৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৩১/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩৩০১
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
ক্বায়স (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে জিহাদে অংশগ্রহণ করতাম এবং আমাদের সঙ্গে আমাদের স্ত্রীগণ থাকত না। আমরা বললাম, আমরা কি খাসি হব না? তিনি আমাদের তা থেকে নিষেধ করলেন।অতঃপর তিনি পরিধেয় বস্ত্র দানের বিনিময়ে আমাদের নির্দিষ্ট কালের জন্য নারীদের বিবাহ করার রুকসত দিলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ (রাঃ) পাঠ করলেনঃ “হে মুমিনগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য উৎকৃষ্ট যেসব বস্তু হালাল করেছেন, সে সমুদয়কে তোমরা হারাম করো না এবং সীমালঙ্ঘন করো না আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না”- (সূরা আল মায়েদা ৫:৮৭)।
৩৩০২
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
ইসমা’ঈল ইবনু আবূ খালিদ (রহঃ)
উপরের হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। অতঃপর তিনি উক্ত আয়াত পাঠ করলেন। এতে তিনি বলেননি যে, আবদুল্লাহ (রাঃ) পড়েছেন।
৩৩০৩
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
ইসমা’ঈল (রহঃ)
উক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এতে আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমরা ছিলাম যুবক। তাই আমরা বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! আমরা কি খাসী হব না? এতে ‘জিহাদ’ শব্দের উল্লেখ নেই।
৩৩০৪
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ ও সালামাহ্‌ ইবনুল আক্‌ওয়া’ (রাযিঃ)
তারা উভয়ে বলেন, আমাদের সামনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ঘোষক বেরিয়ে এসে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাদের মুতআ বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছেন।
৩৩০৫
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
সালামাহ্‌ ইবনুল আক্‌ওয়া’ (রাযিঃ) ও জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট এলেন এবং আমাদের মুতআ (সাময়িক বিবাহের) অনুমতি দিলেন।
৩৩০৬
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আত্বা (রহঃ)
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) উমরা পালন করতে এলেন। তখন আমরা তাঁর আবাসে তাঁর নিকট গেলাম। লোকেরা তাঁর নিকট বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞেস করল। অতঃপর তারা মুতআ সম্পর্কে উল্লেখ করলে তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে এবং আবু বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ)-এর যুগে মুতআ (বিবাহ) করেছি।
৩৩০৭
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবু যুবায়র (রহঃ)
আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি : আমরা এক মুঠি খেজুর অথবা ময়দার বিনিময়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে এবং আবু বকর (রাঃ)-এর যুগে মুত‘আ বিবাহ করতাম। শেষ পর্যন্ত উমর (রাঃ) আমর ইবন হুরাইসের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তা নিষিদ্ধ করেন।
৩৩০৮
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
আবূ নায্‌রাহ্‌ (রহঃ)
আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এক ব্যক্তি তার নিকট এসে বলল, ইবন আব্বাস (রাঃ) ও ইবন যুবাইর (রাঃ) দুই প্রকারের মুতআ (তামাত্তু হজ্জ ও মুতআ বিবাহ) নিয়ে পরস্পর মতবিরোধ করেছেন। তখন জাবির (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপস্থিতিতে দুইটি মুতআ করেছি। অতঃপর উমর (রাঃ) আমাদের উভয়টিই করতে নিষেধ করলেন। অতএব আমরা তা আর করিনি।
৩৩০৯
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
ইয়াস ইবনু সালামাহ্ (রহঃ)
তিনি (পিতা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আওত্বাস যুদ্ধের বছর তিন দিনের জন্য মুতআ বিবাহের অনুমতি দিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি তা নিষিদ্ধ করেন।
৩৩১০
মুত্‌‘আহ্‌ বিবাহ বৈধ ছিল, পরে তা বাতিল করা হয়, অতঃপর বৈধ করা হয়, আবার বাতিল করা হয় এবং ক্বিয়ামাত পর্যন্ত স্থির থাকবে পরিচ্ছেদ নাই
রাবী’ ইবনু সাবরাহ্ আল জুহানী (রহঃ) থেকে তাঁর পিতা সাবরাহ (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের মুতআর অনুমতি দিলেন। অতঃপর আমি ও অপর এক ব্যক্তি বনু আমির গোত্রের একটি মহিলার নিকট গেলাম। সে ছিল দেখতে লম্বা ঘাড়বিশিষ্ট তরুণ উটনির ন্যায়। আমরা নিজেদেরকে তার নিকট (মুতআ বিবাহের জন্য) পেশ করলাম। সে বলল, আমাকে কী দিবে? আমি বললাম, আমার চাদর। আমার সাথীও বলল আমার চাদর। আমার চাদরের তুলনায় আমার সঙ্গীর চাদরটি বেশি উৎকৃষ্টতর; কিন্তু আমি ছিলাম তুলনায় কম বয়সের যুবক। সে যখন আমার সঙ্গীর চাদরের প্রতি তাকায় তখন তা তার পছন্দ হয় এবং বলল, তুমি এবং তোমার চাদরই আমার জন্য যথেষ্ট। অতএব আমি তার সাথে তিন দিন অতিবাহিত করলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: কারো কাছে মুতআ বিবাহের সূত্রে কোন স্ত্রী লোক থাকলে সে যেন তার পথ ছেড়ে দেয় (ত্যাগ করে)।