৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৩৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৩৭১
পিতা অপ্রাপ্ত বয়স্কা কুমারী কন্যার বিবাহ দিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
আমার ছয় বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বিবাহ করেন এবং আমার নয় বছর বয়সে তিনি আমার সঙ্গে বাসর যাপন করেন।
৩৩৭২
পিতা অপ্রাপ্ত বয়স্কা কুমারী কন্যার বিবাহ দিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
তাঁর সাত বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বিবাহ করেন। তাঁকে নয় বছর বয়সে তাঁর ঘরে বধূবেশে নেয়া হয় এবং তাঁর সঙ্গে তাঁর খেলার পুতুলগুলোও ছিল। তাঁর আঠার বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইন্তিকাল করেন।
৩৩৭৩
পিতা অপ্রাপ্ত বয়স্কা কুমারী কন্যার বিবাহ দিতে পারে পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ)
তাঁর ছয় বছর বয়সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বিবাহ করেন, তাঁর নয় বছর বয়সে তিনি তাঁকে নিয়ে বাসর যাপন করেন এবং আঠারো বছর বয়সে তিনি ইন্তিকাল করেন।
৩৩৭৪
শাও্ওয়াল মাসে বিবাহ করা বা বিবাহ দেয়া মুস্তাহাব এবং এ মাসে স্ত্রীর সাথে মিলনও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আয়িশাহ্ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে শাওওয়াল মাসে বিবাহ করেন এবং শাওওয়াল মাসে আমার সাথে প্রথম মিলিত হন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কোন স্ত্রী তাঁর নিকট আমার চাইতে অধিক সম্ভোগ্য ছিলেন? আয়িশা (রাঃ) তাঁর বংশের মেয়েদের শাওওয়াল মাসে বাসর ঘরে পাঠানো উত্তম মনে করতেন।
৩৩৭৫
শাও্ওয়াল মাসে বিবাহ করা বা বিবাহ দেয়া মুস্তাহাব এবং এ মাসে স্ত্রীর সাথে মিলনও মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সুফ্ইয়ান (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কর্মপন্থা উল্লেখিত হয়নি।
৩৩৭৬
কোন মহিলাকে বিবাহ করতে চাইলে বিবাহের পূর্বে তার মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় এক নজর দেখে নেয়া উত্তম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ)
আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে তাঁকে বলল যে, সে আনসার সম্প্রদায়ের এক মেয়েকে বিবাহ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, তুমি কি তাকে একবার দেখেছ? সে বলল, না। তিনি বললেন, যাও! তুমি তাকে এক নজর দেখে নাও। কারণ আনসারদের চোখে কিছুটা ত্রুটি আছে।
৩৩৭৭
কোন মহিলাকে বিবাহ করতে চাইলে বিবাহের পূর্বে তার মুখমণ্ডল ও হস্তদ্বয় এক নজর দেখে নেয়া উত্তম পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাযিঃ)
নবী (ﷺ)-এর নিকট এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলল, আমি জনৈকা আনসারি মহিলা বিবাহ করেছি। নবী (ﷺ) তাকে বললেন, “তুমি কি দেখে নিয়েছিলে? কেননা আনসারদের চোখে ত্রুটি থাকে।” লোকটি বললো, “আমি তাকে দেখে নিয়েছি।” তিনি বললেন, “কি পরিমাণ বিনিময়ে তুমি তাকে বিবাহ করছো?” লোকটি বললো, “চার উকিয়ার বিনিময়ে।” তখন নবী (ﷺ) তাকে বললেন, “চার উকিয়ার বিনিময়ে? মনে হয় তোমরা পাহাড়ের পার্শ্বদেশ থেকে রৌপ্য খুঁড়ে এনে থাক। আমাদের নিকট এমন কিছু নেই যা দিয়ে তোমাকে দান করতে পারি। তবে আমি তোমাকে শীঘ্রই একটি যুদ্ধাভিযানে পাঠিয়ে দিচ্ছি যার লব্ধ গনীমাত থেকে তুমি একাংশ লাভ করতে পারবে।” বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি বানু আবস-এর বিরুদ্ধে একটি অভিযান দল প্রেরণ করেন যার সাথে তিনি ঐ লোকটিকে পাঠিয়ে দেন।
৩৩৭৮
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
সাহ্‌ল ইবনু সা‘দ আস্‌ সা‘ইদী (রাযিঃ)
জনৈকা মহিলা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি নিজেকে আপনার জন্য হিবা করছি। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার দিকে লক্ষ্য করলেন এবং দৃষ্টি উপরের দিকে উঠিয়ে নিচে নামালেন। অতঃপর তিনি তাঁর শির মুবারক নত করলেন। মহিলা যখন বুঝতে পারল যে, তার সম্বন্ধে কোন সিদ্ধান্ত পৌঁছেননি, তখন সে বসে পড়ল।অতঃপর জনৈক সাহাবী দাঁড়িয়ে আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! যদি আপনার প্রয়োজন না হয় তাহলে তাকে আমার সাথে বিবাহ দিয়ে দিন। তিনি বললেন, তোমার কাছে কি কিছু আছে? সাহাবী বললেন, না, আল্লাহর কসম হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, তুমি বাড়ি যাও দেখ, কোন কিছু পাও কিনা। সাহাবী বাড়ি গিয়ে আবার ফিরে এসে বলল, আল্লাহর কসম, আমি বাড়িতে কোন কিছুই পাইনি।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ দেখ, লোহার আংটি হলেও (পাও কিনা)। সাহাবী আবার গেল এবং ফিরে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম, আমি লোহার আংটিও পাইনি। তবে আমার এ লুঙ্গিটি আছে। (বর্ণনাকারী) সাহল (রাঃ) বলেন, চাদরও ছিল না- যাতে অর্ধেক মহিলাটির জন্য হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি তোমার লুঙ্গি দ্বারা কী করবে? তা যদি তুমি পর তাহলে স্ত্রীর জন্য সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না। আর যদি সে তা পরিধান করে তাহলে (তোমার জন্য) সেটির কোন অংশ অবশিষ্ট থাকবে না।এরপর সে ব্যক্তি বসে রইল। অনেকক্ষণ বসার পর উঠে গেল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ফিরে যেতে দেখে ডেকে পাঠালেন। যখন সে এল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ কুরআনের কোন অংশ তোমার জানা আছে? উত্তরে সে বললঃ অমুক সূরা, অমুক সূরা আমার জানা আছে। এভাবে সে সূরাগুলোর সংখ্যা বলে দিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি কি এগুলো মুখস্থ পাঠ করতে পার? সাহাবী বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, যাও, তোমাকে এসব সুরার কারণে এ মহিলাকে তোমার অধিকারে দিয়ে দিলাম। এ হল ইবনু আবূ হাযিম-এর বর্ণনা। আর ইয়া‘কূব-এর বর্ণনা শব্দের দিকে দিয়ে এর কাছাকাছি।
৩৩৭৯
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হাযিম (রহঃ)-এর সূত্রে সাহল ইবনু সা‘দ (রাযিঃ)
এ হাদিস বর্ণনা করেন। অবশ্য কেউ কেউ একে অপর থেকে বাড়িয়ে বর্ণনা করেছেন। তবে যায়িদার হাদিসে রয়েছে, “নবী (ﷺ) বললেন: তুমি যাও, আমি তোমার সাথে একে বিবাহ দিলাম। তুমি তাকে কুরআন শিক্ষা দাও।”
৩৩৮০
মাহর-কুরআন শিক্ষা, লোহার আংটি ইত্যাদি বস্তু কম বা বেশি মাহর হতে পারে এবং যার জন্য কষ্টকর না হয় তার জন্য পাঁচশত দিরহাম মাহর দেয়া মুস্তাহব পরিচ্ছেদ নাই
আবূ সালামাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ)
আমি নবী (ﷺ)-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বিবাহে মাহর কী পরিমাণ ছিল? তিনি বললেন, তাঁর বিবিগণের মাহরের পরিমাণ ছিল বারো উকিয়াহ ও এক নাশ। তিনি বললেন, তুমি কি জান এক নাশ এর পরিমাণ কতটুকু? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, এক নাশ-এর পরিমাণ হল আধা উকিয়াহ। সুতরাং মোট হল পাঁচশত দিরহাম। এ ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সহধর্মিণীগণের মাহর।