৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৩৯/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৩৮১
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)
নবী (ﷺ) আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর কাপড়ে হলুদ রং দেখে বললেন, “একি?” তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ সোনার বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেছি।” তিনি বললেন, “আল্লাহ তোমাকে বারাকাত দান করুন, তুমি ওয়ালিমা কর, যদিও একটি বকরী দ্বারা হয়।”
৩৩৮২
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে আব্দুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটির পরিমাণ সোনার বিনিময়ে (মহরানা দিয়ে) বিবাহ করেন। নবী (ﷺ) তাকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালিমা কর, যদি তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।”
৩৩৮৩
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাযিঃ)
আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) খেজুরের আঁটি পরিমাণ সোনার (মুহরানার) বিনিময়ে এক মহিলাকে বিবাহ করেন। আর নবী (ﷺ) তাঁকে বললেনঃ “তুমি ওয়ালীমা কর, যদি একটি বকরী দিয়েও হয়।”
৩৩৮৪
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
শু‘বাহ্
হুমায়দ থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তবে ওয়াহ্‌বের হাদীসে রয়েছে, ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন: আমি এক মহিলাকে বিবাহ করেছি।
৩৩৮৫
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাযিঃ)
আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার চেহারায় বাসর যাপনের প্রফুল্লতা দেখতে পেলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এক আনসার মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি (ﷺ) বললেন, তুমি তাকে কী পরিমাণ মাহর দিয়েছো? আমি বললাম, এক নাওয়াত (এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণ)। ইসহাক (রহঃ) এর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেনঃ ‘এক খেজুর পরিমাণ স্বর্ণের’।
৩৩৮৬
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)
আবদুর রহমান (রাঃ) খেজুরের একটি আঁটি পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে (মোহরানা দিয়ে) এক মহিলাকে বিয়ে করেন।
৩৩৮৭
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
শু’বাহ্ (রহঃ)
উক্ত সনদে বর্ণনা করেন। তবে এতে রয়েছে, তিনি বললেনঃ ‘আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ)-এর কোন এক সন্তান স্বর্ণের কথাও বর্ণনা করেছেন।
৩৩৮৮
স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযীলাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বারের যুদ্ধে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বারের কাছে অন্ধকার থাকতেই ফজরের সালাত আদায় করলাম। তারপর নবী (ﷺ) এবং আবু তালহা (রাঃ) সওয়ার হলেন। আমি ছিলাম আবু তালহা (রাঃ)-এর রাদীফ (তাঁর বাহনে তার পশ্চাতে উপবিষ্ট)। নবী (ﷺ) খায়বারের গলি দিয়ে রওনা দিলেন। এ সময় আমার হাঁটু রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উরুদেশ স্পর্শ করছিল এবং নবী (ﷺ)-এর উরু থেকে লুঙ্গি সরে যাচ্ছিল। আর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উরুর শুভ্রতা দেখছিলাম। যখন তিনি বস্তিতে প্রবেশ করলেন তখন বললেন, আল্লাহু আকবার, খায়বার ধ্বংস হোক। বস্তুত আমরা যখন কোন সম্প্রদায়ের আঙ্গিনায় অবতরণ করি তখন সতর্ককৃতদের প্রভাত হবে কত মন্দ! এ কথা তিনি তিনবার বলেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঐ সময় লোকজন তাদের কাজে বের হচ্ছিল। তারা বলতে লাগল, মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (এসেছেন)। বর্ণনাকারী আবদুল আজিয বলেন, আমাদের কোন কোন উস্তায বলেছেন, ‘পুরো বাহিনীসহ’।বর্ণনাকারী বলেন, আমরা খায়বার জয় করলাম এবং বন্দীদের একত্রিত করা হল। তখন দিহয়া (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কয়েদীদের মধ্যে থেকে আমাকে একজন দাসী প্রদান করুন। তিনি বললেন: যাও, একজন দাসী নিয়ে নাও। তিনি সাফিয়্যা বিনত হুয়াইকে নিয়ে নিলেন। তখন এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহর নবী! আপনি বানু কুরায়যা ও বানু নাজীর-এর সর্দার হুয়াইয়ের কন্যা সাফিয়্যাকে দিহয়া (রাঃ)-কে দিয়ে দিয়েছেন। ইনি একমাত্র আপনারই উপযুক্ত হতে পারে। তিনি বললেন তাকে সাফিয়্যাসহ ডাক। তারপর দিহয়া (রাঃ) সাফিয়্যাসহ উপস্থিত হলেন। যখন নবী (ﷺ) তার প্রতি দৃষ্টিপাত করলেন, তখন তিনি দিহয়া (রাঃ)-কে বললেন, তুমি সাফিয়্যা ব্যতীত কয়েদীদের মধ্য থেকে অন্য কোন দাসী নিয়ে নাও।বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সাফিয়্যাকে আযাদ করলেন এবং তাঁকে বিবাহ করলেন। আনাস (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে সাবিত (রাঃ) বললেন, হে আবু হামজা! তিনি তাঁকে কী মাহর দিলেন? তিনি বললেন, তিনি তাঁর সত্তাকে মুক্তি দান করেন এবং এর বিনিময়ে তাঁকে বিবাহ করেন। তারপর তিনি যখন (ফেরার) পথে ছিলেন তখন উম্মু সুলাইম (রাঃ) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে তাঁর জন্য প্রস্তুত করেন এবং রাতে তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেন। নবী (ﷺ) তাঁর সঙ্গে বাসর উদযাপনের পর ভোর হলে তিনি ঘোষণা করলেন, যার নিকট যা কিছু আছে তা নিয়ে যেন উপস্থিত হয়। আর তিনি চামড়ার বড় দস্তরখান বিছালেন। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে কেউ পানীয়, কেউ খেজুর ও কেউ ঘি নিয়ে হাজির হল। তারপর এসব মিলিয়ে তারা হাইস তৈরি করেন। আর তাই ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওয়ালিমা।
৩৩৮৯
স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযীলাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আনাস (রাযিঃ) সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
তিনি সাফিয়্যা (রাঃ)-কে আযাদ করলেন এবং তাঁর আযাদ করাকে মাহর ধার্য করলেন। অপর এক হাদীসে মু‘আয (রা.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, “নবী (ﷺ) সাফিয়্যা (রাঃ)-কে বিবাহ করেন এবং তাঁর আযাদ করাটাই ছিল মাহ্‌র।”
৩৩৯০
স্বীয় ক্রীতদাসীকে আযাদ করে বিবাহ করার ফযীলাত প্রসঙ্গে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ মূসা (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে তার দাসীকে আযাদ করে তাকে বিয়ে করে, তার জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব।