৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৪১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৪০১
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত দেয়া হয়, সে যেন ঐ দাওয়াতে সাড়া দেয়।
৩৪০২
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: যখন তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত দেয়া হয়, সে যেন তা কবুল করে। (রহঃ) খালিদ বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) একে বিবাহের ওয়ালীমা বলে গ্রহণ করেছেন।
৩৪০৩
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: তোমাদের কাউকে বিবাহের ওয়ালীমার দাওয়াত দেয়া হলে সে যেন তা কবূল করে।
৩৪০৪
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কাউকে দাওয়াত দেয়া হলে তাতে সাড়া দিবে।
৩৪০৫
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন: যখন তোমাদের কেউ তার ভাইকে দাওয়াত দেয় সে যেন তার দাওয়াতে সাড়া দেয়, বিবাহের অনুষ্ঠানই হোক বা সেরকম (অন্য কোন অনুষ্ঠান)।
৩৪০৬
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যদি কাউকে কোন বিয়ে অনুষ্ঠানে অথবা এ ধরনের অন্য কোন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া হয়, সে যেন সাড়া দেয়।
৩৪০৭
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “যখন তোমাদেরকে দাওয়াত দেয়া হয় তখন তোমরা দাওয়াতে আসবে।”
৩৪০৮
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা এ দাওয়াতে সাড়া দেবে যখন তোমাদেরকে তার জন্য দাওয়াত দেয়া হয়। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বিবাহের দাওয়াতে বা বিয়ে ছাড়া অন্য যে কোন দাওয়াতে আসতেন। এমনকি তিনি সায়িম অবস্থায়ও (দাওয়াতে আসতেন)।
৩৪০৯
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘উমার (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন : যখন তোমাদের বকরির পায়া খাওয়ার দাওয়াত দেয়া হয়, তখন তোমরা তাতে সাড়া দিও।
৩৪১০
দা‘ওয়াতে সাড়া দেয়ার নির্দেশ পরিচ্ছেদ নাই
জাবির (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কাউকে খাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া হয়, তখন সে যেন দাওয়াতে সাড়া দেয়। অতঃপর ইচ্ছা করলে আহার করবে, না হয় না করবে। ইবনুল মুসান্না (রহঃ) তার বর্ণনায় ‘পানাহারের দিকে’ কথাটি উল্লেখ করেননি।