৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৪৬/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৪৫১
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাযিঃ)
আমরা আজল করতাম আর কুরআন নাজিল হত। ইসহাক আরও বাড়িয়ে বলেছেন যে, সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, এতে যদি নিষেধ করার মতো কিছু থাকত, তবে কুরআন তা নিষেধ করে দিত।
৩৪৫২
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা (রহঃ)
আমি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, “আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যামানায় আযল করতাম।”
৩৪৫৩
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাযিঃ)
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যামানায় আজল করতাম। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে পৌঁছলে এ থেকে তিনি নিষেধ করেননি।
৩৪৫৪
গর্ভবতী যুদ্ধবন্দিনী দাসীর সাথে সঙ্গম করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ দারদা (রাযিঃ)
একদা আসন্নপ্রসবা জনৈকা গর্ভবতী দাসীকে তাঁবুর দরজায় আনা হয়। তখন নবী (ﷺ) বললেন: "সম্ভবত ঐ ব্যক্তি তার সাথে সঙ্গম করতে চায়।" লোকেরা বলল, "হ্যাঁ।" তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: "আমি মনে করেছি, তাকে এমন লা‘নাত দেই, যে লা‘নাতসহ সে কবরে প্রবেশ করে। কিভাবে সে তাকে (দাসীর গর্ভস্থ সন্তানকে) ওয়ারিস বানাবে অথচ তা তার জন্য বৈধ নয়? কেমন করে সে তাকে (সন্তানকে) খাদিম বানাবে অথচ সে তার জন্য বৈধ নয়?"
৩৪৫৫
গর্ভবতী যুদ্ধবন্দিনী দাসীর সাথে সঙ্গম করা হারাম পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)
এই সনদে বর্ণিত।
৩৪৫৬
‘গীলাহ্’ অর্থাৎ স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের বৈধতা এবং ‘আয্ল মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জুদামাহ্ বিন্তু ওয়াহ্ব আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ)
তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, “আমি স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম নিষিদ্ধ ঘোষণা করার ইচ্ছে করলাম। এরপর আমার নিকট আলোচনা করা হল যে, রোম ও পারস্যবাসী লোকেরাও তা করে থাকে, অথচ তাতে তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না।” ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, খালাফ তাঁর সানাদ বর্ণনায় “জুদামা আল আসাদিয়া” উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ইয়াহিয়া বর্ণিত ‘জুদামা’ শব্দটিই সঠিক ও নির্ভুল।
৩৪৫৭
‘গীলাহ্’ অর্থাৎ স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের বৈধতা এবং ‘আয্ল মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
উকাশার ভগ্নি জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব (রাযিঃ)
আমি একদিন কিছু সংখ্যক লোকের সাথে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে হাজির হলাম। তিনি তখন বলছিলেন, “আমি স্তন্যদানকারী মহিলার সাথে সঙ্গম করা নিষেধ করার ইচ্ছা করলাম। এমতাবস্থায় আমি রোম ও পারস্যবাসী লোকদের অবস্থার কথা বিবেচনা করে অবগত হলাম যে, তারা তাদের স্তন্যদানকারী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করে থাকে, কিন্তু তা তাদের সন্তান-সন্ততির কোনো রূপ ক্ষতি করে না।” অতঃপর লোকেরা তাকে ‘আয্‌ল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ “তা হল গোপন হত্যা।” রাবী উবাইদুল্লাহ তাঁর বর্ণনায় আল মুকরি সূত্রে আয়াতটুকুও উল্লেখ করেছেন অর্থাৎ “যখন জীবন্ত সমাধিস্থ কন্যাকে জিজ্ঞেস করা হবে কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে”- (সূরা আত তাকভীরঃ ৮১:৮-৯)।
৩৪৫৮
‘গীলাহ্’ অর্থাৎ স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের বৈধতা এবং ‘আয্ল মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
জুদামাহ্ বিনতু ওয়াহ্ব আল আসাদিয়্যাহ্ (রাযিঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি। (এরপর) সাঈদ ইবনু আবূ আইয়ুব (রহঃ) থেকে বর্ণিত ‘আজল ও গিলাহ’ সম্পর্কে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে (গিলাহ-এর পরিবর্তে) ‘গিয়াল’ উল্লেখ করেন।
৩৪৫৯
‘গীলাহ্’ অর্থাৎ স্তন্যদায়িনী স্ত্রীর সাথে সঙ্গমের বৈধতা এবং ‘আয্ল মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ)
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ نُمَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمَقْبُرِيُّ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، حَدَّثَنِي عَيَّاشُ بْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ أَبَا النَّضْرِ، حَدَّثَهُ عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ، أَنَّ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ، أَخْبَرَ وَالِدَهُ، سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ أَنَّ رَجُلاً، جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي أَعْزِلُ عَنِ امْرَأَتِي ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لِمَ تَفْعَلُ ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ الرَّجُلُ أُشْفِقُ عَلَى وَلَدِهَا أَوْ عَلَى أَوْلاَدِهَا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَوْ كَانَ ذَلِكَ ضَارًّا ضَرَّ فَارِسَ وَالرُّومَ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ زُهَيْرٌ فِي رِوَايَتِهِ ‏"‏ إِنْ كَانَ لِذَلِكَ فَلاَ مَا ضَارَ ذَلِكَ فَارِسَ وَلاَ الرُّومَ ‏"‏.
৩৪৬০
জন্মদানের কারণে যা হারাম হয় স্তন্যদানেও তা হারাম হয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ) সূত্রে ‘আমরাহ (রহঃ)
একদিন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট অবস্থান করছিলেন; তিনি তখন কোনো ব্যক্তির হাফসা (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি লাভের আওয়াজ শুনতে পেলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি তখন বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! এ লোক আপনার ঘরে প্রবেশ করার অনুমতি চায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ আমি জানি, অমুক, হাফসার দুধচাচা। আয়িশা (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি তাঁর (আয়িশার) দুধচাচা জীবিত থাকতেন, তাহলে তিনি কি তাঁর নিকট প্রবেশ করতে পারতেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই দুগ্ধ সম্পর্ক সেই সব লোকদের হারাম করে দেয়, যাদের জন্মগত সম্পর্ক হারাম করে।