৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩৩/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩২১
সিদরাতুল মুনতাহার আলোচনা। পরিচ্ছেদ নাই
শাইবানী (রহঃ)
আমি যির ইবন হুবায়শকে “তাদের মধ্যে দু’ ধনুকের ব্যবধান ছিল কিংবা তারও কম”-(সূরা আন-নাজম ৫৩ : ৯)। এ আয়াত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি বললেন, ইবন মাসউদ (রাঃ) আমাকে বলেছেন, ‘নবী (ﷺ) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন, তাঁর ছয়শো ডানা আছে।’
৩২২
সিদরাতুল মুনতাহার আলোচনা। পরিচ্ছেদ নাই
‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ)
“তিনি যা দেখেছেন তাঁর অন্তকরণ তা অস্বীকার করেনি”-(সূরা আন-নাজম ৫৩: ১১)। আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন এবং এর ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বললেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন। তাঁর ছয়শ ডানা আছে।
৩২৩
সিদরাতুল মুনতাহার আলোচনা। পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত
“তিনি তো তাঁর প্রতিপালকের মহান নিদর্শনাবলী দেখেছিলেন”-(সূরা আন-নাজম ৫৩ : ১৮)। আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) জিবরীল (আঃ)-কে তাঁর আকৃতিতে দেখেছিলেন, তাঁর ছয়শ ডানা আছে।
৩২৪
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)
“নিশ্চয় তিনি তাকে আরেকবার দেখেছিলেন”-(সূরা আন-নাজম ৫৩:১৩) আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) জিবরীল (আঃ)-কে দেখেছিলেন।
৩২৫
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু ‘আব্বাস (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে অন্তর দ্বারা অনুভূতির মাধ্যমে দেখেছেন।
৩২৬
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)
আল্লাহর বাণীঃ “তিনি যা দেখেছেন, তাঁর অন্তকরণ তা অস্বীকার করেনি”, “এবং নিশ্চয়ই তিনি তাঁকে আরেক বার দেখেছেন” (সূরা আন-নাজম ৫৩:১১ ও ১৩) আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা হচ্ছেঃ রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর প্রভুকে হৃদয় ও অন্তকরণ দ্বারাই দেখেছেন। (অর্থাৎ বাহ্যিক চোখে প্রত্যক্ষ করেননি)।
৩২৭
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
তিনি আবূ জাহমাহ এই সানাদে উপরোক্ত হাদিসের অবিকল বর্ণনা করেছেন।
৩২৮
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
মাসরূক (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-এর মজলিসে হেলান দিয়ে বসেছিলাম। তখন তিনি বলছেন, হে আবু আয়িশা। তিনটি কথা এমন, যে এর কোনো একটি বলল, সে আল্লাহ সম্পর্কে ভীষণ অপবাদ দিল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, সেগুলি কী? তিনি বললেন, যে এ কথা বলে যে, মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, সে আল্লাহর উপর ভীষণ অপবাদ দিল।রাবী মাসরূক বলেন, আমি তো হেলান দেয়া অবস্থায় ছিলাম, এবার সোজা হয়ে বসলাম। বললাম, হে উম্মুল মু’মিনীন! থামুন। আমাকে সময় দিন, ব্যস্ত হবেন না। আল্লাহ তা’আলা কুরআনে কি বলেননি? “তিনি (রসূল) তো তাঁকে (আল্লাহকে) স্পষ্ট দিগন্তে দেখেছেন।” (সূরা আত-তাকভীর ৮১ : ২৩)। অন্যত্র “নিশ্চয়ই তিনি তাঁকে আরেকবার দেখেছিলেন।” (সূরা আন-নাজম ৫৩ : ১৩)।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমিই এ উম্মতের প্রথম ব্যক্তি, যে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনি তো ছিলেন জিবরীল (আঃ)। কেবলমাত্র এ দু’বারই আমি তাঁকে তাঁর আসল আকৃতিতে দেখেছি। আমি তাঁকে আসমান থেকে অবতরণ করতে দেখেছি। তাঁর বিরাট দেহ ঢেকে ফেলেছিল আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী সব স্থানটুকু।আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, তুমি শোননি? আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “তিনি (আল্লাহ) দৃষ্টির অধিগম্য নন, তবে দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত এবং তিনি সূক্ষ্মদর্শী ও সম্যক পরিজ্ঞাত।” (সূরা আল-আন’আম ৬ : ১০৩)। এরূপে তুমি কি শোননি? আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ তাঁর সাথে কথা বলবেন ওহীর মাধ্যম ব্যতিরেকে, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেকে, অথবা এমন দূত প্রেরণ ব্যতিরেকে যে তাঁর অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করেন, তিনি সমুন্নত ও প্রজ্ঞাময়।” (সূরা আশ-শূরা ৪২ : ৫১)।আয়িশা (রাঃ) বলেন, আর ঐ ব্যক্তিও আল্লাহর উপর ভীষণ অপবাদ দেয়, যে এমন কথা বলে যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহর কিতাবের কোনো কথা গোপন রেখেছেন। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ “হে রসূল! আপনার প্রতিপালকের নিকট হতে যা অবতীর্ণ হয়েছে তা প্রচার করুন, যদি তা না করেন তবে আপনি তাঁর বার্তা প্রচারই করলেন না।” (সূরা আল-মায়িদাহ ৫ : ৬৭)।তিনি, আয়িশা (রাঃ) আরো বলেন, যে ব্যক্তি এ কথা বলে যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহর ওহী ব্যতীত আগামীকাল কী হবে তা অবহিত করতে পারেন, সে-ও আল্লাহর উপর ভীষণ অপবাদ দেয়। কেননা আল্লাহ তা’আলা বলেন, “বলুন, আসমান ও জমিনে আল্লাহ ব্যতীত গায়েব সম্পর্কে কেউ জানে না।” (সূরা আন-নাম্‌ল ২৭ : ৬৫)।
৩২৯
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না (রহঃ)
উক্ত সানাদে ইবন উলাইয়্যাহ-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে এতে এতটুকু অতিরিক্ত আছে, আয়িশা (রাঃ) বলেন, যদি মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর উপর অবতীর্ণ ওহীর কোন অংশ গোপন করতেন তবে তিনি এ আয়াতটি অবশ্য গোপন করতেনঃ “স্মরণ করুন, আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ দান করেছেন এবং আপনিও যার [রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর পোষ্য পুত্র যায়দ] প্রতি অনুগ্রহ করেছেন আপনি তাকে বলেছিলেন “তুমি তোমার স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখ এবং আল্লাহকে ভয় কর। আর আপনি আপনার অন্তরে গোপন করেছিলেন। অথচ আল্লাহ তা প্রকাশকারী। আপনি লোককে ভয় করেছিলেন, অথচ আল্লাহকে ভয় করা আপনার জন্য অধিকতর সঙ্গত” - (সূরা আল আহযাব ৩৩ : ৩৭)।
৩৩০
মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ “নিশ্চয় তিনি তাঁকে দ্বিতীয়বার দেখেছেন”-(সূরাহ আন্‌ নাজ্‌ম ৫৩ : ১৩) নাবী( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি ইসরা মি’রাজের রাত্রে তাঁর প্রভূকে দেখেছেন? পরিচ্ছেদ নাই
মাসরূক (রহঃ)
আমি আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম- নবী (ﷺ) তাঁর রবকে দেখেছেন কি? জবাবে তিনি (আতঙ্ক বা আশ্চর্যের সাথে) বললেন, সুবহানাল্লাহ! তোমার কথা শুনে আমার শরীরের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। অতঃপর হাদিসের পূর্ণ বিবরণ বর্ণনা করেছেন। তবে এ প্রসঙ্গে দাউদের হাদিসটিই পরিপূর্ণ ও বিস্তৃত।