৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৪৪/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৪৩১
স্বামীর বিছানা পরিহার করা স্ত্রীর জন্য নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)
এই সনদের বর্ণনায় বলেছেন, “ফিরে না আসা পর্যন্ত” কথার উল্লেখ আছে।
৩৪৩২
স্বামীর বিছানা পরিহার করা স্ত্রীর জন্য নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার জীবন। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে যখন বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে তা অস্বীকার করে, নিঃসন্দেহে যে পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্ট না হয়, ততক্ষণ আসমানবাসী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে।
৩৪৩৩
স্বামীর বিছানা পরিহার করা স্ত্রীর জন্য নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসে, তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা’নাত করতে থাকে।
৩৪৩৪
স্ত্রীর গোপনীয়তা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কেয়ামতের দিন সে ব্যক্তি হবে আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম পর্যায়ের, যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়, অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়।
৩৪৩৫
স্ত্রীর গোপনীয়তা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ খুদ্রী (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সে ব্যক্তি সর্বাপেক্ষা বড় আমানত খিয়ানতকারী যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়। অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়। ইবনু নুমাইর বলেন, “ইন্না মিন ‘আজিম”-এর স্থলে “ইন্না ‘আজিম” (সবচেয়ে অধিক) হবে।
৩৪৩৬
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু মুহায়রিয (রহঃ)
আমি এবং আবু সিরমা (রাঃ) আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। আবু সিরমা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু সাঈদ! আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ‘আযল সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে বানু মুস্তালিকের যুদ্ধ করেছি।সে যুদ্ধে আমরা আরবের সবচেয়ে সুন্দরী বন্দিনীকে বন্দী করলাম। এদিকে আমরা দীর্ঘকাল স্ত্রী সাহচর্য থেকে বঞ্চিত ছিলাম। অন্যদিকে আমরা ছিলাম সম্পদের প্রতি অনুরাগী। এমতাবস্থায় আমরা বন্দিনীদের দ্বারা উদ্দেশ্য হাসিল করার এবং ‘আযল করার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু আমরা এ কথাও আলোচনা করলাম যে, আমরা কি এ কাজ করতে যাব, অথচ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের মধ্যে উপস্থিত রয়েছেন। তাঁর নিকট আমরা কি এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞেস করব না!তাই আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ঐ কাজ না করাতে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, আল্লাহ তা'আলা কেয়ামত পর্যন্ত যত মানুষ সৃষ্টি করার কথা লিখে রেখেছেন সে সব মানুষ সৃষ্টি হবেই।
৩৪৩৭
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্ইয়া ইবনু হাব্বান (রহঃ)
উক্ত সনদে রাবীআর হাদীসের মর্মানুযায়ী হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে সে হাদীসে উল্লেখ আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “কেননা আল্লাহ তা'আলা কেয়ামতের দিন পর্যন্ত যত মাখলুক সৃষ্টি করবেন তা লিখে দিয়েছেন।”
৩৪৩৮
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সা’ঈদ আল খুদ্রী (রাযিঃ)
আমরা কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দিনী লাভ করেছিলাম। (তাদের সাথে) আমরা আযল করছিলাম। এরপর আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাদের বললেন, অবশ্যই তোমরা এ কাজ করবে। অবশ্যই তোমরা এ কাজ করবে। অবশ্যই তোমরা এ কাজ করবে। (বিস্ময় প্রকাশ করে বললেন) বস্তুত কেয়ামত পর্যন্ত যত প্রাণী সৃষ্টি হওয়ার তা সৃষ্টি হবেই।
৩৪৩৯
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
মা'বাদ ইবন সিরীন (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আবু সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি শুনেছেন? তিনি [আবু সাঈদ আল খুদরী (রাঃ)] বললেন, হ্যাঁ, নবী (ﷺ) থেকে। “এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা, এটা হল তাকদীরের অন্তর্ভুক্ত।”
৩৪৪০
আয্ল-এর হুকুম পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)-এর সূত্রে আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ)
অনুরূপ সনদে হাদীস বর্ণিত আছে। তবে তাদের হাদিসে রয়েছে- নবী (ﷺ) আযল সম্পর্কে বলেছেনঃ “এ কাজ না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কেননা এটা তাকদীর (নিয়তির) অন্তর্ভুক্ত।” রাবী বহজ-এর বর্ণনায় রয়েছে যে, শু’বাহ (রহঃ) বলেছেনঃ আমি তাকে (আনাস ইবন সিরীন) জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি আবু সাঈদ আল খুদরি (রাঃ) থেকে এ হাদীসটি শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।