৭৪৫৩
মোট হাদিস
৭৪৫৩
দেখানো হচ্ছে
১৩৭৪
অধ্যায়
২৬১৯
বর্ণনাকারী
৩১৮/৭৪৬
পৃষ্ঠা
১৯৯
পছন্দ
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মুসলিম শরীফ

অধ্যায়: সকল উপ-অধ্যায়: সকল হাদিস নং: সকল বর্ণনাকারী: সকল হাদিস সংখ্যা: ৭৪৫৩
৩১৭১
হজ্জের সফর ইত্যাদি থেকে প্রত্যাবর্তন করে যে দু’আ পড়তে হয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
আমি ও আবু তালহা (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর সাথে প্রত্যাবর্তন করলাম এবং সুফিয়া (রাঃ) তাঁর উটনীর পিঠে পেছনে সওয়ার ছিলেন। আমরা যখন মদিনার শহরতলীতে পৌঁছালাম তখন নবী (ﷺ) এ দোয়া পড়লেন : (অর্থ) “আমরা প্রত্যাবর্তনকারী, তওবাকারী, আমাদের প্রভুর ইবাদতকারী, প্রশংসাকারী”। আমরা মাদিনায় প্রবেশ করা পর্যন্ত তিনি অবিরত এ দোয়া পড়তে থাকতেন।
৩১৭২
হজ্জের সফর ইত্যাদি থেকে প্রত্যাবর্তন করে যে দু’আ পড়তে হয় পরিচ্ছেদ নাই
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)
এ সনদে উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
৩১৭৩
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ইত্যাদি সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পথে যুল হুলায়ফার বাত্বহা নামক স্থানে অবতরণ ও সলাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুল হুলাইফার কংকরময় ভূমি (বাত্‌হা)-তে তাঁর উট বসালেন এবং সেখানে সালাত আদায় করলেন। নাফি (রহঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ও তাই করতেন।
৩১৭৪
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ইত্যাদি সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পথে যুল হুলায়ফার বাত্বহা নামক স্থানে অবতরণ ও সলাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
নাফি’ (রহঃ)
ইবনু উমর (রাঃ) যুল হুলাইফার বাতহা প্রান্তরে তাঁর উট বসাতেন যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উট বসাতেন এবং সালাত আদায় করতেন।
৩১৭৫
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ইত্যাদি সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পথে যুল হুলায়ফার বাত্বহা নামক স্থানে অবতরণ ও সলাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক্ব আল মুসাইয়্যাবী (রহঃ)
ইবনু উমর (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরা সমাপনান্তে ফেরার পথে যুল হুলাইফার কংকরময় ভূমিতে নিজের উট বসাতেন যেখানে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর উট বসাতেন।
৩১৭৬
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ইত্যাদি সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পথে যুল হুলায়ফার বাত্বহা নামক স্থানে অবতরণ ও সলাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম (রহঃ)
যুল হুলায়ফায় রাতের শেষ ভাগে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট (কোনো আগন্তুক ফেরেশতা) আবির্ভূত হয়। তাঁকে বলা হল, আপনি বরকতময় পাথরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)।
৩১৭৭
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ইত্যাদি সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পথে যুল হুলায়ফার বাত্বহা নামক স্থানে অবতরণ ও সলাত আদায় করা মুস্তাহাব পরিচ্ছেদ নাই
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্র হতে
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুল হুলাইফার উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থানকালে রাতের বিশেষ প্রহরে তাঁর নিকট (কোনো ফেরেশতা) আবির্ভূত হন এবং বলা হয়ঃ আপনি বরকতময় কংকরময় স্থানে (অবস্থান করছেন)। মূসা উকবা (রহঃ) বলেন, সালিম (রহঃ) আমাদের সাথে সফরকালে মসজিদের নিকট তাঁর উট বসাতেন যেখানে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) নিজের উট বসাতেন এবং এ স্থানকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অবতরণ (অবস্থান) স্থল মনে করতেন। স্থানটি উপত্যকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত মসজিদের নিম্নদেশের সমতলে মসজিদ ও কেবলার মাঝখানে অবস্থিত।
৩১৭৮
মুশরিকরা বায়তুল্লাহর হজ্জ করবে না, উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর ত্বওয়াফ করবে না এবং হাজ্জের বড় দিনের বর্ণনা পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
বিদায় হজ্জের পূর্ববর্তী (বছরের) যে হজ্জে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ)-কে আমীর নিয়োগ করেছিলেন, সে হজ্জের সময় তিনি (আবু বকর) আমাকে সহ একদল লোকদের কুরবানির দিন জনগণের মধ্যে নিম্নোক্ত ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেনঃ “এ বছরের পর মুশরিকরা আর হজ্জ করতে পারবে না এবং উলঙ্গ অবস্থায় আল্লাহর ঘর তওয়াফ করবে না”। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর এ হাদীস অনুযায়ী হুমায়দ ইবন আবদুর রহমান বলতেন- “মহান হজ্জের দিন হচ্ছে এ কুরবানির দিন”।
৩১৭৯
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ও ‘আরাফাহ্ দিবসের ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
সা’ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)
আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আরাফা দিবসের তুলনায় এমন কোন দিন নেই- যেদিন আল্লাহ সর্বাধিক লোককে দোজখের আগুন থেকে মুক্তি দান করেন। আল্লাহ নিকটবর্তী হন, অতঃপর বান্দাদের সম্পর্কে ফেরেশতাদের সামনে গৌরব করেন এবং বলেনঃ তারা কী উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছে (বা তারা কী চায়)?
৩১৮০
হজ্জ, ‘উমরাহ্ ও ‘আরাফাহ্ দিবসের ফযীলাত পরিচ্ছেদ নাই
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: একটি উমরাহ পরবর্তী উমরাহ পর্যন্ত মাঝখানের গুনাহসমূহের কাফফারার স্বরূপ এবং ত্রুটিমুক্ত (অথবা আল্লাহর নিকট গৃহীত) হজ্জের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া এর কিছু নয়।