৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৪২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৪১১
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ যুবায়র (রহঃ)
এ সনদে অনুরূপ হাদিস বর্ণনা করেছেন।
৩৪১২
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে দাওয়াত দেয়া হয় সে যেন তাতে সাড়া দেয়। যদি সে সায়িম হয় তাহলে সে (ওখানে গিয়ে) দোয়া- সালাত রত থাকবে। আর যদি সায়িম না হয় তাহলে সে আহার করবে।
৩৪১৩
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
তিনি বলতেন, সে ওয়ালীমার খাদ্য কতই না মন্দ যা খাওয়ার জন্য কেবল ধনীদের দাওয়াত দেওয়া হয়, আর গরীবদের তা থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে তারা তাতে যোগ দিতে পারে না। যে ব্যক্তি দাওয়াতে সাড়া দেয় না সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর নাফরমানী করল।
৩৪১৪
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ)
সুফিয়ান (রহঃ) বলেছেন, আমি যুহরী (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম- হে আবু বকর! “এই যে হাদিস- ‘সব চাইতে মন্দ খাদ্য ধনীদের খাদ্য’- এ সম্পর্কে আপনার কী মত? শুনে তিনি হাসলেন এবং বললেন, না, ধনীদের খাদ্য সব চাইতে মন্দ খাদ্য নয়।সুফিয়ান (রহঃ) বললেন, আমার পিতা যেহেতু ধনী লোক ছিলেন এজন্য হাদিসখানি আমাকে ঘাবড়িয়ে তুলেছিল, যখন আমি তা শুনতে পেলাম। তাই আমি এ হাদিস সম্পর্কে ইমাম যুহরী (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করি। (ইমাম) যুহরী (রহঃ) উত্তর দিলেন, আমার নিকট আবদুর রহমান আ‘রাজ (রহঃ) হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, ওয়ালীমার খাদ্য সবচাইতে নিকৃষ্ট খাদ্য। অতঃপর তিনি মালিক (রহঃ)-এর হাদিসের ন্যায় হাদিস বর্ণনা করেন।
৩৪১৫
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
নিকৃষ্ট খাদ্য হলো ওয়ালীমার খাদ্য। মালিকের হাদীসের অনুরূপ।
৩৪১৬
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
অনুরূপ বর্ণিত।
৩৪১৭
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ নিকৃষ্টতম খাদ্য হল ওয়ালীমার খাদ্য, যেখানে আগমনকারীদের বাধা দেওয়া হয় এবং অনিচ্ছুকদের দাওয়াত দেয়া হয়। যে ব্যক্তি দাওয়াতে সাড়া দেয় না, সে আল্লাহ এবং তাঁর রসূল (ﷺ)-এর নাফরমানী করল।
৩৪১৮
ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী হালাল হবে না ত্বলাকদাতার জন্য, যতক্ষণ না সে তাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিবাহ করে এবং সে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে এবং অতঃপর তাকে ত্বলাক্ব দেয় এবং তার ‘ইদ্দাত শেষ হয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
রিফাআর স্ত্রী নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল, আমি রিফাআর নিকট ছিলাম। সে আমাকে তালাক দিয়েছে পূর্ণ তালাক। অতঃপর আমি আব্দুর রহমান ইবনু যুবায়েরকে বিবাহ করি। তার কাছে রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মত। এতে রসূলুল্লাহ (ﷺ) মুচকি হাসি হাসলেন এবং বললেন, “তুমি কি রিফাআর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, (তা হয় না) যে পর্যন্ত না তুমি তার স্বাদ গ্রহণ করবে এবং সে তোমার স্বাদ গ্রহণ করবে।”আয়িশা (রাঃ) বলেন, তখন আবু বকর (রাঃ) ছিলেন তার কাছে এবং খালিদ ইবনু সাঈদ (রাঃ) ছিলেন দরজায়। তিনি (প্রবেশের) অনুমতির অপেক্ষা করছিলেন। তিনি ডাক দিয়ে বললেন, “হে আবু বকর! আপনি কি শুনেন না এ মহিলা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে উচ্চৈঃস্বরে কী কথা বলছে।”
৩৪১৯
ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী হালাল হবে না ত্বলাকদাতার জন্য, যতক্ষণ না সে তাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিবাহ করে এবং সে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে এবং অতঃপর তাকে ত্বলাক্ব দেয় এবং তার ‘ইদ্দাত শেষ হয় পরিচ্ছেদ নাই
উরওয়াহ্ ইবনু যুবাযর (রহঃ)
নবী (ﷺ)-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রাঃ) তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, রিফাআহ আল কুরাযী (রাঃ) তার স্ত্রীকে তালাক দেন এবং সে তাকে পুরোপুরি তালাক দিয়ে দেন। অতঃপর সে স্ত্রী লোকটি আবদুর রহমান ইবন যুবাইর (রাঃ)-কে বিবাহ করে।এরপর সে নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল, “হে আল্লাহর রসূল! সে ছিল রিফাআর অধীনে। সে তাকে পুরোপুরি তিন তালাক দেয়। অতঃপর সে আবদুর রহমান ইবন যুবাইর (রাঃ)-কে বিবাহ করে। আল্লাহর কসম, তার সাথে তো রয়েছে কাপড়ের ঝালরের মতো।” এ বলে, মহিলা তার ওড়নার আঁচল ধরে দেখাল।রসূলুল্লাহ (ﷺ) হেসে দিলেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তুমি সম্ভবত রিফাআর নিকট ফিরে যেতে চাও? না, তা হয় না, যতক্ষণ না সে তোমার স্বাদ করে এবং তুমি তার স্বাদ কর।”আবু বকর (রাঃ) তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে বসা ছিলেন। আর খালিদ ইবন সাঈদ ইবন আস (রাঃ) ছিলেন হুজরার দরজায় বসা। তাকে (ঘরে প্রবেশ করার) অনুমতি দেয়া হয়নি।রাবী বলেন, তখন খালিদ (রাঃ) আবু বকর (রাঃ)-কে ডেকে বললেন, “আপনি কেন মহিলাকে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে তার এ সব কথা প্রকাশ করা থেকে বারণ করলেন না?”
৩৪২০
ত্বলাকপ্রাপ্তা স্ত্রী হালাল হবে না ত্বলাকদাতার জন্য, যতক্ষণ না সে তাকে ছাড়া অন্য স্বামীকে বিবাহ করে এবং সে তার সাথে যৌন সঙ্গম করে এবং অতঃপর তাকে ত্বলাক্ব দেয় এবং তার ‘ইদ্দাত শেষ হয় পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
রিফাআহ আল কুরাযী তার স্ত্রীকে তালাক দেয়। এরপর সে আবদুর রহমান ইবনু যুবাইরকে বিয়ে করে। অতঃপর সে নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! রিফাআহ তাকে পুরোপুরি তিন তালাক দিয়ে দেয়। এরপর ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ।