৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩২২/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩২১১
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আমির ইবনু সা’দ (রাঃ)
সা’দ (রাঃ) আল-‘আকিক-এ তার আবাসে রওনা হলেন। পথিমধ্যে তিনি একটি ক্রীতদাসকে একটি গাছ কাটতে অথবা (লাঠি দিয়ে) এর পাতা ঝরাতে দেখলেন। অতএব তিনি তার অস্ত্র কেড়ে নিলেন। তিনি ফিরে এলে ঐ গোলামের মনিব এসে তার সাথে আলাপ করলেন এবং তাদের গোলামের নিকট থেকে তিনি যা কেড়ে নিয়েছেন তা তাদের কাছে অথবা তাদের গোলামের কাছে ফেরত দিতে অনুরোধ করলেন। তিনি বললেন, যে জিনিস রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে উপহার স্বরূপ দিয়েছেন তা ফেরত দেয়ার ব্যাপারে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি। অতএব তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করলেন।
৩২১২
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আম্‌র ইবনু আবূ ‘আম্‌র (রহঃ)
তিনি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবূ তাল্‌হা (রাঃ)-কে বললেনঃ তোমাদের বালকদের মধ্য থেকে একজন বালক আমার খিদমতের জন্য খুঁজে আন। অতএব, আবূ তাল্‌হা (রাঃ) আমাকে বাহনে তাঁর পিছনে বসিয়ে রওনা হলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখনই (বাহন থেকে) নামতেন, আমি তাঁর প্রয়োজনীয় সেবা করতাম। এ হাদিসে তিনি আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অগ্রসর হতে থাকলেন এবং উহুদ পাহাড় তাঁর দৃষ্টিগোচর হল- তিনি বললেনঃ “এ পাহাড় আমাদের ভালোবাসে এবং আমরাও তাকে ভালোবাসি।” তিনি যখন মদিনার নিকটবর্তী হলেন তখন বললেনঃ “হে আল্লাহ! তাদের (মদীনার অধিবাসীদের) মুদ ও সা’-এ বারাকাত দান করুন।”
৩২১৩
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত এই যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ “আমি মদিনার দুই প্রান্তের কংকরময় মাঠের মধ্যবর্তী স্থানকে হারাম করছি।”
৩২১৪
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আসিম (রহঃ)
আমি আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি মদিনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এখান থেকে ওখানের মধ্যবর্তী স্থান। অতএব যে ব্যক্তি এখানে কোনো পাপ করে, তিনি পুনরায় আমাকে বললেন, তা খুবই ভয়ংকর ব্যাপার যে, এখানে কোনো পাপ করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নাত। কেয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা তাঁর ফরজ অথবা নফল কোনো ইবাদতই কবুল করবেন না। রাবী বলেন, আনাস (রাঃ)-এর পুত্র বললেন, “অথবা যে কোনো পাপীকে আশ্রয় দিল”।
৩২১৫
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মাদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আসিম আল আহওয়ার (রহঃ)
আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি মদিনাকে হারাম করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তা হারাম। অতএব এখানকার উদ্ভিদ উপড়ানো যাবে না। যে ব্যক্তি তা করবে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা এবং সমগ্র মানব জাতির লা’নত।
৩২১৬
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, হে আল্লাহ! তাদের বরকত দান করুন মিকইয়ালে, তাদের সা‘-এ এবং তাদের মুদ্দ-এ।
৩২১৭
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! আপনি মক্কাতে বরকত দান করেছেন, মদীনায় তার দ্বিগুণ বরকত দান করুন।”
৩২১৮
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
ইব্রাহীম আত্ তায়মী (রহঃ)
আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আমাদের (আহলে বায়ত) কাছে আল্লাহর কিতাব ছাড়া যা আমরা পাঠ করি এবং এ সহীফা (রাবী বলেন, অর্থাৎ ঐ সহীফা যা তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত ছিল) ছাড়া কিছু আছে, সে মিথ্যা বলে। এ সহীফায় উটের বয়স এবং কিছু জখমের বর্ণনা ছিল।এর মধ্যে আরও ছিল, নবী (ﷺ) বলেন, মদিনার ‘আইর ও সাওর এর মধ্যবর্তী স্থান হারাম। এখানে যে ব্যক্তি কোনো বিদআতি কর্মে লিপ্ত হয় অথবা কোনো বিদআতি কে আশ্রয় দেয়, তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির লা'নাত। কেয়ামতের দিন আল্লাহ তার কোনো ফরজ ও নফল ইবাদত কবুল করবেন না। মুসলিমদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা প্রদানে সকলে সমান। তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকর। যে অন্য পিতার সাথে নিজ বংশ দাবি করে অথবা নিজ মুনীবের পরিবর্তে অন্য মুনীবের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত করে তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাদের ও সমগ্র মানবজাতির লা'নাত। আল্লাহ তা’আলা কেয়ামতের দিন তার ফরজ বা নফল কোনো ইবাদতই গ্রহণ করবেন না।রাবী বলেন, আবু বকর ও যুহাইরের হাদিস শেষ হয়ে গেছে “তাদের নিম্নস্তরের একজনের প্রদত্ত নিরাপত্তাও কার্যকর” এ কথা পর্যন্ত। তারা এর পরবর্তী অংশ উল্লেখ করেননি। তাদের উভয়ের বর্ণনায় “তাঁর তরবারির খাপে ঝুলন্ত” কথাটুকু উল্লেখিত হয়নি।
৩২১৯
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে উল্লেখ আছে “যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের সাথে (নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দেয়ার পর) বিশ্বাসঘাতকতা করে, তার উপর আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণের ও সমগ্র মানব জাতির লা’নত। কেয়ামতের দিন তার ফরজ বা নফল কোন ইবাদতই কবুল করা হবে না। তাদের (আলী ও ওয়াকী) উভয়ের বর্ণনায় “যে ব্যক্তি নিজ পিতৃ পরিচয়ের পরিবর্তে অন্য পিতৃ পরিচয়ের দাবি করে” কথাটুকুর উল্লেখ এবং ওয়াকী’র বর্ণনায় “কেয়ামতের দিন” কথাটুকুর উল্লেখ নেই।
৩২২০
মদীনার ফযীলাত, এ শহরে বারাকাত দানের জন্য নবী (স.)-এর দু’আ, মদীনাহ্ ও হারামের মর্যাদা এবং এখানে শিকার ও এখানকার গাছপালা কর্তন নিষিদ্ধ ও মদীনার হারামের সীমা পরিচ্ছেদ নাই
আ’মাশ (রহঃ)
এ সূত্রে ইবনু মুসহির ও ওকী‘র হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এদের বর্ণনায় “গোলাম নিজের মুনিবের পরিবর্তে অন্যকে নিজের মুনিব বলে পরিচয় দেয়” কথাটুকু নেই। আর তার প্রতি লা‘নতের কথা উল্লেখিত হয়েছে।