রকাশ করতাম এবং বলতাম, কোন নারী কি (এভাবে নির্লজ্জ হয়ে) আত্মনিবেদন করতে পারে? পরে যখন আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াত নাযিল করলেন- “তুমি তাদের (স্ত্রীগণের মধ্যে) যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার এবং যাকে তুমি দূরে রেখেছো তাকে (পুনরায়) কামনা করলে তাতে তোমার কোন অপরাধ হবে না”- (সূরা আল আহ্‌যাব ৩৩:৫১)।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ আল্লাহর কসম! আমি তো দেখছি আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুতই সাড়া দিয়ে থাকেন।
৩৫২৪
সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ বাক্‌র ইবনু আবূ শায়বাহ্‌ (রহঃ)
তিনি বলতেন, কোন নারী কি কোন পুরুষের কাছে নিজেকে নিবেদন করতে লজ্জাবোধ করে না? অবশেষে আল্লাহ নাযিল করলেন, “তুমি তাঁদের যাকে ইচ্ছা তোমার নিকট থেকে দূরে রাখতে পার এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছে স্থান দিতে পার” তখন আমি বললাম, “অবশ্যই আপনার প্রতিপালক আপনার মনোবাঞ্ছা পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।”
৩৫২৫
সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা (রহঃ)
আমরা 'সারিফ' নামক স্থানে ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে নবী পত্নী মায়মূনা (রাঃ)-এর জানাযায় উপস্থিত ছিলাম। তখন ইবন আব্বাস (রাঃ) বললেন, ইনি নবী (ﷺ)-এর সহধর্মিণী। সুতরাং তোমরা যখন তাঁর কফিন (লাশ) তুলবে তখন তাকে খুব জোরে নাড়া দিবে না এবং কাঁপাবে না; নরম ও আলতোভাবে তাঁকে তুলবে। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে নয়জন স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের আটজনের জন্য রাত যাপনের পালা নির্ধারণ করতেন এবং একজনের জন্য করতেন না। (মধ্যবর্তী) রাবি আত্বা (রহঃ) বলেন, যাঁর জন্য পালা নির্ধারণ করতেন না তিনি হলেন সফিয়া বিনত হুয়াই ইবন আখতাব (রাঃ)।
৩৫২৬
সতীনকে নিজের পালা হিবা করা বৈধ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু জুরায়জ (রহঃ)
ঐ সনদে বর্ণিত। এ বর্ণনায় অতিরিক্ত বলা হয়েছে, ‘আতা (রহঃ) বলেছেন, তিনি (মায়মূনা) ছিলেন তাঁদের মাঝে সব শেষে মৃত্যুবরণকারিণী, তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।
৩৫২৭
দ্বীনের মানদন্ডে বিবাহের জন্য কন্যা পছন্দ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
চারটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে (সাধারণত) মেয়েদের বিয়ে করা হয়- কন্যার ধন-সম্পদের কারণে, তার বংশীয় আভিজাত্যের কারণে, তার রূপ-গুণের কারণে এবং তার দীনদারীর কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দু’হাত ধূলিমাখা হোক।
৩৫২৮
দ্বীনের মানদন্ডে বিবাহের জন্য কন্যা পছন্দ করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা (রহঃ)
জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সময়কালে আমি একটি মহিলাকে বিয়ে করলাম। পরে আমি নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, “হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছ?” আমি বললাম, “জি হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “কুমারী না বিধবা?” আমি বললাম, “বিধবা।” তিনি বললেন, “তবে কুমারী নয় কেন? তুমি তার সঙ্গে সোহাগ-স্ফূর্তি করতে পারতে।” আমি বললাম, “হে আল্লাহর রাসূল, আমার কয়েকটি (অবিবাহিতা) বোন রয়েছে তাই আমার আশঙ্কা হল যে, বধূ (কুমারী হলে সে) আমার ও বোনদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় কিনা।” তিনি (ﷺ) বললেনঃ “তবে তা-ই-ঠিক। মহিলাকে বিয়ে করা হয় তার দ্বীনদারীর কারণে, তার সম্পদের কারণে ও তার রূপ-লাবণ্যের কারণে। তুমি ধার্মিকাকে পেয়ে ভাগ্যবান হও, (যদি এটা না কর তবে) তোমার দুইহাত ধূলিমাখা হোক।”
৩৫২৯
কুমারীর পানিগ্রহণ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আমি জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, “তুমি কি বিয়ে করেছ?” আমি বললাম, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন, “কোন কুমারীকে, না বিধবাকে?” আমি বললাম, “একটি বিধবাকে।” তিনি বললেন, “তবে কুমারী ও তার আমোদ-স্ফূর্তি হতে তুমি কত দূরে?” রাবী শু'আবাহ (রহঃ) বলেন, পরে আমি 'আমর ইবনু দিনার (রহঃ)-এর নিকট এ হাদীস উল্লেখ করলে তিনি বললেন, “আমিও তো জাবির (রাঃ)-এর নিকট তা শুনেছি।” তিনি তো বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেনঃ “তবে কোন কিশোরীকে কেন নয়— যে তোমার সঙ্গে হাসি-তামাসা করত, তুমিও তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করতে?”
৩৫৩০
কুমারীর পানিগ্রহণ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
আবদুল্লাহ (রাঃ) মৃত্যু (শাহাদাত) বরণ করলেন এবং নয়টি (কিংবা তিনি বলেছেন, সাতটি) কন্যা রেখে গেলেন। পরে আমি (জাবির) এক বিধবা মহিলাকে বিয়ে করলাম। তখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, “হে জাবির, তুমি বিয়ে করেছ?” আমি বললাম: হ্যাঁ। তিনি (ﷺ) বললেন, “তা কুমারী না বিধবা?” আমি বললাম: বরং বিধবা, হে আল্লাহর রাসুল। তিনি (ﷺ) বললেন, “তবে তা কোন তরুণী (কুমারী) কেন নয় যে, (ইয়াহিয়া রিওয়ায়াতে) তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে, সেও তোমার সাথে ক্রীড়া-কৌতুক করবে”, কিংবা তিনি (ﷺ) বলেছিলেন, “তুমি তার সঙ্গে হাস্য-রস করতে, সেও তোমার সঙ্গে হাস্য-রস করত।” জাবির (রাঃ) বলেন, আমি তাকে বললাম, “(আমার পিতা) আবদুল্লাহ নয়টি (কিংবা সাতটি) মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করেছেন এবং আমি তাদের মাঝে তাদের মতো একজনকে নেয়া আসা অপছন্দ করলাম। তাই আমি এমন একটি মহিলাকে নিয়ে আসা পছন্দ করলাম যে তাদের দেখাশুনা করবে এবং তাদের শুধরে দিবে ও গড়ে তুলবে।” তিনি (ﷺ) বললেন, “তবে আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন।” তিনি আমাকে (এ ধরনের) কোন উত্তম কথা বললেন। আবু রবি (রহঃ)-এর রিওয়ায়াতে রয়েছে- “তুমি তার সঙ্গে আমোদ-স্ফূর্তি করবে ও তার সঙ্গে হাস্য-রস করবে, সেও তোমার সাথে হাস্য-রস করবে।”
৩৫৩১
কুমারীর পানিগ্রহণ মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেনঃ “তুমি কি বিবাহ করেছো, হে জাবির?” তিনি হাদিসটির পূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন- যার শেষে রয়েছে এমন একটি মহিলাকে (বিয়ে করেছ) যে তাদের তত্ত্বাবধান করবে এবং তাদের মাথা আঁচড়ে দিবে। নবী (ﷺ) বললেনঃ “তুমি সঠিক করেছো।” এর পরের অংশ তিনি (কুতাইবা) উল্লেখ করেননি।